BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

বিজেপিকে ঠেকাতে নয়, স্বতন্ত্রতা রক্ষার্থে মুসলিমরা রাজনীতিতে আসুন

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রাত ৮:৫৪

ডা. সেখ বাসীর আলী

আরও পড়ুন:

পাঠকের পয়গাম:
স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক ভুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হল বিজেপিকে রুখতে অবিজেপি দলগুলোর ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়ে যাওয়া। ইতিপূর্বে কংগ্রেসের শাসনকাল মুসলমানদের কাছে সুখকর ছিল না। কাশ্মীর থেকে কোয়েম্বাটুর অসংখ্য দাঙ্গার স্মৃতি দগদগে। কেন্দ্রে কংগ্রেসী সরকারের দ্বারা বাবরি মসজিদের তালা খুলে ভেতরে রামের মূর্তি রাখা এবং ১৯৯২ সালে পিভি নরসিংহ রাও-এর কংগ্রেস সরকারের আমলেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা হয়। এরপর আশির দশকে বিজেপি সরাসরি মুসলিম বিদ্বেষী প্রোপাগান্ডা নিয়ে রাজনীতির ময়দানে আবির্ভূত হয়। বিজেপি-র স্লোগান ছিল ‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’, তাই ভারতকে হিন্দু-রাষ্ট্র বানাতে হবে।

আরও পড়ুন:

এদিকে নেতৃত্বহীন ও ফিরকাপরস্ত মুসলিমরা এমনিতেই দিশেহারা। তারা নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির দিকে ঝুঁকে পড়ে একচেটিয়া ভোট ব্যাংকে পরিণত হয়। এই সুযোগে আরএসএস-ও কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের জন্ম দিতে থাকে। কংগ্রেসের সাংসদ সংখ্যা ৩০-এ নেমে যায়। কংগ্রেসের হাঁড়ির হাল দেখে অত্যুৎসাহী বিজেপি আবার কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেয়। এতে কংগ্রেসের আঁতে ঘা লাগে‌। কংগ্রেস নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। বেগতিক দেখে অহং ভুলে কংগ্রেস আঞ্চলিক দলগুলির সাথে জোট বাঁধতে শুরু করে। এদিকে, মুসলিমরা আঞ্চলিক দলগুলির ভোট ব্যাঙ্কে পরিণত হয়েই আছে।

আরও পড়ুন:

বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া’ জোট এই মুসলিম ভোট ব্যাংকের উপর একক আধিপত্য কায়েম রাখতে চায়। তারা চায় বিহারের প্রায় ২০ শতাংশ মুসলিম ভোটার তাদের নিঃশর্ত ভোট দিক। না হলে বিজেপি চলে আসবে। আরজেডি-র রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা স্পষ্টভাবেই তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এই একচ্ছত্র ইজারাদারীর পথে বাধ সেধেছেন মিম পার্টির আখতারুল ইমাম। শুধু বিহার নয়, বাংলা, আসাম, ইউপি, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক-সহ সর্বত্র সমীকরণ একই। বাংলার ৩০ শতাংশ, আসামের ৩৮ শতাংশ, ইউপি-র ২২ শতাংশ, মহারাষ্ট্রের ১২ শতাংশ, কর্ণাটকের ১২ শতাংশ মুসলিমের কাছে একই দাবি অ-বিজেপি দলগুলোর। বাকি রাজ্যগুলোতেও কমবেশি চিত্র একই।

আরও পড়ুন:

এখন প্রশ্ন হল, মুসলমানদেরই বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিতে হবে কেন? বিজেপি মুসলিম বিদ্বেষী দল বলে? তাহলে বিজেপি কাদের হিতৈষী বা কাদের বন্ধু? বিজেপি কি দলিতদের বন্ধু?
আদিবাসীদের বন্ধু? ওবিসিদের বন্ধু? বিজেপি কি আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড-সহ দেশের বিভিন্ন উপজাতি ও জনজাতির বন্ধু? বিজেপি কি শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈনদের বন্ধু? বিজেপি কি কংগ্রেস, তৃণমূল, সমাজবাদী, আরজেডি, বহুজন সমাজ পার্টি, আকালি দল, রাষ্ট্রবাদী কংগ্রেস, মিম‌, শিবসেনা, আম আদমি পার্টি ইত্যাদি দলের বন্ধু?

আরও পড়ুন:

না! তেমনটা কিন্তু নয়। মুসলিমরা সংখ্যালঘু। মুসলিমরা কি জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীষ্টান, আদিবাসী ও জনজাতিদের থেকেও সংখ্যালঘু? তাহলে বাকি সংখ্যালঘু, জনজাতিরা কি বিজেপিকে রোখার ঠিকা নিয়ে রেখেছে? উত্তর, না। তাহলে একমাত্র মুসলমানদেরকেই এই ঠিকা নিতে হচ্ছে কেন? এই ‘কেন’ আবিষ্কার করতে পারলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। আর এই উত্তর বের করতে শেষমেষ আমাকেও শুনতে হবে বিজেপির দালাল।

আরও পড়ুন:

সেক্যুলার দলগুলোর পিছে তো দেখো: বিহারে আখতারুল ইমামের নেতৃত্বে মিম-এর উত্থানকে সেক্যুলার দলগুলো মেনে নিতে পারছে না। পারছে না লেফাফা হুজুর ও জো হুকুম পাপেটরা।
একটু পিছে দেখা যাক। লালু প্রসাদ যাদব ১৯৯০ সালে বিজেপির সমর্থনে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০০৫ সালে বিহারে কোন দলই গরিষ্ঠতা পায়নি। এলজেপি নেতা রামবিলাস পাসোয়ান মুসলিম মুখ্যমন্ত্রীর শর্তে লালুকে সমর্থনের প্রস্তাব দিলে লালুর MY Theory- র মুখোশ খুলে যায়। লালু পত্রপাঠ সে প্রস্তাব নাকচ করেন। লালু দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনে যান, বিজেপি-নীতীশ জোট ক্ষমতায় আসে। পরে রামবিলাস নিজেই বিজেপি জোটে শরিক হন।

আরও পড়ুন:

ইউপি-র ‘চাচা’ নামে খ্যাত মুলায়ম সিং যাদব ১৯৮৯ সালে বিজেপির সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী হন। মায়াবতীও ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০২ তিন দফায় বিজেপির সমর্থনে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৯-২০০১ সালে কেন্দ্রে বাজপেয়ী সরকারে মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-র লোকসভা ভোটে বিজেপির সাথে জোট করে লড়ে তৃণমূল। ২০১১-য় বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের সাথে জোট করে প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন মমতা। পরে জোট সরকার ছেড়ে বেরিয়ে যায় কংগ্রেস, এখন বিধানসভায় কংগ্রেস শূন্য।

আরও পড়ুন:

১৯৮৬ সালে মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অটল বিহারী বাজপেয়ী জুটি ব্রিগেডে কংগ্রেস বিরোধী মহাসমাবেশ করেন। মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ১৯৯৫ সালে বিজেপির সাথে জোট সরকার গঠন করে। কংগ্রেসের কত এমপি, এমএলএ যে বিজেপিতে গেছে, তার হিসেব নেই। এমনকি কংগ্রেসের জেতা রাজ্য বিজেপি উপহার পেয়েছে কংগ্রেসের বিধায়ক ভাঙিয়ে বা কংগ্রেসী এমএলএ-রা বিজেপিতে চলে যাওয়ায়। তাছাড়া অন্যান্য সেক্যুলার আঞ্চলিক দলগুলো থেকে কত এমপি, এমএলএ বিজেপিতে গেছেন, সেই তালিকাও বেশ লম্বা।

আরও পড়ুন:

এখনও তথাকথিত বিজেপি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা নিজেদেরকে সেকুলারিজমের দেবতা মনে করেন। আর এসব দেবতাদের ঘাড়ে করে বয়ে বেড়ানোর নৈতিক দায়িত্ব পড়েছে মুসলমানদের। শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন, আদিবাসী, জনজাতি, ওবিসি কেউই সেকুলারিজমের গডফাদারদের ঘাড়ে তুলতে রাজি নন। যেখানে অবিজেপি সেক্যুলার দলগুলোর যৌথ ভোট শতাংশ বিজেপির দ্বিগুণ, তবুও তারা বিজেপিকে রুখতে বারবার ব্যর্থ। কেন? এর একটা উদাহরণ হল, আম আদমি পার্টি পাঞ্জাব ও দিল্লিতে বিজেপিকে ঠেকাতে কংগ্রেসের সাথে জোট করেনি। এখন কেজরিওয়াল বিহারে এসেছেন ইন্ডিয়া জোটের অংশ হয়ে ভোটে লড়তে। বাংলায় তো গত লোকসভায় একই চিত্র ছিল। ইন্ডিয়া জোটের আসন সমঝোতাই হয়নি। তাহলে জোট কার্যকর হয় কীভাবে? তাই কোনটা জোট, আর কোনটা সেটিং, তা কোটি টাকার প্রশ্ন।

আরও পড়ুন:

নেতৃত্বের গুরুত্ব:

আরও পড়ুন:

বিহারে মাত্র ৩ শতাংশ ‘নিশাদ’ জনগোষ্ঠীর নেতা মুকেশ সাঁহনি উপমুখ্যমন্ত্রী পদ ও ৬০টি বিধানসভা আসনে লড়ার দাবি নিয়ে এন্ডিয়া জোটে ঢুকে গেলেন। মাত্র ক’দিন আগেই তিনি ছিলেন বিজেপি জোটে। অথচ ২০ শতাংশ মুসলিমদের নেতা আখতারুল ইমাম মাত্র ৭টা আসনে লড়াইয়ের প্রস্তাব দিয়ে জোটের অংশ হতে চাইলেও তার জায়গা হল না। এবার সেক্যুলারিজমের রক্ষকরাই বলবেন, আখতারুল ইমাম কি মুসলমানদের নেতা? নাকি বিজেপির দালাল? তাহলে মুসলমানদের নেতা কে? আখতারুল ইমাম দলিত, অচ্ছুৎ ও মুসলমানদের অধিকারের কথা বলেন। তাই কি তিনি বিজেপির দালাল? তিনি স্বাধীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এটা দেবতাদের একেবারেই না-পসন্দ।

আরও পড়ুন:

মুসলমানদের বিজেপি-ভীতি:

আরও পড়ুন:

আসলে কী কারণে মুসলমানরা বিজেপিকে এত ভয় পায়, বোঝা দুষ্কর। মুসলিমদের বিজেপি ভীতির কারণ রাজনৈতিক অজ্ঞতা ও নেতৃত্বের অভাব। এর মূল কারণ ধর্মীয় Sect বা ফিরকাবাজী। ফলে জাতিগতভাবে মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে। এমন সুযোগ সেকুলারিজমের দেবতাদের কাছে কুড়িয়ে পাওয়া ষোল আনা সুযোগ। আর বিজেপির কাছে তো রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক। বাস্তবে মুসলিমরা যত বিজেপির বিরোধিতা করেছে, বিজেপি তত শক্তিশালী হয়েছে। কারণ, বিজেপি একথা বোঝাতে সক্ষম হয়েছে যে, তারা হিন্দুদের স্বার্থে কথা বলে। তাই মুসলিমরা বিজেপির বিরোধিতা করছে। আর তথাকথিত সেক্যুলার দলগুলো মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে ন্যূনতম দায়বদ্ধতা না দেখিয়ে, শুধু বিজেপি-জুজু দেখিয়েই মুসলিমদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এতে বিজেপি ও আঞ্চলিক দলগুলি উভয়েই লাভবান হচ্ছে। পাশাপাশি তৈরি করেছে কিছু হাত তোলা জো হুজুর মার্কা নেতা ও লেফাফা হযরত। প্রকৃত কোন মুসলিম নেতা মুসলমানদের হকের আওয়াজ তুললেই এই হুজুরদের কাজ হল, প্রথমে তাকে বিজেপির দালাল বলে দাগিয়ে দেওয়া। আর দেবতারা লেলিয়ে দিচ্ছে তাদের তৈরি জো হুকুম পাপেটদের।

আরও পড়ুন:

হিন্দু খাতরে মে হ্যায়:

আরও পড়ুন:

‘হিন্দু খাতরে মে হ্যায়’ — বিজেপির এই দাবি প্রথমদিকে হিন্দুরা বেশ গিলেছিল। সময় সব কিছু স্পষ্ট করে দিচ্ছে। হিন্দুদের জন্য কাতরা কী কী ও কারা কারা, তা পরিষ্কার না হলেও বিজেপি আমলে দেশের জনগণ যে খাতরে মে হ্যায়, তা সবার কাছে স্পষ্ট। বিজেপি দেশে মুসলিম বিদ্বেষকে পুঁজি করে রাজনীতির ময়দান গরম করলেও দেশের বাইরে তাদের মুখোশ কিন্তু আলাদা। বিজেপি নেতারাই তো আরব দেশগুলোর মুসলমানদের সঙ্গে গলাগলি করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে বিরিয়ানি ভোজ সারেন। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেট ম্যাচ খেললে অসুবিধা নেই। বিজেপি নেতা-মন্ত্রী ও তাদের পুত্ররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে একসাথে বসে খেলা দেখলে, হাসি মজাক করলে অসুবিধা নেই। অথচ এই বিজেপি নেতারাই কথায় কথায় পাকিস্তানের মুণ্ডুপাত করেন।

আরও পড়ুন:

দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ভোট। তাও আজ সুরক্ষিত নয়। কিন্তু বিষয় হল মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো-সহ সব মুসলিম দেশেই অসংখ্য হিন্দু রয়েছেন, যদিও তারা সংখ্যালঘু, তারা যখন ‘খাতরে মে’ নয়। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দুদের দেশে হিন্দু বিচার ধারার দল বিজেপির শাসনামলে হিন্দু খাতরে মে কিঁউ? বিজেপি আসার আগে কেউ তো শোনেনি ‘হিন্দু খাতরে মে’।

আরও পড়ুন:

জনাদেশ ও হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

যেহেতু ভারত গণতান্ত্রিক দেশ, তাই এ দেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ যদি চান হিন্দু-রাষ্ট্র হোক, তাহলে আপত্তি থাকার যৌক্তিকতা কোথায়? তাছাড়া পৃথিবীতে একটা মডেল হিন্দু রাষ্ট্র থাকলে ভাল। বিশ্ববাসী দেখতে পাবেন হিন্দুত্বের বাস্তব রূপ। ইতিপূর্বে নেপাল হিন্দু রাষ্ট্র ছিল। মুসলমানরাও পারেন মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাতে। তাদের হাতে ৫৬ টা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ রয়েছে। তারা মডেল ইসলামী রাষ্ট্র বানাননি কেন, সেটাও পর্যালোচনার বিষয়।

আরও পড়ুন:

সৌদি, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, আফগানিস্তান, আমিরাত, কুয়েত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ কোথাও তারা একাজ করেননি। আসলেই হিন্দু রাষ্ট্রের রূপরেখা যেমন হিন্দুরা আজও রচনা করতে পারেননি, তেমনি ইসলামী রাষ্ট্রের রূপরেখাও মুসলমানরা দেখাতে পারেননি। পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই কূটনৈতিক জ্ঞান থাকা জরুরী। বিজেপিকে ঠেকাতে নয়; বরং নিজেদের পুনর্গঠন করতেই মুসলমানদের রাজনীতির ময়দানে আসতে হবে।

আরও পড়ুন:

মডেল হিন্দু রাষ্ট্র:

আরও পড়ুন:

বিজেপি যদি ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ — এই বৈদিক নীতিতে হিন্দু-রাষ্ট্র গঠন করে, তাহলে তো অচ্ছুৎ, দলিত, আদিবাসী, জনজাতি-সহ সবারই কল্যাণ বা ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ হতে বাধ্য। পাশাপাশি বিজেপি যদি সকল হিন্দুদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, পানীয় জল, বিদ্যুৎ-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব কিছু ফ্রি করে দেয়, প্রতিটি হিন্দু পরিবারে একজন করে চাকরি দেয়, তাতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। এটা বিশ্বের কাছে একটি মডেল হবে। সারা পৃথিবীতে হিন্দুত্ববাদীদের ডঙ্কা বাজবে।

আরও পড়ুন:

সাংবিধানিক গণতন্ত্রে দ্বিচারিতা কেন:

আরও পড়ুন:

ভারত একটা গণতান্ত্রিক দেশ। সাম্য হল আইনের মূল কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না। এখানে প্রতি পদে পদে মুসলমানদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। আস্থার ভিত্তিতে সুপ্রিম রায়ে বাবরি মসজিদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অসংখ্য মুসলিম যুবক বিনা বিচারে বছরের পর বছর জেলের ঘানি টানছে। ওয়াকফ সম্পত্তি বে-দখল হয়েই যাচ্ছে। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে মুসলমানদের ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় সম্পত্তির উপর বুলডোজার চলছে। বৃদ্ধ মুসলিমের দাড়ি ধরে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানো থেকে মহিলাদের হিজাব ধরে টানাটানি। এ প্রসঙ্গে সেক্যুলার দলগুলো নীরব কেন? মুসলমানদের লড়াই যখন নিজেদেরই লড়তে হবে, তাহলে করণীয় কী? শুধু ভোট ব্যাংক হয়েই থাকবেন, নাকি নেতৃত্ব কায়েম করবেন? ভাবুন। ভাবা প্র্যাকটিশ করুন।

আরও পড়ুন:

ইডেন সিটি, বজবজ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder