বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ নিজে মাটি কেটে ১০০ দিনের কাজের সূচনা করলেন
নতুন পয়গাম, সঞ্জয় মন্ডল, বাঁকুড়া: প্রায় তিন বছর ১০০ দিনের কাজ বন্ধ রয়েছে গোটা পশ্চিম বঙ্গ জুড়ে।এই জনমুখী প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্রাম অঞ্চলের বহু মানুষ চরম অসুবিধায় পড়েছে।পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বার বার বোলাহয়েছে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বাংলায় ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একশ দিনের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার কারণ হিসেবে বারে বারে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও বঞ্চনা কেই মানুষের কাছে তুলে ধরা হয়েছিল। যদিও তৎকালীন সময় বিজেপির পক্ষ থেকে ১০০ দিনের কাজ বন্ধের কারণ হিসেবে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতির কথাকেই তুলে ধরা হয়েছিল সাধারণ মানুষের কাছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বারে বারে দাবি করা হয়েছিল দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলের সরকার ১০০ দিনের কাজের কোন হিসাব কেন্দ্রে দিতে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই হিসেব দিতে না পারাই ১০০ দিনের কাজ বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ বলেই বিজেপি পক্ষ থেকে বারবার বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।
সদ্য হয়ে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল পরাজিত হয়ে রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নতুন করে ১০০ দিনের কাজ চালু করার ব্যাপারে নতুন রাজ্য সরকার বিশেষভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এদিন বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ বড়জোড়া বিধানসভা এলাকার মধ্যে সালুকাই ডুবকা পুকুর সংস্কারের মধ্যে দিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ১০০ দিনের কাজের শুভ সূচনা করেন। বিধায়ক নিজে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে নতুন করে ১০০ দিনের কাজের শুভ সূচনা করেন। বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ জানান তিনি গ্রামের মানুষ। স্বাভাবিকভাবেই কোদাল চালিয়ে মাটিকাটা তার কাছে নতুন কোন ব্যাপার নয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ কর যায় যে বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ পেশায় একজন আইনজীবী। সূত্র মাধ্যমে জানা গেছে কেন্দ্রীয় প্রকল্প এম জি এন কে ১০০দিনের কাজের প্রকল্পের নাম পরিবর্তন হতে চলেছে।আগামী মাস থেকে১০০ দিন এর পরিবর্তে মানুষ ১২৫ দিন কাজ পাবে। ১২৫ দিন কাজের নতুন প্রকল্পের নামকরণ করা হয়েছে ভি বি জি রাম জি। এদিন এলাকার মানুষ বিধায়ককে একটু অন্যরূপে দেখে সভাপতি খুশি হয়েছে। ইতিমধ্যেই শান্ত ভদ্র মার্জিত ও কাজের মানুষ হিসেবে বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।








