BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

পরিবার সুখের হয় ধমনীর গুণে

প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:৩৫ | আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৫, দুপুর ২:৩৫

মুদাসসির নিয়াজ

আরও পড়ুন:

নতুন পয়গাম: ব্যক্তির সমষ্টি হল পরিবার। আবার সমাজের ক্ষুদ্র সংস্করণ হল পরিবার। অর্থাৎ সমাজ গড়ে ওঠার প্রথম ও প্রধান উপাদান হল পরিবার। আর পরিবার তথা সমাজের প্রধান উপাদান হল মানুষ। তাই মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও স্নেহ ভালবাসার অটুট বন্ধনের মাধ্যমে গড়ে ওঠে পারিবারিক কাঠামো। মানব সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে পরিবারের গুরুত্ব অপরিসীম। পরিবারকে বলা হয় সমাজ তথা রাষ্ট্রের আয়না। একটি আদর্শ পরিবারের অন্যতম ক্রাইটেরিয়া হল সকলে মিলেমিশে একত্রে বসবাস করা। যদিও বর্তমানে পারিবারিক পরম্পরা, সম্পর্ক তথা বন্ধন ক্ষয়িষ্ণু।

আরও পড়ুন:

ফলে সামাজিক ক্ষেত্রে নানাবিধ উপসর্গ ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। তাই পরিবারে সবার সুখ, শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে, তবেই পরিবার সুসংহত হবে, সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর সমাজ গড়ে উঠবে। পাশ্চাত্যের পারিবারিক গঠন, কাঠামো ও বুনিয়াদ খুবই নড়বড়ে। পশ্চিমারা নিজেদেরকে আধুনিক সভ্যতার সূতিকাগার বলে দাবি করলেও তাদের পারিবারিক কাঠামো ও বন্ধন ভঙ্গুর বা শিথিল। অভিভাবকরা সন্তানদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। কারণ, অধিকাংশ পিতা-মাতার নৈতিক চরিত্রের ঠিক-ঠিকানা নেই।

আরও পড়ুন:

স্বাধীনতা ও অধিকারের নামে তারা যা ইচ্ছা তাই করে বেড়াচ্ছে। পরিণতিতে পরিবারের ভিত্তি নড়বড়ে হচ্ছে, বিবাহ-বহির্ভূত অবৈধ সম্পর্কের ফসল হিসেবে জারজ শিশুর জন্মহার লাগামছাড়া। লাওয়ারিশ-বেওয়ারিশে উজাড় হয়ে যাচ্ছে আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলো।
পরিবারের ভিত মজবুত করা, পরিবারকে ক্ষতিকারক সবকিছু থেকে হেফাজত করা এবং পারিবারিক বন্ধনকে মজবুত করার ওপর জোরালো তাগিদ দিয়েছে ইসলাম। একইসঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও দিয়েছে।

আরও পড়ুন:

ইসলাম নারীকে জননী, ভগিনী ও কন্যা হিসেবে পৃথক পৃথক মর্যাদা দিয়েছে। মা হিসেবে নারীকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দিয়ে বলা হয়েছে, আল্লাহ এবং নবী-রাসূলের পরই মায়ের অবস্থান। এমনকী বাবার থেকে মায়ের মর্যাদা তিনগুণ বেশি। মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত।
ইসলাম পিতা-মাতার ওপর সন্তান লালন-পালনের গুরুদায়িত্ব আরোপ করেছে। রাসূল (সা.) বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পুরুষ তার পরিবারের দায়িত্বশীল; স্ত্রী তার স্বামীর সংসারের দায়িত্বশীল; এদের প্রত্যেককে কেয়ামতের ময়দানে নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আরও পড়ুন:

ইসলাম পিতা-মাতাকে সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা-সম্মান করা, এহসান করা, তাদের সেবাযত্ন করা এবং মৃত্যু অবধি তাদের আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ বলেন: আর আপনার রব আদেশ দিয়েছেন তিনি ছাড়া অন্য কারো ইবাদত না করতে ও মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করতে। তারা একজন বা উভয়ই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে বিরক্ত হয়ে তাদেরকে ‘উহ’ পর্যন্ত বলো না, তাদেরকে ধমক দিও না। তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বল।

আরও পড়ুন:

ইসলাম পরিবারের ইজ্জত, সম্মান, পুতঃপবিত্রতা ও বংশধারা সুরক্ষিত করেছে। ইসলাম বিবাহের মাধ্যমে বৈধ সম্পর্কের তাগিদ দিয়েছে। ইসলামে বৈরাগ্যবাদ বা সন্ন্যাস-জীবন বৈধ নয়। পাশাপাশি নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, বিবাহ-বহির্ভূত সমস্ত রকম সম্পর্ক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইসলাম মোতাবেক, সমাজ গঠনের মৌলিক উপাদান হল পরিবার। পরিবার একটি জাতির মেরুদণ্ড। আগামীর আদর্শ মানুষ গড়ার পাঠশালা হল আদর্শ, সমুন্নত ও সুসংহত পরিবার। তাই পরিবার গঠনের প্রতি ইসলাম খুবই গুরুত্ব আরোপ করেছে। পরিবারের মাধ্যমে সমাজের প্রত্যেক সদস্যের মধ্যে তৈরি হয় ভালবাসা ও হৃদ্যতার সম্পর্ক বা বন্ধন।

আরও পড়ুন:

নিষ্কলুষ জীবনযাপন ও মানবিক চাহিদা পূরণের বৈধ পরিসর হল পরিবার। পরিবার এক অনন্য শিক্ষাকেন্দ্র, যা পিতা-মাতা ও সন্তানকে সুশিক্ষিত করে তোলে। ভবিষ্যতে সেই সন্তান সুনাগরিক হয়ে ওঠে। সন্তানদের দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞান দেওয়া আবশ্যক। তাদের আদব-কায়দা ও ইসলামী শিষ্টাচার, তাহজীব-তামদ্দুন, আখলাক গড়তে শিক্ষা দিতে হবে। বস্তুত ইসলামের সুমহান আদর্শ ও শিক্ষার মাধ্যমেই সবাই সুখে-শান্তিতে পরিবারের চৌহদ্দির মধ্যে বসবাস করতে পারবে।
মানব সমাজের ভিত্তি হল পরিবার, যা মূলত স্বামী-স্ত্রীকে আবর্তিত করেই শুরু হয়। পৃথিবীর প্রথম মানুষ ও প্রথম নবী হযরত আদম (আ.) এবং তার জীবনসঙ্গী হযরত হাওয়া (আঃ)-এর মাধ্যমে পৃথিবীতে সৃষ্টির ঊষালগ্নে প্রথম পরিবার গড়ে ওঠে। সৃষ্টির সূচনাকাল থেকে আজও এই পরিবার প্রথা চালু আছে। পরিবারে শান্তি-শৃংখলা থাকলে জীবন সুখময় হয়, অন্যথায় দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন:

এই পৃথিবী নামক গ্রহকে শিশুদের বাসযোগ্য করতে হলে সবার আগে দরকার আদর্শ পরিবার গঠন, যা হবে সুখ-শান্তির আকর ও আধার। আদর্শ পরিবার গড়ে উঠতে পারে একমাত্র ইসলামী নীতিমালা মেনেই। এর বাইরে গিয়ে অন্য কোনও সমাজ-সভ্যতা থেকে সংস্কৃতি আমদানি বা অনুসরণ-অনুকরণ, অনুশীলন ও অবলম্বন করলে, সেই পরিবার ক্যান্সারের মতো দূরারোগ্য ব্যাধির আকার নেবে, যার কোন প্রতিষেধক নেই।

আরও পড়ুন:

যে পরিবারে মেয়েদের পর্দা বা শালীন পোশাকের প্রচলন নেই, ছেলেরা বেহিসাবি ও বেপরোয়া জীবনযাপনে অভ্যস্ত, পরিবারে নামায-রোযার সিলসিলা নেই, কেউ হক কথা বলে না, হক পথে চলে না, কেউ কারো হক যথাযথ আদায় করে না, ইসলামের দিকনির্দেশনা মানে না – সেইসব পরিবার নরক গুলজার হতে বাধ্য।

আরও পড়ুন:

পক্ষান্তরে ইসলামের শাশ্বত বিধান ও নীতিমালা মেনে পরিবার গঠনে সচেষ্ট হলে সেই পরিবার নিঃসন্দেহে মরুদ্যান হয়ে উঠবে। পারিবারিক জীবন ব্যতিরেকে মানব-সভ্যতা কল্পনা করা যায় না। মানুষের অস্তিত্বের জন্য পারিবারিক জীবন অপরিহার্য। সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা, উন্নতি-অগ্রগতি ইত্যাদি সুষ্ঠু পারিবারিক ব্যবস্থার উপরে অনেকাংশে নির্ভরশীল। পারিবারিক কাঠামো বা বুনিয়াদ নড়বড়ে হলে, সেখানে ভাঙ্গন-বিপর্যয়-অবক্ষয় দেখা দিলে সমাজ জীবনে নানা অশান্তি, অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। তাই ইসলামী নীতিমালার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা পরিবারই হচ্ছে কল্যাণকর সমাজের ভিত্তি।

আরও পড়ুন:

শিশুরা আদর্শবান হয়ে গড়ে ওঠে পরিবারের শিক্ষা থেকে। এজন্য সন্তানকে আল্লাহ-ভীতি, পরকালীন জবাবদিহিতা, মানবিক দায়িত্ব-কর্তব্য, আল্লাহর হক-বান্দার হক, পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতার পাঠ শেখাতে হবে। তার আগে নিজেদেরকে এগুলো মেনে চলতে হবে। তবেই শিশুরা আমাদেরকে অনুসরণ, অনুকরণ করবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমানে চিরচেনা পরিবার প্রথা একরকম বিলুপ্তির পথে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একান্নবর্তী পরিবার উঠে গিয়ে এখন হয়েছে অণু-পরিবার, ফ্ল্যাট কালচার। তার থেকেও খারাপ আকার নিয়েছে লিভ টুগেদার, সিঙ্গেল মাদার ইত্যাদি অভিশপ্ত কনসেপ্ট। একে মানবিক ও সামাজিক বিপর্যয় বললে অত্যুক্তি হবে না। নৈতিক অবক্ষয় ও বিপর্যয় রোধে ইসলামের নিদান-বিধানের বিকল্প নেই। এ পথেই রয়েছে সুষ্ঠু সমাধান। তাই ইসলাম সর্বাগ্রে ব্যক্তির ইসলাহ বা সংশোধনে গুরুত্ব আরোপ করেছে।

আরও পড়ুন:

পরিবারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হল একটা শিশুকে সামাজিক করে গড়ে তোলা এবং ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুন, ঈমান, আমল, আখলাক শিক্ষা দেওয়া। পরিবারের ধারা ও রীতিনীতির উপর ভিত্তি করে শিশুর মনোজগত তৈরী হয় এবং পরিবারে তার দৃষ্টিভঙ্গি ও ইতিবাচক জীবনবোধ ও জীবনদর্শন গড়ে ওঠে। সুতরাং শিশুদের সুষম শিক্ষা দিতে পরিবার বিশেষ ভূমিকা রাখে। তাই
বাবা-মা তথা পরিবার হল পৃথিবীর পাঠশালা।

আরও পড়ুন:

পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও স্নেহ-মায়া-মমতার বন্ধনে আবদ্ধ একটি পরিবার বহু হৃদয়ের সমষ্টি, যেখানে আছে জীবনের প্রবাহ, আছে মায়া-মমতা, স্নেহ-ভালবাসা, মিলেমিশে থাকার বাসনা, নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং পরস্পরকে গ্রহণ করার মানসিকতা, উন্মুক্ত চেতনা। পরিবারের মূল চাবিকাঠি থাকে পিতা-মাতা বা অভিভাবকের হাতে। আর অধিকাংশ অভিভাবকই চান তাদের সন্তান ভালো মনের ও ভাল মানের মানুষ হোক। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে সত্যিকার মানুষ হোক। তাই সর্বাঙ্গ-সুন্দর একটি পরিবার গড়ে তুলতে পরিবারের ভূমিকা বা গুরুত্ব অপরিসীম।

আরও পড়ুন:

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, পরিবারের সদস্যরা যখন আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকবে, পরিবারে সবার মাঝে সুসম্পর্কের কারণে আল্লাহর রহমত, অনুগ্রহ-অনুকম্পা বর্ষিত হতে থাকবে। আর আল্লাহর রহমত, বরকত হলে সেই পরিবার হয়ে উঠবে যথার্থই আদর্শ। ইসলাম নির্দেশিত পারিবারিক জীবন হল আল্লাহ তাআলার বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহ। মানুষ আল্লাহ প্রদত্ত পারিবারিক জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হলে সমাজ থেকে যৌন হেনস্থা, শ্লীলতাহানি, পরকীয়া, লিভটুগেদার, মাদকাসক্তি, ইভটিজিং, ধর্ষণ-অপহরণ, সমকামিতা, অবাধ যৌনতা-সহ সকল প্রকার অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূল হবে। জীবনের পড়ন্ত বেলায় বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নিয়ে নীরবে অশ্রুপাতের মতো দুঃসহ বা অভিশপ্ত জীবনযন্ত্রণা থেকে রেহাই মিলবে। তাই একটি সুন্দর ও আদর্শ পরিবার গঠনের লক্ষ্যে ইসলামের নির্দেশাত্মক নীতিমালা মেনে চলা মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য।

আরও পড়ুন:

পরিবার হল আত্মিক সম্পর্কের আঁতুড়ঘর। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গড়ে ওঠে স্নেহ মমতা, ভালবাসা, সৌহার্দ এবং পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধন। অবশ্য সুপ্রাচীন কাল থেকে যে যৌথ পরিবারের অখণ্ড চিত্র আমাদের সামনে ছিল, এখন তা অনেকটাই ম্লান। শহরের মানচিত্র থেকে অনেক আগেই বিলীন হয়েছে যৌথ পরিবারের চলচিত্র। আগে গ্রামাঞ্চলে কিছু একান্নবর্তী পরিবার দেখা গেলেও এখন তা বিলুপ্ত প্রায়।

আরও পড়ুন:

পরিবার মানে দাদা-দাদী, আব্বা-মা, চাচা-চাচি, ভাই-বোন, সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলা। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, আমরা যেন এই চিরাচরিত ধারণা থেকে বেরিয়ে আসছি। যেন ক্রমেই স্বামী-স্ত্রী-সন্তান বা ‘হাম দো, হামারা এক’ এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ বা গণ্ডীবদ্ধ করে ফেলছি পরিবারকে। সেখানে মা-বাবা কিংবা দাদা-দাদীর ঠাঁই হচ্ছে না। জন্মদাতা মা-বাবাকে হয়ত নিঃসঙ্গ-অসহায় জীবন কাটাতে হচ্ছে গ্রামের বাড়ি কিংবা বৃদ্ধাশ্রমে।

আরও পড়ুন:

সবশেষে বলি, সুস্থ ও পুষ্ট সমাজের জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবারের বিকল্প নেই। গৃহ বা পরিবার থেকে মানুষ যে নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধ অর্জন করে, তা অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং একে পুরো জীবনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। আল্লাহ তাআলা সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তথা মানবজাতিকে সুন্দর, সুসংহত, সমুন্নত ও সুষম পরিবার গঠনের লক্ষ্যে সমাজের সর্বস্তরে কুরআন-হাদিসের সুমহান আদর্শকে বাস্তবায়িত করার তাওফিক দান করুন, আমিন।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder