BREAKING:
জোড়াসাঁকোয় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহোৎসবে কলম শিল্পী গ্র্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ খোশবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথ দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দন্ত চিকিৎসক বসিরহাট দরবার শরিফে হুমায়ুন কবীর, পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা লাল বালির চড়া দাম, গ্রামবাসীদের ভরসা পাথরের গুড়ো   রমজানে অসহায়দের পাশে আল হোসাইনী হেল্প ফাউন্ডেশন সুন্দরবনের লবণাক্ত মাটিতে সূর্যমুখী চাষে সাফল্য, লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা হুগলি জেলায় এসআইআর এর প্রথম পর্যায়ের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলি কাদরি  বন্যপ্রাণীর উপদ্রব রুখতে তৎপর বনদপ্তর উত্তাপহীন ডার্বিতে মহামেডানকে ৫ গোলে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান মরণবাঁচন ম্যাচে আজ সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিততেই হবে ভারতকে রাজনগরে চাঞ্চল্য: গাংমুড়ি গ্রামে বাড়ির ভিতর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার মোবাইল গেম খেলতে খেলতেই নিভে গেল ২১ বছরের তরতাজা প্রাণ  মুর্শিদাবাদের মুকুটে নতুন দুই পালক, বিশ্ববিদ্যালয় ও কাটরা মসজিদের তোরণ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম! রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিশটি আসনে লড়বে পুকুর খনন করার সময় প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হল পান্ডুয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা। রানে ফিরলেন অভিষেক, জয়ে ফিরলো ভারত; বেঁচে রইলো সেমির স্বপ্ন এসআইআর  ইস্যুতে আতঙ্ক নয়, আইনি পথে আপিলের আহ্বান মিল্লি ঐক্য মঞ্চের কালিয়াচক আবাসিক মিশনে বিজ্ঞান বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন, উৎসাহ চোখে পড়ার মতো পরীক্ষার দিন আচমকা মৃত্যু অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের, শোকস্তব্ধ সোনারপুর নাবালিকাকে বিবাহের অভিযোগে জয়নগরে গ্রেপ্তার যুবক জয়নগরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, আহত তিন শ্রমিক নেতা মহম্মদ ওয়েস এর নেতৃত্বে বড়জোড়ায় বিরাট মিছিল কুলতলির বিধায়কের উপস্থিতিতে ঢালাই রাস্তার কাজের সূচনা হলো নলগোড়ায় ঘুটিয়ারীশরিফে পুলিশের তৎপরতায় ৫৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে উদ্যোগ সুন্দরবনে বাঘের হামলায় ফের মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণের দাবি এসআইও নিয়ে মিথ্যা মন্তব্যের প্রতিবাদে কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন জামাআতে ইসলামী হিন্দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ বই হোক সই, বইয়ের জন্য করিমপুরে পথে হাঁটল শত শত মানুষ রমজান মাসে ৩০০ দুস্থ পরিবারের পাশে সমাজসেবী হাফেজ নজরুল ইসলাম অবশেষে ধুলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে বাংলা স্থান পেল  মুর্শিদাবাদে দুই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস ২৮ ফেব্রুয়ারি ভাঙড়ে ২৮ টি তাজা বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার দুই জন্মদিনে অবহেলিত ভূদেব মুখোপাধ্যায়, তালাবন্ধ গ্রীলে মালা ঝুলিয়ে জন্মদিন পালন করল বিজেপি বালিভর্তি ট্রাক চলাচল ঘিরে উত্তেজনা, সোনামুখীতে গ্রামবাসীর রাতভর বিক্ষোভ বসিরহাটে দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, তৃণমূলের সভায় বহু নেতার যোগদান ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে বড় ভাঙন কুলতলীতে কালিয়াচকের বাহাদুরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চুঁচুড়ায় সোমবার সাতসকালে পথ দুর্ঘটনা, জখম যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক নিহত সেনা জওয়ানের মরদেহ পৌঁছাল শেখপাড়ার বাড়িতে ব্লক প্রাণিসম্পদ বিকাশ দিবস পালিত জয়নগরে অনলাইন বাণিজ্যের প্রসারে ক্ষুদ্র ব্যবসা চাপে: মত বড়জোড়া চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা উত্তরলক্ষীপুরের গর্ব: প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হতে চলেছেন ডা: মোবারাক হোসেন পুনরাবৃত্তি চায় ভারত, দক্ষিন আফ্রিকা চায় প্রত্যাবর্তন; সুপার এইটে আজ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই টানা দুই ম্যাচে জয় ইস্টবেঙ্গলের, দুই ম্যাচেই জোড়া গোল ইউসুফের বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ আজ শুরু সুপার এইটের লড়াই, প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি পাক বনাম নিউজিল্যান্ড আজ ইস্টবেঙ্গলের সামনে স্পোর্টিং দিল্লি, ভরসার নাম ইউসুফ আজ্জেরি প্রত্যাশিত হার, ঘরের মাঠে মহামেডান বধ এফসি গোয়ার ১৫ বছরেও শেষ হয়নি বক্সীপুর ব্রিজ নির্মাণ কাজ, জনস্বার্থ মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে করিমপুর এলাকাবাসীকে বহরমপুর যেতে আর পেরুতে হবেনা বিপদ সংকুল রাস্তা এসআইআর এর চাপ, শ্রীরামপুরে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলও’র ছেলেধরা সন্দেহে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় বলাগড়ে ২৫ জন দোষীকে সাজা শোনালো চুঁচুড়ার ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট বেআইনি মাটির গাড়ির ধাক্কায় ২ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে জি-প্লটের আদিবাসী শিশুরা  জল্পনার অবসান, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাম যুব নেতা প্রতীক উর রহমান কনকচূড় ধানের চাল পেল জাতিসংঘের ঐতিহ্য স্বীকৃতি, খুশির হাওয়া জয়নগর জুড়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন-এনজিওর যৌথ উদ্যোগে সচেতনতা শিবির ঘোড়ামারা দ্বীপ রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের, গঠিত হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি শেষ সময় ঘনাতেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম জমায় দীর্ঘ হচ্ছে লাইন পখন্না রামকৃষ্ণ আশ্রমে শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯১তম জন্মতিথি উদ্‌যাপন বড়জোড়া কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবু: সংগঠন, সংগ্রাম ও সেবার রাজনীতি সোনার প্রতিমার প্রলোভনে ১১ লক্ষ টাকার প্রতারণা ঘুঁটিয়ারীশরিফে পুলিশের সাফল্য: ২৪ চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার হুগলি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে খাদ্য সুরক্ষা মেলা’য় সুষম খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ  উলুবেড়িয়ায় ১৫ টিয়া উদ্ধার, আন্তরাজ্য পাখি পাচারচক্রের সদস্য গ্রেফতার সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য ধূপগুড়িতে কাবিলপুর হাই স্কুলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস ঘটা করে উদযাপন পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ জয়নগরে ২০২৬ নির্বাচন ঘিরে ফারাক্কায় জোর চর্চায় রেহেনা ইয়াসমিন  পিতা-মাতার স্মৃতিতে আট দিনব্যাপী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন পুলিশকর্মী ছেলের উদ্যোগে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের মৃত্যু মিছিল থামছেই না, সরকারি ক্ষতিপূরনের দাবি মাটি, মানুষ ও সংগঠন: রাবিউল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন দুবে ঝড়ে উড়ে গেল নেদারল্যান্ডস, বোলিংয়ে নায়ক বরুণ হঠাতই ব্যাটিং বিপর্যয়, রঞ্জি থেকে বিদায় বাংলার ফারহানের দুরন্ত সেঞ্চুরি, সুপার এইটে পাকিস্তানও ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে আজ নামিবিয়ার মুখোমুখি পাকিস্তান সামির ৮ উইকেটেও, ব্যাটিং বিপর্যয়ে হারের মুখে বাংলা চুঁচুড়ায় প্রার্থী ঘোষণার আগেই দেওয়াল লিখনে জোর তৃণমূল, পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির কুলতলিতে আয়ুষ মেলা: বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ রানীনগরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীসভা ও জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে উপচে পড়া ভিড়  কৃষকদের সমস্যা সমাধানে চালু ‘ভারত বিস্তার’ এআই টুল গোবর্ধনডাঙ্গায় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী সভা কাবিলপুরে মানব সেবা ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু মালদা জেলায় হাই মাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন পা দিয়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মানকুন্ডুতে সারা বাংলা একদিনের দাবা প্রতিযোগিতা মেরা যুব ভারতের উদ্যোগে মগরাহাটে জেলা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অপসংস্কৃতির স্রোতের বিপরীতে নাট্যচর্চার বার্তা – বাগনানে তিনদিনের নাট্য উৎসবে নজর কাড়ল বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব দ্বীপাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ: আমতায় নির্মীয়মাণ কংক্রিটের সেতুতে বাড়ছে আশার আলো মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কলকাতায় স্কুল ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা জীবনে কিছু জায়গা থেকে চুপচাপ সরে আসতে হয় ১৪ই ফেব্রুয়ারি: ভালবাসার দিন হিসেবে কেন পালিত হয়? সুদ, মাদক ও জুয়ার অদৃশ্য জোট: সমাজ ধ্বংসের নীরব চক্রান্ত আদ্রায় ‘বিনা পয়সার বাজারে’ উপচে পড়া ভিড়, হাসি ফিরল অসংখ্য মুখে মেডিকেল ভর্তিতে কাট অফ বিতর্কে তোলপাড় দেশ হবু ডাক্তারদের মান, মেধা ও রোগীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কেরালার আদালতে নতুন অধ্যায় রচিত দৃষ্টিহীন তরুণী বিচারক গড়লেন নজির

বিজেপিকে ঠেকাতে নয়, স্বতন্ত্রতা রক্ষার্থে মুসলিমরা রাজনীতিতে আসুন

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪

ডা. সেখ বাসীর আলী

আরও পড়ুন:

পাঠকের পয়গাম:
স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বিজেপিকে রুখতে অবিজেপি দলগুলোর ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়ে যাওয়া। ইতিপূর্বে কংগ্রেসের শাসনকাল মুসলমানদের কাছে সুখকর ছিল না। কাশ্মীর থেকে কোয়েম্বাটুর অসংখ্য দাঙ্গার স্মৃতি দগদগে। কেন্দ্রে কংগ্রেসী সরকারের দ্বারা বাবরি মসজিদের তালা খুলে ভেতরে রামের মূর্তি রাখা এবং ১৯৯২ সালে পিভি নরসিংহ রাও-এর কংগ্রেস সরকারের আমলেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়। এরপর আশির দশকে বিজেপি সরাসরি মুসলিম বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে আবির্ভূত হয়। বিজেপি-র স্লোগান ছিল ‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’, তাই ভারতকে হিন্দু-রাষ্ট্র বানাতে হবে।

আরও পড়ুন:

এদিকে নেতৃত্বহীন ও ফিরকাপরস্ত মুসলিমরা এমনিতেই দিশেহারা। তারা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে একচেটিয়া ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়। এই সুযোগে আরএসএস-ও কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের জন্ম দিতে থাকে। কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা ৩০-এ নেমে যায়। কংগ্রেসের হাঁড়ির হাল দেখে অত্যুৎসাহী বিজেপি আবার কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেয়। এতে কংগ্রেসের আঁতে ঘা লাগে‌। কংগ্রেস নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। বেগতিক দেখে অহং ভুলে কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলির সাথে জোট বাঁধতে শুরু করে। এদিকে, মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েই আছে।

আরও পড়ুন:

বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এই মুসলিম ভোট ব্যাংকের উপর একক আধিপত্য কায়েম রাখতে চায়। তারা চায় বিহারের প্রায় ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটার তাদের নিঃশর্ত ভোট দিক। না হলে বিজেপি চলে আসবে। আরজেডি-র রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা স্পষ্টভাবেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই একচ্ছত্র ইজারাদারীর পথে বাধ সেধেছেন মিম পার্টির আখতারুল ইমাম। শুধু বিহার নয়, বাংলা, আসাম, ইউপি, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক-সহ সর্বত্র সমীকরণ একই। বাংলার ৩০ শতাংশ, আসামের ৩৮ শতাংশ, ইউপি-র ২২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রের ১২ শতাংশ, কর্ণাটকের ১২ শতাংশ মুসলিমের কাছে একই দাবি অ-বিজেপি দলগুলোর। বাকি রাজ্যগুলোতেও কমবেশি চিত্র একই।

আরও পড়ুন:

এখন প্রশ্ন হল, মুসলমানদেরই বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিতে হবে কেন? বিজেপি মুসলিম বিদ্বেষী দল বলে? তাহলে বিজেপি কাদের হিতৈষী বা কাদের বন্ধু? বিজেপি কি দলিতদের বন্ধু?
আদিবাসীদের বন্ধু? ওবিসিদের বন্ধু? বিজেপি কি আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড-সহ দেশের বিভিন্ন উপজাতি ও জনজাতির বন্ধু? বিজেপি কি শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈনদের বন্ধু? বিজেপি কি কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী, আরজেডি, বহুজন সমাজ পার্টি, আকালি দল, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস, মিম‌, শিবসেনা, আম আদমি পার্টি ইত্যাদি দলের বন্ধু?

আরও পড়ুন:

না! তেমনটা কিন্তু নয়। মুসলিমরা সংখ্যালঘু। মুসলিমরা কি জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীষ্টান, আদিবাসী ও জনজাতিদের থেকেও সংখ্যালঘু? তাহলে বাকি সংখ্যালঘু, জনজাতিরা কি বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিয়ে রেখেছে? উত্তর, না। তাহলে একমাত্র মুসলমানদেরকেই এই ঠিকা নিতে হচ্ছে কেন? এই ‘কেন’ আবিষ্কার করতে পারলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। আর এই উত্তর বের করতে শেষমেষ আমাকেও শুনতে হবে বিজেপির দালাল।

আরও পড়ুন:

সেক্যুলার দলগুলোর পিছে তো দেখো: বিহারে আখতারুল ইমামের নেতৃত্বে মিম-এর উত্থানকে সেক্যুলার দলগুলো মেনে নিতে পারছে না। পারছে না লেফাফা হুজুর ও জো হুকুম পাপেটরা।
একটু পিছে দেখা যাক। লালু প্রসাদ যাদব ১৯৯০ সালে বিজেপির সমর্থনে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০০৫ সালে বিহারে কোন দলই গরিষ্ঠতা পায়নি। এলজেপি নেতা রামবিলাস পাসোয়ান মুসলিম মুখ্যমন্ত্রীর শর্তে লালুকে সমর্থনের প্রস্তাব দিলে লালুর MY Theory- র মুখোশ খুলে যায়। লালু পত্রপাঠ সে প্রস্তাব নাকচ করেন। লালু দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে যান, বিজেপি-নীতীশ জোট ক্ষমতায় আসে। পরে রামবিলাস নিজেই বিজেপি জোটে শরিক হন।

আরও পড়ুন:

ইউপি-র ‘চাচা’ নামে খ্যাত মুলায়ম সিং যাদব ১৯৮৯ সালে বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন। মায়াবতীও ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০২ তিন দফায় বিজেপির সমর্থনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৯-২০০১ সালে কেন্দ্রে বাজপেয়ী সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-র লোকসভা ভোটে বিজেপির সাথে জোট করে লড়ে তৃণমূল। ২০১১-য় বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সাথে জোট করে প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন মমতা। পরে জোট সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যায় কংগ্রেস, এখন বিধানসভায় কংগ্রেস শূন্য।

আরও পড়ুন:

১৯৮৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অটল বিহারী বাজপেয়ী জুটি ব্রিগেডে কংগ্রেস বিরোধী মহাসমাবেশ করেন। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ১৯৯৫ সালে বিজেপির সাথে জোট সরকার গঠন করে। কংগ্রেসের কত এমপি, এমএলএ যে বিজেপিতে গেছে, তার হিসেব নেই। এমনকি কংগ্রেসের জেতা রাজ্য বিজেপি উপহার পেয়েছে কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে বা কংগ্রেসী এমএলএ-রা বিজেপিতে চলে যাওয়ায়। তাছাড়া অন্যান্য সেক্যুলার আঞ্চলিক দলগুলো থেকে কত এমপি, এমএলএ বিজেপিতে গেছেন, সেই তালিকাও বেশ লম্বা।

আরও পড়ুন:

এখনও তথাকথিত বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা নিজেদেরকে সেকুলারিজমের দেবতা মনে করেন। আর এসব দেবতাদের ঘাড়ে করে বয়ে বেড়ানোর নৈতিক দায়িত্ব পড়েছে মুসলমানদের। শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, আদিবাসী, জনজাতি, ওবিসি কেউই সেকুলারিজমের গডফাদারদের ঘাড়ে তুলতে রাজি নন। যেখানে অবিজেপি সেক্যুলার দলগুলোর যৌথ ভোট শতাংশ বিজেপির দ্বিগুণ, তবুও তারা বিজেপিকে রুখতে বারবার ব্যর্থ। কেন? এর একটা উদাহরণ হল, আম আদমি পার্টি পাঞ্জাব ও দিল্লিতে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের সাথে জোট করেনি। এখন কেজরিওয়াল বিহারে এসেছেন ইন্ডিয়া জোটের অংশ হয়ে ভোটে লড়তে। বাংলায় তো গত লোকসভায় একই চিত্র ছিল। ইন্ডিয়া জোটের আসন সমঝোতাই হয়নি। তাহলে জোট কার্যকর হয় কীভাবে? তাই কোনটা জোট, আর কোনটা সেটিং, তা কোটি টাকার প্রশ্ন।

আরও পড়ুন:

নেতৃত্বের গুরুত্ব:

আরও পড়ুন:

বিহারে মাত্র ৩ শতাংশ ‘নিশাদ’ জনগোষ্ঠীর নেতা মুকেশ সাঁহনি উপমুখ্যমন্ত্রী পদ ও ৬০টি বিধানসভা আসনে লড়ার দাবি নিয়ে এন্ডিয়া জোটে ঢুকে গেলেন। মাত্র ক’দিন আগেই তিনি ছিলেন বিজেপি জোটে। অথচ ২০ শতাংশ মুসলিমদের নেতা আখতারুল ইমাম মাত্র ৭টা আসনে লড়াইয়ের প্রস্তাব দিয়ে জোটের অংশ হতে চাইলেও তার জায়গা হল না। এবার সেক্যুলারিজমের রক্ষকরাই বলবেন, আখতারুল ইমাম কি মুসলমানদের নেতা? নাকি বিজেপির দালাল? তাহলে মুসলমানদের নেতা কে? আখতারুল ইমাম দলিত, অচ্ছুৎ ও মুসলমানদের অধিকারের কথা বলেন। তাই কি তিনি বিজেপির দালাল? তিনি স্বাধীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা দেবতাদের একেবারেই না-পসন্দ।

আরও পড়ুন:

মুসলমানদের বিজেপি-ভীতি:

আরও পড়ুন:

আসলে কী কারণে মুসলমানরা বিজেপিকে এত ভয় পায়, বোঝা দুষ্কর। মুসলিমদের বিজেপি ভীতির কারণ রাজনৈতিক অজ্ঞতা ও নেতৃত্বের অভাব। এর মূল কারণ ধর্মীয় Sect বা ফিরকাবাজী। ফলে জাতিগতভাবে মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। এমন সুযোগ সেকুলারিজমের দেবতাদের কাছে কুড়িয়ে পাওয়া ষোল আনা সুযোগ। আর বিজেপির কাছে তো রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক। বাস্তবে মুসলিমরা যত বিজেপির বিরোধিতা করেছে, বিজেপি তত শক্তিশালী হয়েছে। কারণ, বিজেপি একথা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, তারা হিন্দুদের স্বার্থে কথা বলে। তাই মুসলিমরা বিজেপির বিরোধিতা করছে। আর তথাকথিত সেক্যুলার দলগুলো মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে ন্যূনতম দায়বদ্ধতা না দেখিয়ে, শুধু বিজেপি-জুজু দেখিয়েই মুসলিমদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এতে বিজেপি ও আঞ্চলিক দলগুলি উভয়েই লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি তৈরি করেছে কিছু হাত তোলা জো হুজুর মার্কা নেতা ও লেফাফা হযরত। প্রকৃত কোন মুসলিম নেতা মুসলমানদের হকের আওয়াজ তুললেই এই হুজুরদের কাজ হল, প্রথমে তাকে বিজেপির দালাল বলে দাগিয়ে দেওয়া। আর দেবতারা লেলিয়ে দিচ্ছে তাদের তৈরি জো হুকুম পাপেটদের।

আরও পড়ুন:

হিন্দু খাতরে মে হ্যায়:

আরও পড়ুন:

‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’ — বিজেপির এই দাবি প্রথমদিকে হিন্দুরা বেশ গিলেছিল। সময় সব কিছু স্পষ্ট করে দিচ্ছে। হিন্দুদের জন্য কাতরা কী কী ও কারা কারা, তা পরিষ্কার না হলেও বিজেপি আমলে দেশের জনগণ যে খাতরে মে হ্যায়, তা সবার কাছে স্পষ্ট। বিজেপি দেশে মুসলিম বিদ্বেষকে পুঁজি করে রাজনীতির ময়দান গরম করলেও দেশের বাইরে তাদের মুখোশ কিন্তু আলাদা। বিজেপি নেতারাই তো আরব দেশগুলোর মুসলমানদের সঙ্গে গলাগলি করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিরিয়ানি ভোজ সারেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেললে অসুবিধা নেই। বিজেপি নেতা-মন্ত্রী ও তাদের পুত্ররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে একসাথে বসে খেলা দেখলে, হাসি মজাক করলে অসুবিধা নেই। অথচ এই বিজেপি নেতারাই কথায় কথায় পাকিস্তানের মুণ্ডুপাত করেন।

আরও পড়ুন:

দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোট। তাও আজ সুরক্ষিত নয়। কিন্তু বিষয় হল মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো-সহ সব মুসলিম দেশেই অসংখ্য হিন্দু রয়েছেন, যদিও তারা সংখ্যালঘু, তারা যখন ‘খাতরে মে’ নয়। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দেশে হিন্দু বিচার ধারার দল বিজেপির শাসনামলে হিন্দু খাতরে মে কিঁউ? বিজেপি আসার আগে কেউ তো শোনেনি ‘হিন্দু খাতরে মে’।

আরও পড়ুন:

জনাদেশ ও হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

যেহেতু ভারত গণতান্ত্রিক দেশ, তাই এ দেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ যদি চান হিন্দু-রাষ্ট্র হোক, তাহলে আপত্তি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? তাছাড়া পৃথিবীতে একটা মডেল হিন্দু রাষ্ট্র থাকলে ভাল। বিশ্ববাসী দেখতে পাবেন হিন্দুত্বের বাস্তব রূপ। ইতিপূর্বে নেপাল হিন্দু রাষ্ট্র ছিল। মুসলমানরাও পারেন মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাতে। তাদের হাতে ৫৬ টা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ রয়েছে। তারা মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাননি কেন, সেটাও পর্যালোচনার বিষয়।

আরও পড়ুন:

সৌদি, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, আমিরাত, কুয়েত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কোথাও তারা একাজ করেননি। আসলেই হিন্দু রাষ্ট্রের রূপরেখা যেমন হিন্দুরা আজও রচনা করতে পারেননি, তেমনি ইসলামী রাষ্ট্রের রূপরেখাও মুসলমানরা দেখাতে পারেননি। পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই কূটনৈতিক জ্ঞান থাকা জরুরী। বিজেপিকে ঠেকাতে নয়; বরং নিজেদের পুনর্গঠন করতেই মুসলমানদের রাজনীতির ময়দানে আসতে হবে।

আরও পড়ুন:

মডেল হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

বিজেপি যদি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ — এই বৈদিক নীতিতে হিন্দু-রাষ্ট্র গঠন করে, তাহলে তো অচ্ছুৎ, দলিত, আদিবাসী, জনজাতি-সহ সবারই কল্যাণ বা ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ হতে বাধ্য। পাশাপাশি বিজেপি যদি সকল হিন্দুদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পানীয় জল, বিদ্যুৎ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু ফ্রি করে দেয়, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে একজন করে চাকরি দেয়, তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। এটা বিশ্বের কাছে একটি মডেল হবে। সারা পৃথিবীতে হিন্দুত্ববাদীদের ডঙ্কা বাজবে।

আরও পড়ুন:

সাংবিধানিক গণতন্ত্রে দ্বিচারিতা কেন:

আরও পড়ুন:

ভারত একটা গণতান্ত্রিক দেশ। সাম্য হল আইনের মূল কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। এখানে প্রতি পদে পদে মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আস্থার ভিত্তিতে সুপ্রিম রায়ে বাবরি মসজিদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অসংখ্য মুসলিম যুবক বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানছে। ওয়াকফ সম্পত্তি বে-দখল হয়েই যাচ্ছে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় সম্পত্তির উপর বুলডোজার চলছে। বৃদ্ধ মুসলিমের দাড়ি ধরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো থেকে মহিলাদের হিজাব ধরে টানাটানি। এ প্রসঙ্গে সেক্যুলার দলগুলো নীরব কেন? মুসলমানদের লড়াই যখন নিজেদেরই লড়তে হবে, তাহলে করণীয় কী? শুধু ভোট ব্যাংক হয়েই থাকবেন, নাকি নেতৃত্ব কায়েম করবেন? ভাবুন। ভাবা প্র্যাকটিশ করুন।

আরও পড়ুন:

ইডেন সিটি, বজবজ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder