BREAKING:
খারেজী মাদ্রাসার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বারুইপুরের সূর্যপুরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ মিছিল জয়নগরে জন্ম শতবর্ষের আলোয় মহানায়ক উত্তমকুমার  সৃজন সাথী শিল্পী চর্চা কেন্দ্রের চিকিৎসক দিবস ও উত্তমকুমার স্মৃতি সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকজয়ী অ্যাথলিট তাহুরা খাতুনকে মানবতা-র সংবর্ধনা নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও পলাশির বিপর্যয় (৩ জুলাই শাহাদত বার্ষিকী) জঙ্গিপুর সাহিত্য উৎসবে ‘সুভদ্রা দেবী স্মৃতি পুরস্কার’ পেল বিস্ময়-বালক আনান বিশ্বাস অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিবেশ-বান্ধব, রয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগও     নোনা জলের প্রতিকূলতা জয় করে বিশ্বমানের শিক্ষার আঙিনায় সাগরদ্বীপ   বাগুইআটি কৃষ্টি সংসদের মাসিক সাহিত্য সভায় প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রমেণ আচার্যের প্রয়াণ দিবস স্মরণ বানারহাটে ১২৫ দিনের কাজের সূচনা করলেন বিধায়ক পুনা ভেংরা গয়েরকাটা বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ..! বজ্রাঘাতে হাতির মৃত্যুর আশঙ্কা, চাঞ্চল্য নাগরাকাটার ম্যাচপাড়ায় নোনাই নদীর অস্থায়ী ডাইভার্সন সেতুতে ভাঙন, দুর্ভোগ নেশামুক্ত ভারত মিশনের আওতায় বানারহাটে পুলিশের সচেতনতা র‍্যালি অতিভারী বৃষ্টির আগে ডাইনা নদীতে ড্রেজিং শুরু উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় লাল সতর্কতা, নদী সংলগ্ন এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার ২১ দফা দাবিতে ধূপগুড়ি এসডিও অফিসে ডেপুটেশন যুব কংগ্রেসের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন ধূপগুড়ি, বাড়িতে জল শঙ্খমালার উদ্যোগে সোনামুখিতে ‘সুরের রবি – দ্রোহের নজরুল’ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ধুলিয়ানে অনুষ্ঠিত হল মুর্শিদাবাদ জেলা কবিতা কার্নিভাল, আয়োজনে ‘কবিতা কার্নিভাল’ ও ‘স্বপ্নের ভেলা’ সাহিত্য পত্রিকা বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট-এর সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ নিজে মাটি কেটে ১০০ দিনের কাজের সূচনা করলেন রক্তদানের মধ্যদিয়ে বিজয় উৎসব পালন করলো বিজেপি ধূপগুড়ি মহকুমা ডেকোরেশন লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্টের সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা সুরাবর্দী এভিনিউ-এর নাম পরিবর্তনের পিছনে ভাবনা সীমান্তের ঊর্ধ্বে মানব-মর্যাদা: জাতীয়তাবাদ ও বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনে কোন দল সবথেকে বেশি লাভবান হতে পারে? ডিজিটাল অবসেশন, পর্নোগ্রাফি ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কলকাতায় এসআইও-র গোলটেবিল বৈঠক আবাস যোজনার টাকা ও কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, উত্তেজনা কুলতলিতে থাইকা খ্যস্তা গেনু: মৃত্যু, স্মৃতি ও সময়ের গল্প সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে পটাশপুরে “বাঙালির মাংস-ভাত উৎসব” রাজনীতির অঙ্গনে ‘ডিম থেরাপি’; গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যই শেষ কথা? জহর সরকার, নজরুল ইসলাম, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়রা বার্নি স্যান্ডার্স হওয়ার চেষ্টা করতে পারতেন প্রসঙ্গ: বাংলা ভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ দিবস কুলতলিতে বোমাবাজির ঘটনায় আটক ২ ২০২৫ সালের সাইন্যাপস্ পত্রিকা সম্মাননা পেলেন কবি বোধিসত্ত্ব মুখোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে নজির বানারহাট থানার পুলিশের সরকারি উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা জয়নগরে মারামারির ঘটনায় জয়নগরে গ্রেফতার এক যুবক ফুটপাত ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে কড়া পদক্ষেপ আলিপুরদুয়ারে নকল মদের কারখানায় পুলিশের হানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি জাতীয় কংগ্রেসে ফিরতে চান… ইসলাম ও শিশু-শ্রম: এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বাঙালি পরিচয়ের ইতিহাস: ভাষা, ধর্ম ও জাতিসত্তার সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বৈচিত্র্য ভারতের শক্তি হতে পারে, যদি সহাবস্থান বজায় রাখতে পারে শ্রমিক কর্মচারীর বেতন: ইসলামের দৃষ্টিতে এক অবিচ্ছেদ্য হক বিশ্ব সাইকেল দিবস পালনে স্কুল পড়ুয়ারা নানাই নদীর সেতু ভেঙে পড়াই জঙ্গল পথেই যাতায়াত বন্দীদশা কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গেল ৯১ জন মৎস্যজীবি তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কৃষি সরঞ্জাম উদ্ধার এবার থেকে সরাসরি রেলপথে গঙ্গাসাগর? অবশেষে দিল্লির জন্তর মন্তর এ ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে উচ্ছেদ বই-ভব পাবলিশার্সের আয়োজনে বহু গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জয়নগর থেকে সুন্দরবন, বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতায় ব্যাপক উদ্যোগ ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলার মাস্টারমাইন্ড শওকত মোল্লার খোঁজে এনআইএ গধেয়ারকুঠি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভূতের আতঙ্কে চাঞ্চল্য! বিশ্ব পরিবেশ দিবসের রাতেই, গয়েরকাটায় রাতারাতি উধাও সেগুন গাছ ডোমকলে তৃণমূল নেতা বাসীর মোল্লা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন মাল ব্লক, ভোগান্তিতে রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের বাসিন্দারা কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ইউনিটের উদ্বোধন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানার বহরমপুরে আরএসপির মিছিল ও বিক্ষোভ বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির অনাস্থা আনলো জাতীয় কংগ্রেস ঘাস কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের হামলায় জখম অন্নপূর্ণা যোজনার প্রায় ২৮ লক্ষ উপভোক্তার হাতে সার্টিফিকেট প্রদান কুলতলিতে পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ত্রাণ ও অস্ত্র উদ্ধার নরেন্দ্রপুরের গড়িয়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ২ কুলতলিতে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য সুন্দরবনে তিন দিনে তিন জন বাঘে আক্রান্ত, দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবি এপিডিআরের বারুইপুর পৌরসভার সামনে জলকষ্ট ও নিকাশি সমস্যা নিয়ে বিজেপির বিক্ষোভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা

বিজেপিকে ঠেকাতে নয়, স্বতন্ত্রতা রক্ষার্থে মুসলিমরা রাজনীতিতে আসুন

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪

ডা. সেখ বাসীর আলী

আরও পড়ুন:

পাঠকের পয়গাম:
স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বিজেপিকে রুখতে অবিজেপি দলগুলোর ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়ে যাওয়া। ইতিপূর্বে কংগ্রেসের শাসনকাল মুসলমানদের কাছে সুখকর ছিল না। কাশ্মীর থেকে কোয়েম্বাটুর অসংখ্য দাঙ্গার স্মৃতি দগদগে। কেন্দ্রে কংগ্রেসী সরকারের দ্বারা বাবরি মসজিদের তালা খুলে ভেতরে রামের মূর্তি রাখা এবং ১৯৯২ সালে পিভি নরসিংহ রাও-এর কংগ্রেস সরকারের আমলেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়। এরপর আশির দশকে বিজেপি সরাসরি মুসলিম বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে আবির্ভূত হয়। বিজেপি-র স্লোগান ছিল ‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’, তাই ভারতকে হিন্দু-রাষ্ট্র বানাতে হবে।

আরও পড়ুন:

এদিকে নেতৃত্বহীন ও ফিরকাপরস্ত মুসলিমরা এমনিতেই দিশেহারা। তারা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে একচেটিয়া ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়। এই সুযোগে আরএসএস-ও কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের জন্ম দিতে থাকে। কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা ৩০-এ নেমে যায়। কংগ্রেসের হাঁড়ির হাল দেখে অত্যুৎসাহী বিজেপি আবার কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেয়। এতে কংগ্রেসের আঁতে ঘা লাগে‌। কংগ্রেস নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। বেগতিক দেখে অহং ভুলে কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলির সাথে জোট বাঁধতে শুরু করে। এদিকে, মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েই আছে।

আরও পড়ুন:

বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এই মুসলিম ভোট ব্যাংকের উপর একক আধিপত্য কায়েম রাখতে চায়। তারা চায় বিহারের প্রায় ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটার তাদের নিঃশর্ত ভোট দিক। না হলে বিজেপি চলে আসবে। আরজেডি-র রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা স্পষ্টভাবেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই একচ্ছত্র ইজারাদারীর পথে বাধ সেধেছেন মিম পার্টির আখতারুল ইমাম। শুধু বিহার নয়, বাংলা, আসাম, ইউপি, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক-সহ সর্বত্র সমীকরণ একই। বাংলার ৩০ শতাংশ, আসামের ৩৮ শতাংশ, ইউপি-র ২২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রের ১২ শতাংশ, কর্ণাটকের ১২ শতাংশ মুসলিমের কাছে একই দাবি অ-বিজেপি দলগুলোর। বাকি রাজ্যগুলোতেও কমবেশি চিত্র একই।

আরও পড়ুন:

এখন প্রশ্ন হল, মুসলমানদেরই বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিতে হবে কেন? বিজেপি মুসলিম বিদ্বেষী দল বলে? তাহলে বিজেপি কাদের হিতৈষী বা কাদের বন্ধু? বিজেপি কি দলিতদের বন্ধু?
আদিবাসীদের বন্ধু? ওবিসিদের বন্ধু? বিজেপি কি আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড-সহ দেশের বিভিন্ন উপজাতি ও জনজাতির বন্ধু? বিজেপি কি শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈনদের বন্ধু? বিজেপি কি কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী, আরজেডি, বহুজন সমাজ পার্টি, আকালি দল, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস, মিম‌, শিবসেনা, আম আদমি পার্টি ইত্যাদি দলের বন্ধু?

আরও পড়ুন:

না! তেমনটা কিন্তু নয়। মুসলিমরা সংখ্যালঘু। মুসলিমরা কি জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীষ্টান, আদিবাসী ও জনজাতিদের থেকেও সংখ্যালঘু? তাহলে বাকি সংখ্যালঘু, জনজাতিরা কি বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিয়ে রেখেছে? উত্তর, না। তাহলে একমাত্র মুসলমানদেরকেই এই ঠিকা নিতে হচ্ছে কেন? এই ‘কেন’ আবিষ্কার করতে পারলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। আর এই উত্তর বের করতে শেষমেষ আমাকেও শুনতে হবে বিজেপির দালাল।

আরও পড়ুন:

সেক্যুলার দলগুলোর পিছে তো দেখো: বিহারে আখতারুল ইমামের নেতৃত্বে মিম-এর উত্থানকে সেক্যুলার দলগুলো মেনে নিতে পারছে না। পারছে না লেফাফা হুজুর ও জো হুকুম পাপেটরা।
একটু পিছে দেখা যাক। লালু প্রসাদ যাদব ১৯৯০ সালে বিজেপির সমর্থনে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০০৫ সালে বিহারে কোন দলই গরিষ্ঠতা পায়নি। এলজেপি নেতা রামবিলাস পাসোয়ান মুসলিম মুখ্যমন্ত্রীর শর্তে লালুকে সমর্থনের প্রস্তাব দিলে লালুর MY Theory- র মুখোশ খুলে যায়। লালু পত্রপাঠ সে প্রস্তাব নাকচ করেন। লালু দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে যান, বিজেপি-নীতীশ জোট ক্ষমতায় আসে। পরে রামবিলাস নিজেই বিজেপি জোটে শরিক হন।

আরও পড়ুন:

ইউপি-র ‘চাচা’ নামে খ্যাত মুলায়ম সিং যাদব ১৯৮৯ সালে বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন। মায়াবতীও ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০২ তিন দফায় বিজেপির সমর্থনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৯-২০০১ সালে কেন্দ্রে বাজপেয়ী সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-র লোকসভা ভোটে বিজেপির সাথে জোট করে লড়ে তৃণমূল। ২০১১-য় বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সাথে জোট করে প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন মমতা। পরে জোট সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যায় কংগ্রেস, এখন বিধানসভায় কংগ্রেস শূন্য।

আরও পড়ুন:

১৯৮৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অটল বিহারী বাজপেয়ী জুটি ব্রিগেডে কংগ্রেস বিরোধী মহাসমাবেশ করেন। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ১৯৯৫ সালে বিজেপির সাথে জোট সরকার গঠন করে। কংগ্রেসের কত এমপি, এমএলএ যে বিজেপিতে গেছে, তার হিসেব নেই। এমনকি কংগ্রেসের জেতা রাজ্য বিজেপি উপহার পেয়েছে কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে বা কংগ্রেসী এমএলএ-রা বিজেপিতে চলে যাওয়ায়। তাছাড়া অন্যান্য সেক্যুলার আঞ্চলিক দলগুলো থেকে কত এমপি, এমএলএ বিজেপিতে গেছেন, সেই তালিকাও বেশ লম্বা।

আরও পড়ুন:

এখনও তথাকথিত বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা নিজেদেরকে সেকুলারিজমের দেবতা মনে করেন। আর এসব দেবতাদের ঘাড়ে করে বয়ে বেড়ানোর নৈতিক দায়িত্ব পড়েছে মুসলমানদের। শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, আদিবাসী, জনজাতি, ওবিসি কেউই সেকুলারিজমের গডফাদারদের ঘাড়ে তুলতে রাজি নন। যেখানে অবিজেপি সেক্যুলার দলগুলোর যৌথ ভোট শতাংশ বিজেপির দ্বিগুণ, তবুও তারা বিজেপিকে রুখতে বারবার ব্যর্থ। কেন? এর একটা উদাহরণ হল, আম আদমি পার্টি পাঞ্জাব ও দিল্লিতে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের সাথে জোট করেনি। এখন কেজরিওয়াল বিহারে এসেছেন ইন্ডিয়া জোটের অংশ হয়ে ভোটে লড়তে। বাংলায় তো গত লোকসভায় একই চিত্র ছিল। ইন্ডিয়া জোটের আসন সমঝোতাই হয়নি। তাহলে জোট কার্যকর হয় কীভাবে? তাই কোনটা জোট, আর কোনটা সেটিং, তা কোটি টাকার প্রশ্ন।

আরও পড়ুন:

নেতৃত্বের গুরুত্ব:

আরও পড়ুন:

বিহারে মাত্র ৩ শতাংশ ‘নিশাদ’ জনগোষ্ঠীর নেতা মুকেশ সাঁহনি উপমুখ্যমন্ত্রী পদ ও ৬০টি বিধানসভা আসনে লড়ার দাবি নিয়ে এন্ডিয়া জোটে ঢুকে গেলেন। মাত্র ক’দিন আগেই তিনি ছিলেন বিজেপি জোটে। অথচ ২০ শতাংশ মুসলিমদের নেতা আখতারুল ইমাম মাত্র ৭টা আসনে লড়াইয়ের প্রস্তাব দিয়ে জোটের অংশ হতে চাইলেও তার জায়গা হল না। এবার সেক্যুলারিজমের রক্ষকরাই বলবেন, আখতারুল ইমাম কি মুসলমানদের নেতা? নাকি বিজেপির দালাল? তাহলে মুসলমানদের নেতা কে? আখতারুল ইমাম দলিত, অচ্ছুৎ ও মুসলমানদের অধিকারের কথা বলেন। তাই কি তিনি বিজেপির দালাল? তিনি স্বাধীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা দেবতাদের একেবারেই না-পসন্দ।

আরও পড়ুন:

মুসলমানদের বিজেপি-ভীতি:

আরও পড়ুন:

আসলে কী কারণে মুসলমানরা বিজেপিকে এত ভয় পায়, বোঝা দুষ্কর। মুসলিমদের বিজেপি ভীতির কারণ রাজনৈতিক অজ্ঞতা ও নেতৃত্বের অভাব। এর মূল কারণ ধর্মীয় Sect বা ফিরকাবাজী। ফলে জাতিগতভাবে মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। এমন সুযোগ সেকুলারিজমের দেবতাদের কাছে কুড়িয়ে পাওয়া ষোল আনা সুযোগ। আর বিজেপির কাছে তো রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক। বাস্তবে মুসলিমরা যত বিজেপির বিরোধিতা করেছে, বিজেপি তত শক্তিশালী হয়েছে। কারণ, বিজেপি একথা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, তারা হিন্দুদের স্বার্থে কথা বলে। তাই মুসলিমরা বিজেপির বিরোধিতা করছে। আর তথাকথিত সেক্যুলার দলগুলো মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে ন্যূনতম দায়বদ্ধতা না দেখিয়ে, শুধু বিজেপি-জুজু দেখিয়েই মুসলিমদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এতে বিজেপি ও আঞ্চলিক দলগুলি উভয়েই লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি তৈরি করেছে কিছু হাত তোলা জো হুজুর মার্কা নেতা ও লেফাফা হযরত। প্রকৃত কোন মুসলিম নেতা মুসলমানদের হকের আওয়াজ তুললেই এই হুজুরদের কাজ হল, প্রথমে তাকে বিজেপির দালাল বলে দাগিয়ে দেওয়া। আর দেবতারা লেলিয়ে দিচ্ছে তাদের তৈরি জো হুকুম পাপেটদের।

আরও পড়ুন:

হিন্দু খাতরে মে হ্যায়:

আরও পড়ুন:

‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’ — বিজেপির এই দাবি প্রথমদিকে হিন্দুরা বেশ গিলেছিল। সময় সব কিছু স্পষ্ট করে দিচ্ছে। হিন্দুদের জন্য কাতরা কী কী ও কারা কারা, তা পরিষ্কার না হলেও বিজেপি আমলে দেশের জনগণ যে খাতরে মে হ্যায়, তা সবার কাছে স্পষ্ট। বিজেপি দেশে মুসলিম বিদ্বেষকে পুঁজি করে রাজনীতির ময়দান গরম করলেও দেশের বাইরে তাদের মুখোশ কিন্তু আলাদা। বিজেপি নেতারাই তো আরব দেশগুলোর মুসলমানদের সঙ্গে গলাগলি করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিরিয়ানি ভোজ সারেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেললে অসুবিধা নেই। বিজেপি নেতা-মন্ত্রী ও তাদের পুত্ররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে একসাথে বসে খেলা দেখলে, হাসি মজাক করলে অসুবিধা নেই। অথচ এই বিজেপি নেতারাই কথায় কথায় পাকিস্তানের মুণ্ডুপাত করেন।

আরও পড়ুন:

দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোট। তাও আজ সুরক্ষিত নয়। কিন্তু বিষয় হল মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো-সহ সব মুসলিম দেশেই অসংখ্য হিন্দু রয়েছেন, যদিও তারা সংখ্যালঘু, তারা যখন ‘খাতরে মে’ নয়। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দেশে হিন্দু বিচার ধারার দল বিজেপির শাসনামলে হিন্দু খাতরে মে কিঁউ? বিজেপি আসার আগে কেউ তো শোনেনি ‘হিন্দু খাতরে মে’।

আরও পড়ুন:

জনাদেশ ও হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

যেহেতু ভারত গণতান্ত্রিক দেশ, তাই এ দেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ যদি চান হিন্দু-রাষ্ট্র হোক, তাহলে আপত্তি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? তাছাড়া পৃথিবীতে একটা মডেল হিন্দু রাষ্ট্র থাকলে ভাল। বিশ্ববাসী দেখতে পাবেন হিন্দুত্বের বাস্তব রূপ। ইতিপূর্বে নেপাল হিন্দু রাষ্ট্র ছিল। মুসলমানরাও পারেন মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাতে। তাদের হাতে ৫৬ টা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ রয়েছে। তারা মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাননি কেন, সেটাও পর্যালোচনার বিষয়।

আরও পড়ুন:

সৌদি, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, আমিরাত, কুয়েত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কোথাও তারা একাজ করেননি। আসলেই হিন্দু রাষ্ট্রের রূপরেখা যেমন হিন্দুরা আজও রচনা করতে পারেননি, তেমনি ইসলামী রাষ্ট্রের রূপরেখাও মুসলমানরা দেখাতে পারেননি। পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই কূটনৈতিক জ্ঞান থাকা জরুরী। বিজেপিকে ঠেকাতে নয়; বরং নিজেদের পুনর্গঠন করতেই মুসলমানদের রাজনীতির ময়দানে আসতে হবে।

আরও পড়ুন:

মডেল হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

বিজেপি যদি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ — এই বৈদিক নীতিতে হিন্দু-রাষ্ট্র গঠন করে, তাহলে তো অচ্ছুৎ, দলিত, আদিবাসী, জনজাতি-সহ সবারই কল্যাণ বা ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ হতে বাধ্য। পাশাপাশি বিজেপি যদি সকল হিন্দুদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পানীয় জল, বিদ্যুৎ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু ফ্রি করে দেয়, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে একজন করে চাকরি দেয়, তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। এটা বিশ্বের কাছে একটি মডেল হবে। সারা পৃথিবীতে হিন্দুত্ববাদীদের ডঙ্কা বাজবে।

আরও পড়ুন:

সাংবিধানিক গণতন্ত্রে দ্বিচারিতা কেন:

আরও পড়ুন:

ভারত একটা গণতান্ত্রিক দেশ। সাম্য হল আইনের মূল কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। এখানে প্রতি পদে পদে মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আস্থার ভিত্তিতে সুপ্রিম রায়ে বাবরি মসজিদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অসংখ্য মুসলিম যুবক বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানছে। ওয়াকফ সম্পত্তি বে-দখল হয়েই যাচ্ছে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় সম্পত্তির উপর বুলডোজার চলছে। বৃদ্ধ মুসলিমের দাড়ি ধরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো থেকে মহিলাদের হিজাব ধরে টানাটানি। এ প্রসঙ্গে সেক্যুলার দলগুলো নীরব কেন? মুসলমানদের লড়াই যখন নিজেদেরই লড়তে হবে, তাহলে করণীয় কী? শুধু ভোট ব্যাংক হয়েই থাকবেন, নাকি নেতৃত্ব কায়েম করবেন? ভাবুন। ভাবা প্র্যাকটিশ করুন।

আরও পড়ুন:

ইডেন সিটি, বজবজ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder