BREAKING:
নববর্ষে আল মোস্তফা মিশনে ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও উৎকর্ষ বাংলা কর্মসূচি মুর্শিদাবাদের রানিনগর, ডোমকল, জলঙ্গি তিন আসনেই তৃণমূল হারবে: বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক দৈনিক ‘নতুন পয়গাম’ সংবাদপত্রের ঈদ সংখ্যা প্রকাশ শর্ত সাপেক্ষে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের অনুমতি এসআইআর: সবার ভোটাধিকার ফেরাতে লড়াই জোরালো হবে কালিয়াচকে ওয়াইসি, মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ সামসেরগঞ্জে জনজোয়ার, রাহুলের সভায় গর্জে উঠল কংগ্রেস বিজেপি-আরএসএস  দেশের সংবিধান ধ্বংস করতে ব্যস্ত: রাহুল গান্ধি গ্রাম থেকে শহর, পাড়ায় পাড়ায় লাল মিছিল রোডম্যাপ ঈদসংখ্যা প্রকাশ ও সেমিনার সম্পন্ন, সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন “আক্রান্ত সাধারণের শিক্ষা, এসো গড়ি প্রতিরোধ” শীর্ষক আলোচনা সভা  হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় ত্রিমুখী লড়াই, ইস্যুতে সেতু, পানীয় জল ও নদীভাঙন রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি পরিবার ব্যান্ডেলে অভিষেকের সভায় সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন চুঁচুড়ার দাপুটে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ গান্ধীজিকে কটূক্তির প্রতিবাদে ধূপগুড়িতে রাস্তা অবরোধ  এসআইআর বাতিলের দাবিকে জোরালো করতেই ১৪ তারিখ মহাসমাবেশ ঘোষণা  বিজেপির যোগ দান কর্মসূচি কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সাগরদিঘীতে তৃণমূল বনাম এসডিপিআই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১০০ বছরের অধিক সময় ধরে মাদুর তৈরি করে চলেছেন শিল্পীরা বসিরহাটের মহাকুমায় কংগ্রেসের শক্তি প্রদর্শন মনোনয়ন ঘিরে শক্তি প্রদর্শন নবীনচন্দ্র বাগের কান্দিতে শক্তি বাড়িয়ে প্রচারে ঝড় মিম পার্টির হুগলির বলাগড়ের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে সরকারের জনমুখী প্রকল্পের কথা প্রয়াত গনি খানের ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরী চার তারিখ যখন ভোট বাক্স খুলবে তখন পদ্মফুলের নেতারা চোখে সর্ষে ফুল দেখবে: অভিষেক সুতিতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়ে নির্বাচনী সভা, ইমানী বিশ্বাসের সমর্থনে জনসমাগম ইলামবাজার থানার পক্ষ থেকে জঙ্গলমহলে রুটমার্চ  প্রান্তিক কিন্নর সমাজের অবহেলিত জীবনের কথা, অন্তরালে’র প্রদর্শনীতে ভিড় উপচে পড়ল নন্দনে চুঁচুড়ায় বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই প্রার্থী বললেন ঘরের মাঠে লড়াই করবেন বিধানসভা নির্বাচনঃ হুগলি জেলা নির্বাচনী দপ্তরের উদ্যোগে সর্বদলীয় বৈঠক সম্পন্ন হল উন্নয়ন বনাম প্রতিশ্রুতি– উত্তরবঙ্গে অভিষেকের জনসভায় রাজনৈতিক বার্তা ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয় উদ্বোধন, তৃণমূলকে সমর্থনের বার্তা  নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি, বসিরহাটে দরবারে জিয়ারত ডঃ শহিদুল হকের ১ বুথে ৪২৭ ভোটারের নাম বাদ, ক্ষোভে মালদহ রাজ্য সড়ক অবরোধ  দুবরাজপুর বিধানসভাকে পাখির চোখ করে জনসভা মুখ্যমন্ত্রীর ভোট প্রচার ছেড়ে দ্রুত রক্তদানের ব্যবস্থা করলেন বড়জোড়ার সিপিআইএম প্রার্থী হুগলি জেলা নির্বাচন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ভোটার সচেতনতা র‍্যালি  আরো এক ধাপ এগিয়ে মধ্যমগ্রামের প্রতিবিম্ব ফাউন্ডেশন  ভোট প্রচারে পখন্না এলাকায়  তৃণমূল প্রার্থী  গৌতম মিশ্র  লরির ধাক্কায় স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু, উত্তেজনায় অবরুদ্ধ এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ ইসলামিক জ্ঞানের আন্তঃরাজ্য প্রতিযোগিতা: করনদীঘীর জামিয়া আল ফুরকানের উদ্যোগে হুগলি জেলার সবকটি বিধানসভা নির্বাচনে ঘরের জন্য ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরীক্ষা করা হল এল পি জি সংকটের মধ্যে সিলিন্ডার থেকে গ্যাসের বদলে জল বেরোনোর অভিযোগ, উত্তেজনা পোলবায় পথে পথে ভালোবাসা, সিউড়িতে অভিনব জনসংযোগে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সিউড়ি আদালতে হাজিরা দিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল  “গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব নয়” মোথাবাড়িতে বামদের কড়া বার্তা বাতাবারির চার্চে উষ্ণ অভ্যর্থনা, সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে জাঁকজমকপূর্ণ বাসন্তী পুজোর সূচনা ভাঙড়ে ভোটের আগে ‘বারুদ-ছায়া’ ইন্দাসে প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে প্রচারের ঝড় জামালপুরে পাথর প্রতিমায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় জনসমুদ্র এস ভি আই এস টি কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হলো আন্ত স্কুল স্পোর্টস টুর্নামেন্ট সুন্দরবনে তৈরি হলো ম্যানগ্রোভ রিসোর্স হাব আরণ্যক এস‌আইআর বিরোধী প্রতিবাদ সপ্তাহে ভগৎ সিং স্মরণ রাজ্যের বৃহত্তম ঈদের জামাত কালিয়াচকের সুজাপুর নয়মৌজা ঈদগাহে কুলতলিতে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ধাক্কা ১৫০০ কর্মী-সমার্থক তৃণমূলে যোগদান প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে হুগলি জেলায় সুষ্ঠুভাবে পালিত হল ঈদের নামাজ ‘তিনদিনের যোগী’ বলে সাংসদ রচনাকে কটাক্ষ অসিত মজুমদারের মালদহে আরও চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করলো আম জনতা উন্নয়ন পার্টি অকাল বৃষ্টিতে আলু চাষে বিপর্যয়, ক্ষতিপূরণের দাবিতে কৃষকদের আর্তি গ্রেফতার তৃণমূল ছাত্রনেতা: মেলায় জুয়া খেলার অভিযোগে চাঞ্চল্য থেমে নেই মানবিকতার লড়াই – বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনে আলো জ্বালাচ্ছেন রামপুরহাটের শিক্ষিকা বর্ণালী রুজ উদ্যোক্তা সুব্রত মিদ্যার গ্রাম থেকে গ্লোবাল হওয়ার গল্প বৈষ্ণবনগরে কংগ্রেসের প্রার্থীর দৌড়ে এগিয়ে অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শঙ্কর ঘোষ  আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল বসিরহাটের কন্যা, আরাধ্যা কুণ্ডুর সাফল্যে গর্বিত ক্রীড়ামহল বহরমপুরে লাল কেল্লার থিমে জমজমাট ঈদ উদযাপন রাজ্যে অলিখিত রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে বলে অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমোর  নিম্নমানের রাস্তার কাজের অভিযোগে বিক্ষোভ, কাজ বন্ধ করলেন গ্রামবাসীরা ! আস সুফ্ফাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণে মানবিক দৃষ্টান্ত নির্বাচন ঘোষণা হতেই তৎপর প্রশাসন, ব্যান্ডেল জংশন স্টেশনে জোর তল্লাশি খাটিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে অভিনব প্রতিবাদ মিছিল হয়ে গেল জয়নগরে তৃনমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রার্থী ঘোষণা হতেই প্রচারে সিপিআইএম প্রার্থী নিরঞ্জন রায় চা বাগানে ফের খাঁচাবন্দি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ, এলাকায় চাঞ্চল্য  সমবায় সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চাকুলিয়ায় নজিরবিহীন ইফতার মাহফিল ভিক্টরের, ২০ হাজার মানুষের ঢলে রেকর্ড ভাঙল সমাগম ভোট ঘোষণা হতেই তৃণমূল ত্যাগ সাসপেন্ডেড নেতা আরাবুল ইসলাম মালদহে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলন বিভিন্ন গণসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে মালদহে মানবতার ছোঁয়া, দুস্থদের পাশে বিদেশের মসজিদ মুর্শিদাবাদে প্রায় ১১ লক্ষ মানুষ ‘বিচারাধীন’, স্মারকলিপি সদভাবনা মঞ্চের জাহাজের ধাক্কায় সুমুদ্রে ট্রলার ডুবিতে গুরুতর জখম ৯ নিখোঁজ ২  আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিচারাধীন বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় রাখার দাবিতে ডেপুটেশন মহেশতলায় নির্যাতিতার পাশে মানবাধিকার প্রতিনিধি দল হুগলির পোলবায় অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ১০৭টি অসহায় পরিবারের পাশে আলোর মানবিক সংস্থা মোথাবাড়ির ভূমিপুত্র নজরুল ইসলামের উদ্যোগে হাজারো দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ উত্তরপাড়া এখন চোরেদের আঁতুরঘর, রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকাবাসী  মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, গ্যাস আতঙ্কে ইনডাকশন ওভেন কেনার ধুম চুলাই মদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান, নষ্ট করা হলো সরঞ্জাম সরকারি উদ্যোগে আলু সংরক্ষণ শুরু, ন্যায্যমূল্যের আশায় খুশি কৃষকরা মালদহে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে উঠেছে ‘স্বাধীনোত্তর ভারতে নারীর অধিকার ও মর্যাদা’ শীর্ষক সেমিনার কলকাতায় ডিজিটাল আসক্তি বনাম বইমুখী সংস্কৃতি: লাইব্রেরি কি হারিয়ে যাচ্ছে? ভোটাধিকার রক্ষায় জেলা শাসকের দপ্তরে হাজারো মানুষের জমায়েত ও ডেপুটেশন হুমায়ুনের হেতমপুরে তৃণমূলের কোর কমিটি ঘিরে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, পদত্যাগের হুঁশিয়ারি একাংশ নেতার সিউড়ির হাটজনবাজারে রেল লেভেল ক্রসিং বন্ধ ঘিরে বিক্ষোভ, মানুষের চাপে সিদ্ধান্ত বদল রেলের ভোটার তালিকা নিয়ে মুর্শিদাবাদে ক্ষোভ, জেলাশাসককে স্মারকলিপি মিল্লি ঐক্য মঞ্চের মরণোত্তর চক্ষু ও দেহদান সংগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন হাওড়ার আমতায় জলকষ্টের অবসান, মাজুরিয়া আদিবাসী পাড়ায় নতুন পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন ভাবতা আজিজিয়া হাই মাদ্রাসার ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ

বিজেপিকে ঠেকাতে নয়, স্বতন্ত্রতা রক্ষার্থে মুসলিমরা রাজনীতিতে আসুন

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪

ডা. সেখ বাসীর আলী

আরও পড়ুন:

পাঠকের পয়গাম:
স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বিজেপিকে রুখতে অবিজেপি দলগুলোর ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়ে যাওয়া। ইতিপূর্বে কংগ্রেসের শাসনকাল মুসলমানদের কাছে সুখকর ছিল না। কাশ্মীর থেকে কোয়েম্বাটুর অসংখ্য দাঙ্গার স্মৃতি দগদগে। কেন্দ্রে কংগ্রেসী সরকারের দ্বারা বাবরি মসজিদের তালা খুলে ভেতরে রামের মূর্তি রাখা এবং ১৯৯২ সালে পিভি নরসিংহ রাও-এর কংগ্রেস সরকারের আমলেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়। এরপর আশির দশকে বিজেপি সরাসরি মুসলিম বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে আবির্ভূত হয়। বিজেপি-র স্লোগান ছিল ‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’, তাই ভারতকে হিন্দু-রাষ্ট্র বানাতে হবে।

আরও পড়ুন:

এদিকে নেতৃত্বহীন ও ফিরকাপরস্ত মুসলিমরা এমনিতেই দিশেহারা। তারা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে একচেটিয়া ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়। এই সুযোগে আরএসএস-ও কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের জন্ম দিতে থাকে। কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা ৩০-এ নেমে যায়। কংগ্রেসের হাঁড়ির হাল দেখে অত্যুৎসাহী বিজেপি আবার কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেয়। এতে কংগ্রেসের আঁতে ঘা লাগে‌। কংগ্রেস নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। বেগতিক দেখে অহং ভুলে কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলির সাথে জোট বাঁধতে শুরু করে। এদিকে, মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েই আছে।

আরও পড়ুন:

বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এই মুসলিম ভোট ব্যাংকের উপর একক আধিপত্য কায়েম রাখতে চায়। তারা চায় বিহারের প্রায় ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটার তাদের নিঃশর্ত ভোট দিক। না হলে বিজেপি চলে আসবে। আরজেডি-র রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা স্পষ্টভাবেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই একচ্ছত্র ইজারাদারীর পথে বাধ সেধেছেন মিম পার্টির আখতারুল ইমাম। শুধু বিহার নয়, বাংলা, আসাম, ইউপি, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক-সহ সর্বত্র সমীকরণ একই। বাংলার ৩০ শতাংশ, আসামের ৩৮ শতাংশ, ইউপি-র ২২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রের ১২ শতাংশ, কর্ণাটকের ১২ শতাংশ মুসলিমের কাছে একই দাবি অ-বিজেপি দলগুলোর। বাকি রাজ্যগুলোতেও কমবেশি চিত্র একই।

আরও পড়ুন:

এখন প্রশ্ন হল, মুসলমানদেরই বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিতে হবে কেন? বিজেপি মুসলিম বিদ্বেষী দল বলে? তাহলে বিজেপি কাদের হিতৈষী বা কাদের বন্ধু? বিজেপি কি দলিতদের বন্ধু?
আদিবাসীদের বন্ধু? ওবিসিদের বন্ধু? বিজেপি কি আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড-সহ দেশের বিভিন্ন উপজাতি ও জনজাতির বন্ধু? বিজেপি কি শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈনদের বন্ধু? বিজেপি কি কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী, আরজেডি, বহুজন সমাজ পার্টি, আকালি দল, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস, মিম‌, শিবসেনা, আম আদমি পার্টি ইত্যাদি দলের বন্ধু?

আরও পড়ুন:

না! তেমনটা কিন্তু নয়। মুসলিমরা সংখ্যালঘু। মুসলিমরা কি জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীষ্টান, আদিবাসী ও জনজাতিদের থেকেও সংখ্যালঘু? তাহলে বাকি সংখ্যালঘু, জনজাতিরা কি বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিয়ে রেখেছে? উত্তর, না। তাহলে একমাত্র মুসলমানদেরকেই এই ঠিকা নিতে হচ্ছে কেন? এই ‘কেন’ আবিষ্কার করতে পারলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। আর এই উত্তর বের করতে শেষমেষ আমাকেও শুনতে হবে বিজেপির দালাল।

আরও পড়ুন:

সেক্যুলার দলগুলোর পিছে তো দেখো: বিহারে আখতারুল ইমামের নেতৃত্বে মিম-এর উত্থানকে সেক্যুলার দলগুলো মেনে নিতে পারছে না। পারছে না লেফাফা হুজুর ও জো হুকুম পাপেটরা।
একটু পিছে দেখা যাক। লালু প্রসাদ যাদব ১৯৯০ সালে বিজেপির সমর্থনে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০০৫ সালে বিহারে কোন দলই গরিষ্ঠতা পায়নি। এলজেপি নেতা রামবিলাস পাসোয়ান মুসলিম মুখ্যমন্ত্রীর শর্তে লালুকে সমর্থনের প্রস্তাব দিলে লালুর MY Theory- র মুখোশ খুলে যায়। লালু পত্রপাঠ সে প্রস্তাব নাকচ করেন। লালু দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে যান, বিজেপি-নীতীশ জোট ক্ষমতায় আসে। পরে রামবিলাস নিজেই বিজেপি জোটে শরিক হন।

আরও পড়ুন:

ইউপি-র ‘চাচা’ নামে খ্যাত মুলায়ম সিং যাদব ১৯৮৯ সালে বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন। মায়াবতীও ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০২ তিন দফায় বিজেপির সমর্থনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৯-২০০১ সালে কেন্দ্রে বাজপেয়ী সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-র লোকসভা ভোটে বিজেপির সাথে জোট করে লড়ে তৃণমূল। ২০১১-য় বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সাথে জোট করে প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন মমতা। পরে জোট সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যায় কংগ্রেস, এখন বিধানসভায় কংগ্রেস শূন্য।

আরও পড়ুন:

১৯৮৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অটল বিহারী বাজপেয়ী জুটি ব্রিগেডে কংগ্রেস বিরোধী মহাসমাবেশ করেন। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ১৯৯৫ সালে বিজেপির সাথে জোট সরকার গঠন করে। কংগ্রেসের কত এমপি, এমএলএ যে বিজেপিতে গেছে, তার হিসেব নেই। এমনকি কংগ্রেসের জেতা রাজ্য বিজেপি উপহার পেয়েছে কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে বা কংগ্রেসী এমএলএ-রা বিজেপিতে চলে যাওয়ায়। তাছাড়া অন্যান্য সেক্যুলার আঞ্চলিক দলগুলো থেকে কত এমপি, এমএলএ বিজেপিতে গেছেন, সেই তালিকাও বেশ লম্বা।

আরও পড়ুন:

এখনও তথাকথিত বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা নিজেদেরকে সেকুলারিজমের দেবতা মনে করেন। আর এসব দেবতাদের ঘাড়ে করে বয়ে বেড়ানোর নৈতিক দায়িত্ব পড়েছে মুসলমানদের। শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, আদিবাসী, জনজাতি, ওবিসি কেউই সেকুলারিজমের গডফাদারদের ঘাড়ে তুলতে রাজি নন। যেখানে অবিজেপি সেক্যুলার দলগুলোর যৌথ ভোট শতাংশ বিজেপির দ্বিগুণ, তবুও তারা বিজেপিকে রুখতে বারবার ব্যর্থ। কেন? এর একটা উদাহরণ হল, আম আদমি পার্টি পাঞ্জাব ও দিল্লিতে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের সাথে জোট করেনি। এখন কেজরিওয়াল বিহারে এসেছেন ইন্ডিয়া জোটের অংশ হয়ে ভোটে লড়তে। বাংলায় তো গত লোকসভায় একই চিত্র ছিল। ইন্ডিয়া জোটের আসন সমঝোতাই হয়নি। তাহলে জোট কার্যকর হয় কীভাবে? তাই কোনটা জোট, আর কোনটা সেটিং, তা কোটি টাকার প্রশ্ন।

আরও পড়ুন:

নেতৃত্বের গুরুত্ব:

আরও পড়ুন:

বিহারে মাত্র ৩ শতাংশ ‘নিশাদ’ জনগোষ্ঠীর নেতা মুকেশ সাঁহনি উপমুখ্যমন্ত্রী পদ ও ৬০টি বিধানসভা আসনে লড়ার দাবি নিয়ে এন্ডিয়া জোটে ঢুকে গেলেন। মাত্র ক’দিন আগেই তিনি ছিলেন বিজেপি জোটে। অথচ ২০ শতাংশ মুসলিমদের নেতা আখতারুল ইমাম মাত্র ৭টা আসনে লড়াইয়ের প্রস্তাব দিয়ে জোটের অংশ হতে চাইলেও তার জায়গা হল না। এবার সেক্যুলারিজমের রক্ষকরাই বলবেন, আখতারুল ইমাম কি মুসলমানদের নেতা? নাকি বিজেপির দালাল? তাহলে মুসলমানদের নেতা কে? আখতারুল ইমাম দলিত, অচ্ছুৎ ও মুসলমানদের অধিকারের কথা বলেন। তাই কি তিনি বিজেপির দালাল? তিনি স্বাধীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা দেবতাদের একেবারেই না-পসন্দ।

আরও পড়ুন:

মুসলমানদের বিজেপি-ভীতি:

আরও পড়ুন:

আসলে কী কারণে মুসলমানরা বিজেপিকে এত ভয় পায়, বোঝা দুষ্কর। মুসলিমদের বিজেপি ভীতির কারণ রাজনৈতিক অজ্ঞতা ও নেতৃত্বের অভাব। এর মূল কারণ ধর্মীয় Sect বা ফিরকাবাজী। ফলে জাতিগতভাবে মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। এমন সুযোগ সেকুলারিজমের দেবতাদের কাছে কুড়িয়ে পাওয়া ষোল আনা সুযোগ। আর বিজেপির কাছে তো রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক। বাস্তবে মুসলিমরা যত বিজেপির বিরোধিতা করেছে, বিজেপি তত শক্তিশালী হয়েছে। কারণ, বিজেপি একথা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, তারা হিন্দুদের স্বার্থে কথা বলে। তাই মুসলিমরা বিজেপির বিরোধিতা করছে। আর তথাকথিত সেক্যুলার দলগুলো মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে ন্যূনতম দায়বদ্ধতা না দেখিয়ে, শুধু বিজেপি-জুজু দেখিয়েই মুসলিমদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এতে বিজেপি ও আঞ্চলিক দলগুলি উভয়েই লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি তৈরি করেছে কিছু হাত তোলা জো হুজুর মার্কা নেতা ও লেফাফা হযরত। প্রকৃত কোন মুসলিম নেতা মুসলমানদের হকের আওয়াজ তুললেই এই হুজুরদের কাজ হল, প্রথমে তাকে বিজেপির দালাল বলে দাগিয়ে দেওয়া। আর দেবতারা লেলিয়ে দিচ্ছে তাদের তৈরি জো হুকুম পাপেটদের।

আরও পড়ুন:

হিন্দু খাতরে মে হ্যায়:

আরও পড়ুন:

‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’ — বিজেপির এই দাবি প্রথমদিকে হিন্দুরা বেশ গিলেছিল। সময় সব কিছু স্পষ্ট করে দিচ্ছে। হিন্দুদের জন্য কাতরা কী কী ও কারা কারা, তা পরিষ্কার না হলেও বিজেপি আমলে দেশের জনগণ যে খাতরে মে হ্যায়, তা সবার কাছে স্পষ্ট। বিজেপি দেশে মুসলিম বিদ্বেষকে পুঁজি করে রাজনীতির ময়দান গরম করলেও দেশের বাইরে তাদের মুখোশ কিন্তু আলাদা। বিজেপি নেতারাই তো আরব দেশগুলোর মুসলমানদের সঙ্গে গলাগলি করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিরিয়ানি ভোজ সারেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেললে অসুবিধা নেই। বিজেপি নেতা-মন্ত্রী ও তাদের পুত্ররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে একসাথে বসে খেলা দেখলে, হাসি মজাক করলে অসুবিধা নেই। অথচ এই বিজেপি নেতারাই কথায় কথায় পাকিস্তানের মুণ্ডুপাত করেন।

আরও পড়ুন:

দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোট। তাও আজ সুরক্ষিত নয়। কিন্তু বিষয় হল মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো-সহ সব মুসলিম দেশেই অসংখ্য হিন্দু রয়েছেন, যদিও তারা সংখ্যালঘু, তারা যখন ‘খাতরে মে’ নয়। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দেশে হিন্দু বিচার ধারার দল বিজেপির শাসনামলে হিন্দু খাতরে মে কিঁউ? বিজেপি আসার আগে কেউ তো শোনেনি ‘হিন্দু খাতরে মে’।

আরও পড়ুন:

জনাদেশ ও হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

যেহেতু ভারত গণতান্ত্রিক দেশ, তাই এ দেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ যদি চান হিন্দু-রাষ্ট্র হোক, তাহলে আপত্তি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? তাছাড়া পৃথিবীতে একটা মডেল হিন্দু রাষ্ট্র থাকলে ভাল। বিশ্ববাসী দেখতে পাবেন হিন্দুত্বের বাস্তব রূপ। ইতিপূর্বে নেপাল হিন্দু রাষ্ট্র ছিল। মুসলমানরাও পারেন মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাতে। তাদের হাতে ৫৬ টা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ রয়েছে। তারা মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাননি কেন, সেটাও পর্যালোচনার বিষয়।

আরও পড়ুন:

সৌদি, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, আমিরাত, কুয়েত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কোথাও তারা একাজ করেননি। আসলেই হিন্দু রাষ্ট্রের রূপরেখা যেমন হিন্দুরা আজও রচনা করতে পারেননি, তেমনি ইসলামী রাষ্ট্রের রূপরেখাও মুসলমানরা দেখাতে পারেননি। পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই কূটনৈতিক জ্ঞান থাকা জরুরী। বিজেপিকে ঠেকাতে নয়; বরং নিজেদের পুনর্গঠন করতেই মুসলমানদের রাজনীতির ময়দানে আসতে হবে।

আরও পড়ুন:

মডেল হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

বিজেপি যদি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ — এই বৈদিক নীতিতে হিন্দু-রাষ্ট্র গঠন করে, তাহলে তো অচ্ছুৎ, দলিত, আদিবাসী, জনজাতি-সহ সবারই কল্যাণ বা ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ হতে বাধ্য। পাশাপাশি বিজেপি যদি সকল হিন্দুদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পানীয় জল, বিদ্যুৎ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু ফ্রি করে দেয়, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে একজন করে চাকরি দেয়, তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। এটা বিশ্বের কাছে একটি মডেল হবে। সারা পৃথিবীতে হিন্দুত্ববাদীদের ডঙ্কা বাজবে।

আরও পড়ুন:

সাংবিধানিক গণতন্ত্রে দ্বিচারিতা কেন:

আরও পড়ুন:

ভারত একটা গণতান্ত্রিক দেশ। সাম্য হল আইনের মূল কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। এখানে প্রতি পদে পদে মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আস্থার ভিত্তিতে সুপ্রিম রায়ে বাবরি মসজিদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অসংখ্য মুসলিম যুবক বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানছে। ওয়াকফ সম্পত্তি বে-দখল হয়েই যাচ্ছে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় সম্পত্তির উপর বুলডোজার চলছে। বৃদ্ধ মুসলিমের দাড়ি ধরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো থেকে মহিলাদের হিজাব ধরে টানাটানি। এ প্রসঙ্গে সেক্যুলার দলগুলো নীরব কেন? মুসলমানদের লড়াই যখন নিজেদেরই লড়তে হবে, তাহলে করণীয় কী? শুধু ভোট ব্যাংক হয়েই থাকবেন, নাকি নেতৃত্ব কায়েম করবেন? ভাবুন। ভাবা প্র্যাকটিশ করুন।

আরও পড়ুন:

ইডেন সিটি, বজবজ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder