BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

প্রসঙ্গ: মানবাধিকার

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৮:৪৬ | আপডেট: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৮:৪৬

সাইফুল খান

আরও পড়ুন:

বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ঠিকাদারি রাষ্ট্রসংঘের। মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখার জন্য তাদের মূল প্রতিষ্ঠান হল United Nations Human Rights Council (UNHRC) বা রাষ্ট্রসংঘ মানবাধিকার পরিষদ। এছাড়াও রাষ্ট্রসংঘের ভেতরে আরেকটি বড় অফিস আছে, Office of the High Commissioner for Human Rights (OHCHR)। এটি সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত এবং বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, তদন্ত, প্রতিবেদন ও সহযোগিতা করে এই সংস্থা।

আরও পড়ুন:

UNHRC ৪৭টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। তাদের কাজ নীতিনির্ধারণ ও আলোচনা করা, মানে টক-শো করা। আর বাস্তবায়ন, নজরদারি ও কারিগরি সহায়তা তথা হোম সার্ভিস দেয় OHCHR। আমাদের বুঝতে হবে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সৌন্দর্য আসলে কেমন। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আগে দরকার মানবাধিকার হরণ করার প্রোজেক্ট। হরণ না হলে অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রোজেক্ট হাতে নেওয়ার উপযোগিতা কী! মানবাধিকারের সৌন্দর্য হল বর্ডার দিয়ে মেক্সিকোকে আলাদা রাখা। এছাড়াও পাশে থাকা কিউবা, ভেনেজুয়েলা, নিকারাগুয়া, হাইতি, পানামার সঙ্গে সম্পর্কের যে ইতিহাস, সেখানেও মানবাধিকার প্রোজেক্ট চালানো যায়।

আরও পড়ুন:

ফিলিস্তিনের চারপাশে থাকা দেশগুলো মানবাধিকার কার্যক্রমে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আছে মজলুমদের আলাদা রেখে। সৌদি আরব যেমন ইয়েমেনের সঙ্গে মানবাধিকার দেখায় আলাদা রেখে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়ে। ইউরোপ যেভাবে আফ্রিকাকে দেখায়। ইউরোপের স্পেন আর আফ্রিকার মরক্কোর কাছাকাছি দূরত্ব মাত্র ১৩ কিলোমিটার। ব্রিজ বা টানেল নির্মাণ করে যোগাযোগ করা যেত। যেহেতু আফ্রিকায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে ইউরোপকে, তাই আলাদাই থাক। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আলাদা থাকার জন্য প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম বিভাজন জরুরী। দেওয়ালের ওপাশ থেকে কান্নার শব্দ তো আগে আসতে হবে। তারপর না হয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার একটা দীর্ঘমেয়াদি প্রোজেক্ট হাতে নেওয়া যাবে। দশকের পর দশক ধরে চলতে হবে এই প্রক্রিয়া।

আরও পড়ুন:

 

মানবাধিকার রক্ষায় যারা নেপথ্য থেকে ঘাম ঝরায় তাদের সম্পর্কে কৌতুহল উদ্দীপক কিছু তথ্য শেয়ার করা জরুরী মনে করছি। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর তথ্য মতে, ২০২৩ সালে যে কয়েকটি কোম্পানি অস্ত্র রফতানিতে শীর্ষে ছিল, তাদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Lockheed Martin একাই প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে। তারা মূলত যুদ্ধবিমান (যেমন F-35), মিসাইল সিস্টেম এবং স্যাটেলাইট প্রযুক্তি তৈরি করে। এরপরেই আছে Raytheon / RTX Corporation, যারা মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও উন্নত সমরাস্ত্র তৈরি করে, যার আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। Northrop Grumman প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে, তাদের বিশেষত্ব হল ড্রোন, সাইবার সিকিউরিটি ও নিউক্লিয়ার প্রতিরক্ষা। Boeing প্রতিরক্ষা শাখা থেকে বছরে ৩১ বিলিয়ন ডলার আয় করে, যুদ্ধবিমান ও সামরিক পরিবহন বিমান তৈরি করে। General Dynamics প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার আয় করে ট্যাংক, সাবমেরিন ও সাঁজোয়া যান বিক্রি করে। ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠান BAE Systems প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারের বাজার দখল করে আছে। তারা কামান, যুদ্ধবিমান ও নৌবাহিনীর জন্য উন্নত মানের সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে। চীন ও রাশিয়ার কোম্পানিগুলোও (যেমন NORINCO, AVIC, Rostec) বিশাল অঙ্কের অস্ত্র উৎপাদন করে, যদিও তাদের আর্থিক হিসাব পশ্চিমা কোম্পানির মতো স্বচ্ছ নয়।

আরও পড়ুন:

কিন্তু এখানেই একটি বড় বৈপরীত্য তৈরি হয়। যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের যন্ত্র বিক্রি করে যে কোম্পানিগুলো কোটি কোটি ডলার আয় করে, সেই কোম্পানিগুলোই আবার মানবিক কাজে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে থাকে। যেমন Lockheed Martin Foundation শিক্ষা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি গবেষণা, ভেটেরান সাপোর্ট ও দুর্যোগ মোকাবিলায় নিয়মিত আর্থিক অনুদান দেয়। কোভিড-১৯ মহামারির সময় তারা প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছিল। Raytheon / RTX-এর Corporate Citizenship প্রোগ্রাম আছে। তারা UNICEF ও Red Cross-এর মতো প্রতিষ্ঠানে দান করেছে এবং ভেটেরান ও পরিবেশ উদ্যোগে অর্থ ব্যয় করে। Northrop Grumman স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে STEM শিক্ষায় বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করে এবং ভেটেরান পরিবারকে সহায়তা দেয়। Boeing ২০২২ সালে বিভিন্ন দেশে প্রায় ২৪ মিলিয়ন ডলার শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবেশ প্রকল্পে ব্যয় করেছে। ব্রিটেনের BAE Systems-ও শিক্ষা, কমিউনিটি উন্নয়ন এবং মানসিক স্বাস্থ্য উদ্যোগে অর্থ দেয়।
তবে রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানিগুলো এ ধরনের দাতব্য উদ্যোগ পশ্চিমা ধাঁচে প্রকাশ করে না। তারা সাধারণত সরকারের মাধ্যমে পরিকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবা বা দুর্যোগ মোকাবিলায় অর্থ দেয়, যা রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামের অংশ হিসেবেই গণ্য হয়।

আরও পড়ুন:

অতএব, একদিকে এই কোম্পানিগুলো মানুষ ও দেশ ধ্বংস করতে যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, মিসাইল, ড্রোন বা সাবমেরিন বিক্রি করে শত শত বিলিয়ন ডলার আয় করে; আবার অন্যদিকে নিজেদের ভাবমূর্তি (!) রক্ষায় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার (!) অংশ হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দুর্যোগ মোকাবিলা ও মানবিক ত্রাণে কিছু অর্থ ফিরিয়ে দেয়। সমালোচকদের মতে, মানবিক খাতে তাদের অনুদান আসলে আয়ের তুলনায় নগণ্য এবং এগুলো অনেকটাই ব্র্যান্ড-ইমেজ ঠিক রাখার জন্য করা হয়। কিছু সমর্থক বলেন, এগুলো না থাকলে হয়ত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রকল্পই বাস্তবায়িত হত না। আলোচক আর সমালোচকেরা এমনসব বিষয়ের আলোচনার ভিতরে আটকে রাখে। আমাদের মাথায় আর এটা আসে না যে, তারা সবাই প্রথমেই মানবতাবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত। মিডিয়া, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সবই চলে তাদের অর্থায়নে।

আরও পড়ুন:

অতএব আলোচনার বিষয় হিসেবে এটা আসবে না, তাদের মানব-ধ্বংসী অস্ত্র কার্যক্রম কেন মানবতাবিরোধী অপরাধ নয়? আলোচনার বিষয় বাছাই করা হবে তাদের পক্ষে রেখে সমালোচনা করার জন্য। অস্ত্র কোম্পানিগুলোর মার্কেটই মূলত যুদ্ধ। স্বাভাবিকভাবেই অস্ত্র রফতানি করতে মার্কেট তৈরি করতে হয়। সেজন্য প্রয়োজন দেশে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সংঘাত, যুদ্ধ আর অবিশ্বাসের বীজ বোনার গোপন প্রোজেক্ট চালু রাখা।

আরও পড়ুন:

প্রথমে ক্ষত তৈরি করতে হবে। তারপর উপশমের বিশাল আয়োজন চলবে কয়েক দশক ধরে। এটাই মানবাধিকার প্রোজেক্ট। অনুদানের সামিয়ানায় ঢাকা পড়ে থাকে ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত মানবতাবিরোধী সব অপরাধ।

আরও পড়ুন:

(লেখক: ইতিহাস, রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক)

আরও পড়ুন:

হাইলাইট

আরও পড়ুন:

যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের যন্ত্র বিক্রি করে যে কোম্পানিগুলো কোটি কোটি ডলার আয় করে, সেই কোম্পানিগুলোই আবার মানবিক কাজে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে থাকে। অতএব, একদিকে এই কোম্পানিগুলো মানুষ ও দেশ ধ্বংস করতে যুদ্ধবিমান, ট্যাংক, মিসাইল, ড্রোন বা সাবমেরিন বিক্রি করে শত শত বিলিয়ন ডলার আয় করে; আবার অন্যদিকে নিজেদের ভাবমূর্তি (!) রক্ষায় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার (!) অংশ হিসেবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, দুর্যোগ মোকাবিলা ও মানবিক ত্রাণে কিছু অর্থ ফিরিয়ে দেয়। তাদের মানব-ধ্বংসী অস্ত্র কার্যক্রম কেন মানবতাবিরোধী অপরাধ নয়?

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder