BREAKING:
খারেজী মাদ্রাসার বর্তমান অবস্থা, সমস্যা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার বারুইপুরের সূর্যপুরের স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে প্রতিবাদ মিছিল জয়নগরে জন্ম শতবর্ষের আলোয় মহানায়ক উত্তমকুমার  সৃজন সাথী শিল্পী চর্চা কেন্দ্রের চিকিৎসক দিবস ও উত্তমকুমার স্মৃতি সম্মান প্রদান অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদকজয়ী অ্যাথলিট তাহুরা খাতুনকে মানবতা-র সংবর্ধনা নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও পলাশির বিপর্যয় (৩ জুলাই শাহাদত বার্ষিকী) জঙ্গিপুর সাহিত্য উৎসবে ‘সুভদ্রা দেবী স্মৃতি পুরস্কার’ পেল বিস্ময়-বালক আনান বিশ্বাস অর্গানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিবেশ-বান্ধব, রয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগও     নোনা জলের প্রতিকূলতা জয় করে বিশ্বমানের শিক্ষার আঙিনায় সাগরদ্বীপ   বাগুইআটি কৃষ্টি সংসদের মাসিক সাহিত্য সভায় প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক রমেণ আচার্যের প্রয়াণ দিবস স্মরণ বানারহাটে ১২৫ দিনের কাজের সূচনা করলেন বিধায়ক পুনা ভেংরা গয়েরকাটা বিদ্যুৎ দপ্তরের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ..! বজ্রাঘাতে হাতির মৃত্যুর আশঙ্কা, চাঞ্চল্য নাগরাকাটার ম্যাচপাড়ায় নোনাই নদীর অস্থায়ী ডাইভার্সন সেতুতে ভাঙন, দুর্ভোগ নেশামুক্ত ভারত মিশনের আওতায় বানারহাটে পুলিশের সচেতনতা র‍্যালি অতিভারী বৃষ্টির আগে ডাইনা নদীতে ড্রেজিং শুরু উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় লাল সতর্কতা, নদী সংলগ্ন এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি জোরদার ২১ দফা দাবিতে ধূপগুড়ি এসডিও অফিসে ডেপুটেশন যুব কংগ্রেসের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন ধূপগুড়ি, বাড়িতে জল শঙ্খমালার উদ্যোগে সোনামুখিতে ‘সুরের রবি – দ্রোহের নজরুল’ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ধুলিয়ানে অনুষ্ঠিত হল মুর্শিদাবাদ জেলা কবিতা কার্নিভাল, আয়োজনে ‘কবিতা কার্নিভাল’ ও ‘স্বপ্নের ভেলা’ সাহিত্য পত্রিকা বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট-এর সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ নিজে মাটি কেটে ১০০ দিনের কাজের সূচনা করলেন রক্তদানের মধ্যদিয়ে বিজয় উৎসব পালন করলো বিজেপি ধূপগুড়ি মহকুমা ডেকোরেশন লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্টের সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা সুরাবর্দী এভিনিউ-এর নাম পরিবর্তনের পিছনে ভাবনা সীমান্তের ঊর্ধ্বে মানব-মর্যাদা: জাতীয়তাবাদ ও বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনে কোন দল সবথেকে বেশি লাভবান হতে পারে? ডিজিটাল অবসেশন, পর্নোগ্রাফি ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কলকাতায় এসআইও-র গোলটেবিল বৈঠক আবাস যোজনার টাকা ও কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, উত্তেজনা কুলতলিতে থাইকা খ্যস্তা গেনু: মৃত্যু, স্মৃতি ও সময়ের গল্প সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে পটাশপুরে “বাঙালির মাংস-ভাত উৎসব” রাজনীতির অঙ্গনে ‘ডিম থেরাপি’; গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যই শেষ কথা? জহর সরকার, নজরুল ইসলাম, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়রা বার্নি স্যান্ডার্স হওয়ার চেষ্টা করতে পারতেন প্রসঙ্গ: বাংলা ভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ দিবস কুলতলিতে বোমাবাজির ঘটনায় আটক ২ ২০২৫ সালের সাইন্যাপস্ পত্রিকা সম্মাননা পেলেন কবি বোধিসত্ত্ব মুখোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে নজির বানারহাট থানার পুলিশের সরকারি উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা জয়নগরে মারামারির ঘটনায় জয়নগরে গ্রেফতার এক যুবক ফুটপাত ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে কড়া পদক্ষেপ আলিপুরদুয়ারে নকল মদের কারখানায় পুলিশের হানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি জাতীয় কংগ্রেসে ফিরতে চান… ইসলাম ও শিশু-শ্রম: এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বাঙালি পরিচয়ের ইতিহাস: ভাষা, ধর্ম ও জাতিসত্তার সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বৈচিত্র্য ভারতের শক্তি হতে পারে, যদি সহাবস্থান বজায় রাখতে পারে শ্রমিক কর্মচারীর বেতন: ইসলামের দৃষ্টিতে এক অবিচ্ছেদ্য হক বিশ্ব সাইকেল দিবস পালনে স্কুল পড়ুয়ারা নানাই নদীর সেতু ভেঙে পড়াই জঙ্গল পথেই যাতায়াত বন্দীদশা কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গেল ৯১ জন মৎস্যজীবি তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কৃষি সরঞ্জাম উদ্ধার এবার থেকে সরাসরি রেলপথে গঙ্গাসাগর? অবশেষে দিল্লির জন্তর মন্তর এ ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে উচ্ছেদ বই-ভব পাবলিশার্সের আয়োজনে বহু গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জয়নগর থেকে সুন্দরবন, বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতায় ব্যাপক উদ্যোগ ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলার মাস্টারমাইন্ড শওকত মোল্লার খোঁজে এনআইএ গধেয়ারকুঠি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভূতের আতঙ্কে চাঞ্চল্য! বিশ্ব পরিবেশ দিবসের রাতেই, গয়েরকাটায় রাতারাতি উধাও সেগুন গাছ ডোমকলে তৃণমূল নেতা বাসীর মোল্লা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন মাল ব্লক, ভোগান্তিতে রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের বাসিন্দারা কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ইউনিটের উদ্বোধন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানার বহরমপুরে আরএসপির মিছিল ও বিক্ষোভ বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির অনাস্থা আনলো জাতীয় কংগ্রেস ঘাস কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের হামলায় জখম অন্নপূর্ণা যোজনার প্রায় ২৮ লক্ষ উপভোক্তার হাতে সার্টিফিকেট প্রদান কুলতলিতে পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ত্রাণ ও অস্ত্র উদ্ধার নরেন্দ্রপুরের গড়িয়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ২ কুলতলিতে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য সুন্দরবনে তিন দিনে তিন জন বাঘে আক্রান্ত, দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবি এপিডিআরের বারুইপুর পৌরসভার সামনে জলকষ্ট ও নিকাশি সমস্যা নিয়ে বিজেপির বিক্ষোভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা

প্রাচ্যের মধ্যে নয় বলেই জটিল আবর্তে মধ্যপ্রাচ্য

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:১৯ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:১৯

গাজা-সহ ফিলিস্তিন তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল পাশ্চাত্য সভ্যতার সাহায্য ও সহযোগিতায় গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যে ক্রমাগত ধ্বংসলীলা ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ওপর দুই ধরনের চিন্তা-ভাবনা ও জ্ঞান-গবেষণা আছে। একটি হল পাশ্চাত্য সভ্যতার সেক্যুলার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে প্যান ইসলামিজমে জমতে না পারে।

আরও পড়ুন:

এটা শুধু ইসরাইলের বিষয় নয়, বিষয়টি তথাকথিত সেক্যুলার বিশ্বের। তাদের স্বার্থ এখানে দারুণভাবে জড়িত। মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, পশ্চিমারা তেমনি মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া বাঁচতে পারে না, পারবে না। তাই ওরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর ঠিকা নিয়ে বসে আছে। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোকে যেমন খুশি তেমন সাজাচ্ছে। যেমন খুশি তেমন যুদ্ধ করছে। কেউ বলার নেই।

আরও পড়ুন:

কোনো দেশকে রাজতান্ত্রিক, কোনো দেশকে সমাজতান্ত্রিক এবং কোনো দেশকে সেনাতান্ত্রিক করা হয়েছে। এ সবের কারিগর বা নাটের গুরু পশ্চিমারাই। পাশ্চাত্য সভ্যতাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ সভ্যতা হল গির্জা ও রাজার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ধর্ম থেকে দূরে চলে যাওয়া নাসারা ও ইহুদিদের মনগড়া কথিত সম্মিলিত সভ্যতা। এসব আসলে সভ্যতা নয়, বরং অসভ্যতা। এই তথাকথিত সভ্যতা আবার দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, ক্যাপিটালিজম (পুঁজিবাদ) ও কমিউনিজম (সমাজতন্ত্র)।

আরও পড়ুন:

ক্যাপিটালিজমের কেন্দ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কমিউনিজমের কেন্দ্র ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই মতবাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ-বিসম্বাদ লেগেই ছিল। কিন্তু অবাক করা কাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির জন্য পুঁজিবাদের সর্দার বা মাতব্বররা মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের সর্দার সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুযোগ করে দিয়েছিল। এ সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার কারণে কমিউনিজম অন্তত দুটি দেশের ওপর নিজেদের লাঠি ঘোরাতে পেরেছিল। ইরাক ও লিবিয়া। দেশ দুটি ছিল বলতে গেলে সেনাতান্ত্রিক। পাশ্চাত্য সভ্যতা ভালভাবে উপলব্ধি করেছে, রাজতন্ত্র এবং সামরিকতন্ত্রকে বজায় রাখলে তাদের অনেক বেশি সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন:

একটি দেশের রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এই দুই ধরনের দেশের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা খুব সহজ। চুটকিতে সবকিছু হয়ে যায়। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। নানা ছুতা-নাতায় এক মুসলিম দেশের সাথে আরেক মুসলিম দেশের যুদ্ধ প্রায় লেগেই ছিল। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। ফলে জামাল উদ্দিন আফগানির প্যান ইসলামিজম ষাটের দশকের মধ্যে ঝিমিয়ে পড়ে। দুনিয়ার মুসলিম এক হও… আরো কিছুদিন পাক-ভারত-বাংলাদেশ উপমহাদেশে উচ্চকিত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এই স্লোগানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। দেশভেদে তারা তাদের মতো যুদ্ধ ও শান্তি বজায় রেখে কোনো না কোনোভাবে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখে চলছিল। যেটা ইসলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।

আরও পড়ুন:

যদিও মুসলিম দেশগুলো তাদের বন্ধু সেক্যুলার রাষ্ট্রের কর্ণধারদের উপদেশ ও পরামর্শে বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক বা মুসলিম সংগঠনের অস্তিত্ব সবসময় বজায় ছিল। কিন্তু কার্যত কোনো সংগঠনেই ব্যাপক অর্থে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতার মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা নির্মাণের জন্য, বাড়িঘর তৈরির জন্য এবং শ্রমিক-সহ নিম্নশ্রেণির মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বেশ কিছু কাজ করেছে। ইসলামের শ্রমনীতি মেনে একাজ হয়নি। এটা পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে হয়েছে। এই মুসলিম দেশগুলো শুধু মুসলিমদের কর্মসংস্থান করে, এমনটা নয়। মুসলিম উম্মাহর সদস্য হওয়া আর মুসলিম দেশের জনগণকে সাহায্য-সহযোগিতা করা এক বিষয় নয়। দুটিকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।
পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের সাথে মুসলিম দেশগুলোর চুক্তি আছে। তারপর এক এক করে প্রায় শেষ হয়ে গেল আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিন-সহ কত দেশ! কিন্তু ইসরাইলের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অথচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গৃহযুদ্ধ লাগানোর সকল অপকর্ম চালিয়ে এসেছে পশ্চিমারা। নিজদের অস্ত্রের গোডাউন খালি করার জন্য এবং নতুন নতুন অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের জন্য যুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রেখেছে তারা। তাদের প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলোর সরকার পরিবর্তন বা উৎখাত করতে তারা যত রকম নষ্টামি করেছে। প্রকাশ্যে যা করছে, তা হয়ত বিশ্ববাসী দেখছে। কিন্তু গোপনে যা করছে, তা সাধারণ মানুষ কিছুই টের পাচ্ছে না। যখন জানতে পারা যাচ্ছে, তখন সবকিছু শেষ। এভাবে তারা মিশর, সুদান, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে। ইরানকে ধ্বংস করার জন্য তারা প্রকাশ্য ও গোপনে যা করার, তা সবই করেছে এবং এখনও করছে।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতিকে হান্টিংটন বলেছেন, ‘ক্রাইসিস অব সিভিলাইজেশন’। কিন্তু আমরা তো কোনো তথাকথিত ক্রাইসিস দেখছি না। আমরা দেখছি ‘ডেমলিশিং অব আদার সিভিলাইজেশন’ হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে অন্য সভ্যতার এই ধ্বংসলীলা কার্যকর রয়েছে। যদি তাই না হবে, তাহলে সেক্যুলার সভ্যতা সবই মরীচিকা। প্রতিপক্ষ তো তৈরি করতে হবে। সেজন্যই দেশে দেশে তৈরি করা হচ্ছে ড্যামি প্রতিপক্ষ। এটা হল অতি সংক্ষেপে গত প্রায় ১০০ বছরের খতিয়ান।

আরও পড়ুন:

মুসলিম দেশগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা আল্লাহর সাথে মুনাফিকি করছে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য তারা শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। তাদের জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে লাখা লাখো বনি আদম শাহাদাত বরণ করছে। কিন্তু তাদের কোনো চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা অস্থির!

আরও পড়ুন:

পশ্চিমারা চোরকে বলছে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলছে সজাগ থাক। এখন গাজাকে পুরোপুরি কব্জা করে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এটা হলে তারা ক্রমে ফিলিস্তিন, তারপর প্রতিবেশি মুসলিম দেশগুলোকেও ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেবে। মহান আল্লাহর কঠিনতম শাস্তি বা আযাব গজব থেকে বাঁচতে হলে মুসলিম দেশগুলোকে তথাকথিত সেক্যুলার পশ্চিমা সভ্যতার ছোঁয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাওবাহ করে তাদের নিজস্ব জীবন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও ইসলামী সভ্যতার দিকে ফিরে আসতে হবে। আরব জাতীয়তাবাদ এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদকে ভুলে যেতে হবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। তবেই যদি মহান আল্লাহ মুসলিমদের সহায় রহবে, মুসলিম দুনিয়াকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder