ধূপগুড়ি মহকুমা ডেকোরেশন লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন
নতুন পয়গাম, প্রীতিময় সরখেল, ধূপগুড়ি: ধূপগুড়ি মহকুমা ডেকোরেশন লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন রবিবার ধূপগুড়ির ঘোষপাড়া মোড়ের আরতিকুঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে ধূপগুড়ি ও বানারহাট ব্লকের ডেকোরেশন লাইট ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধূপগুড়ি মহকুমা শাসক শ্রদ্ধা শুব্বা, ধূপগুড়ির বিধায়ক নরেশ চন্দ্র রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী জ্যোতি সরকার-সহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ। এদিন সদস্যদের হাতে পরিচয়পত্র তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ‘একটি গাছ, একটি প্রাণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।
সম্মেলনে মহকুমা শাসক ও বিধায়ক ধূপগুড়ির ডেকোরেশন শিল্পকে আরও উন্নত করার আহ্বান জানান। চন্দননগরের আলোকসজ্জার মতো ধূপগুড়িকেও পরিচিত করে তুলতে আধুনিক ও আকর্ষণীয় আলোকসজ্জা এবং পুজোর প্যান্ডেল নির্মাণে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন তাঁরা। বিধায়ক নরেশ চন্দ্র রায় আশ্বাস দেন, এই শিল্পের উন্নয়নে তিনি সবসময় পাশে থাকবেন।
পাশাপাশি, এদিন অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটিও গঠিত হয়। সভাপতি নির্বাচিত হন নিতাই দত্ত, সম্পাদক অনিল সেন এবং কোষাধ্যক্ষ সন্টু বসাক। আগামী দুই বছরের জন্য তাঁরা সংগঠনের দায়িত্ব পালন করবেন। নবনির্বাচিত সম্পাদক অনিল সেন জানান, সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা প্রশাসন ও বিধায়কের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। আসন্ন দুর্গাপুজোয় ধূপগুড়ির ডেকোরেশন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে বিশেষ আকর্ষণ ও আধুনিক আলোকসজ্জার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলন শেষে উপস্থিত সদস্যদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা করা হয়। মেনুতে ছিল ফ্রাইড রাইস ও মাংস।








