বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির অনাস্থা আনলো জাতীয় কংগ্রেস
নতুন পয়গাম, এজাজ আহম্মেদ, কান্দি: রাজ্যে রাজ্য সরকারের পালাবদল এখনো এক মাস অতিক্রম করেনি। এরই মধ্যে রাজ্যে পালা বদলের আচ এসে পৌঁছে গেল মুর্শিদাবাদের কান্দি মহকুমায়। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর যে পঞ্চায়েত সমিতি এককভাবে দখল করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সভাপতি হয়েছিলেন তৃণমূলের সুলতানা খাতুন। বুধবার তৃণমূলের দখলে থাকা ওই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে অনল কংগ্রেস। ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের কান্দি মহকুমার বড়ঞা ব্লকের বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির। বৃস্পতিবার তৃণমূলের ১৮ জন সদস্য কংগ্রেস সদস্যদের সাথে মিলে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলতানা খাতুনের বিরুদ্ধে সভাপতির অপসারণ আবেদন করেন কান্দির মহকুমা শাসকের কাছে। আবেদন করা হয় মহকুমা শাসক প্রদীপ্ত বিশ্বাসের কাছে অপসারণের জন্য। এখন দেখার আগামী দিনে পঞ্চায়েত সমিতি কাদের দখলে যায়। বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির ৮ জন কংগ্রেস সদস্য মধ্যে ছয় জন এবং তৃণমূলের ২১ জন সদস্যের মধ্যে ১৮ জন মোট চব্বিশ জন সই করে মহকুমা শাসকের কাছে আবেদন রাখা হয়েছে সভাপতি এর বিরুদ্ধে অনাস্থা। বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতিতে ক্ষমতার সমীকরণে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। বৃহস্পতিবার কান্দি মহকুমা শাসকের দপ্তরে ২৪ জন পঞ্চায়েত সমিতি সদস্যে অনাস্থাপত্র জমা পড়ে।
সূত্রের খবর, অনাস্থাপত্রে স্বাক্ষর করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ১৬ জন এবং কংগ্রেসের ৮ জন সদস্য-সহ মোট ২৪ জন সদস্য। অনাস্থাপত্রটি মহকুমা শাসক প্রদীপ্ত বিশ্বাসের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমান বোর্ডের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের বার্তা দিল কংগ্রেস। বড়ঞার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুলতানা খাতুন জানিয়েছেন, ” যাদের চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই। যাদের লোভ বেশি। তাদের বর্তমানে আমরা কিছুই দিতে পারছি না। তার জন্যই কংগ্রেসের সাথে যোগসাজ করে এই অনাস্থা এনেছে।”








