BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

গ্রীনল্যান্ডে সবুজ সংকেত কে দিল?

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৪১ | আপডেট: ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৪৭
দুদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গ্রীনল্যান্ড নিয়ে পিছু হটার জায়গা নেই। বৃহস্পতিবার দাভোসে 'ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম'-এ যোগ দেবার পথে ট্রাম্প আবার স্পষ্ট করে দেন, গ্রিনল্যান্ড দখল বা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা থেকে একচুলও সরছেন না। যেন তেন প্রকারে, এমনকি প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও গ্রিনল্যান্ড দখল তিনি করবেনই। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এটা জরুরি।

দুদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গ্রীনল্যান্ড নিয়ে পিছু হটার জায়গা নেই। বৃহস্পতিবার দাভোসে ‘ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম’-এ যোগ দেবার পথে ট্রাম্প আবার স্পষ্ট করে দেন, গ্রিনল্যান্ড দখল বা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা থেকে একচুলও সরছেন না। যেন তেন প্রকারে, এমনকি প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করেও গ্রিনল্যান্ড দখল তিনি করবেনই। আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এটা জরুরি। কারণ, ট্রাম্পের নীতি হল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ এবং তাঁর ব্রত, ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’। সব আন্তর্জাতিক আইন-কানুন, রীতিনীতিকে অমান্য করে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশকে গায়ের জোরে কেড়ে নেবার এমন হুমকি বিশ্ব রাজনীতি ও কূটনীতিতে বিরল দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুন:

এর জন্য ট্রাম্প যে ছেলেমানুষি বা মনগড়া অজুহাত খাড়া করছেন, সেটা হল চীন-রাশিয়া নাকি গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। তাদের হাত থেকে ডেনমার্ক নাকি গ্রিনল্যান্ড রক্ষা করতে পারবে না। তাই ট্রাম্প আগেভাগে গ্রিনল্যান্ডকে পকেটস্থ করে নিতে চান। যদিও চীন বা রাশিয়া কোনোদিন তাদের এমন আকাঙ্ক্ষার কথা কখনও ব্যক্ত করেনি। আসলে দুরাত্মার ছলের অভাব হয় না।

আরও পড়ুন:

বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনস্ত একটি স্বশাসিত অঞ্চল। চির তুষারাবৃত দ্বীপটিতে বাস করেন মত্র ৫৮ হাজার মানুষ। মার্কিন নেতৃত্বে পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটের সদস্য ডেনমার্কও। ন্যাটো চুক্তির অন্যতম প্রধান বিষয় হল, তাদের কোনো সদস্য দেশ বহিঃশত্রু দ্বারা আক্রান্ত হলে ন্যাটো সদস্যরা সবাই একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়বে। সেই নিয়ম অনুযায়ী গ্রিনল্যান্ড তথা ডেনমার্ক চীন-রাশিয়া দ্বারা আক্রান্ত হলে আমেরিকার নেতৃত্বে গোটা ইউরোপ তথা ন্যাটো পালটা আক্রমণে নামবে। তাহলে রাশিয়া-চীন কর্তৃক গ্রিনল্যান্ড দখলের আশঙ্কা অমূলক।

আরও পড়ুন:

ন্যাটো চুক্তির দৌলতে ইউরোপের প্রায় সব দেশেই রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি। পেন্টাগনের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্যে আছে ইউরোপ। এমনকি গ্রিনল্যান্ডেও আছে মার্কিন বিমান ঘাঁটি ও নৌঘাঁটি। মার্কিন সেনারা ইতিমধ্যেই প্রবলভাবে গ্রিনল্যান্ডে মোতায়েন আছে। চীন-রাশিয়া দখল করলে আমেরিকার সঙ্গে গোপন আঁতাত করেই তা করতে হবে। সেটা নিতান্তই বাতুলতা। চীন-রাশিয়ার গ্রিনল্যান্ড দখলের কোনও প্রশ্নই নেই; বরং গ্রিনল্যান্ড দখলে মরিয়া এবং বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন খোদ ট্রাম্প। দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেই সমস্ত আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে মাফিয়ার মতো ঔদ্ধত্য আচরণ শুরু করেছেন ট্রাম্প। কানাডা, মেক্সিকো, গ্রিনল্যান্ড, গাজা, পানামা খাল দখলের হুমকি লাগাতার দিয়ে চলেছেন। কেশর ফুলিয়ে এও বলেছেন, তার গ্রিনল্যান্ড দখল প্রক্রিয়ায় যে বাধা দেবে তার গায়ে গুড় দিয়ে চাঁটবেন না। ইতিমধ্যে ফ্রান্স, জার্মানি-সহ ৮ ইউরোপীয় দেশের বিরুদ্ধে শুল্ক অস্ত্র প্রয়োগ করেছেন। অথচ জি-৭ এর সদস্য দেশ কানাডা, মেক্সিকো হল লাতিন আমেরিকার একটি স্বাধীন দেশ, বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের অধীনস্ত একটি স্বশাসিত অঞ্চল, গাজা হল মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ফিলিস্তিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, পানামা হল কানাডার মতোই উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্গত একটি স্বাধীন ক্ষুদ্র দেশ। এইসব দেশ ও অঞ্চলকে ট্রাম্প তার দেশের সঙ্গে জুড়ে নিয়ে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ করতে চান। একইভাবে ব্রিটেন, ফ্রান্সের মতো একদা ঔপনিবেশিক দেশগুলো যদি তাদের পুরনো অধীনস্ত দেশগুলোকে টেনে নিতে চায়, তাহলে কী হবে? ঝুড়ি-কোদাল নিয়ে ট্রাম্প বাবাজীকে এসব কে বোঝাবে? উল্লেখ্য, ১৬০৭ থেকে ১৭৮৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭৬ বছর ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল আমেরিকা। তার বেলায় কী হবে? ট্রাম্প কি ঘুণাক্ষরেও এসব ভেবেছেন?

আরও পড়ুন:

ট্রাম্পের এমন একতরফা হুমকিতে ইউরোপজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ৭০ বছরের ন্যাটো জোটে ভাঙনের আভাস উঁকি মারছে। ট্রাম্পের হুমকিতে ইউরোপের সার্বভৌমত্বই শুধু বিপন্ন নয়, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থার মৌলিক ধারণা ও কাঠামোকেই ট্রাম্প লংঘন করতে শুরু করেছেন। অর্থহীন করে দিতে চাইছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘকেও। তিনি আমেরিকাকে বিশ্বগুরুর আসনে বসাতে কোনকিছুর তোয়াক্কা করছেন না। পুঁজিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ, উগ্র শ্বেতাঙ্গবাদ ও যায়নবাদের সমন্বয়ে ককটেল মার্কা নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার রচনা করতে চাইছেন ট্রাম্প। একবিংশ শতাব্দীতে যা হবে আধুনিক সাম্রাজ্যবাদী রাজতন্ত্র।

আরও পড়ুন:

ট্রাম্পের সাম্রাজ্য বিস্তারের সেই ঔপনিবেশিক যুগের ধ্যানধারণা আজো বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন। তাই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের একচ্ছত্র দাপট দেখাতে তিনি সমরশক্তির প্রদর্শনে মেতেছেন। নিজ দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নাম বদলে করেছেন যুদ্ধ মন্ত্রক। রণংদেহী ট্রাম্পের মতে, প্রতিরক্ষা বা আত্মরক্ষা নয়, এখন চাই পুরোদমে যুদ্ধ। যেহেতু তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি, তাই তিনি আর শান্তি নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে রাজি নন। কিন্তু তিনি ইতিহাস জানেন না। গত শতাব্দীতে ভিয়েতনাম যুদ্ধে মার খেয়ে এবং চলতি শতাব্দীতে দু-দশকের ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধে ব্যর্থ হবার পর মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ট্রাম্পের হাত ধরে পুনরায় পুনরুজ্জীবিত হতে চাইছে। তাই ইউরোপকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে হচ্ছে। তিনি চাইছেন একমেরু বিশ্ব গড়তে। তাই ইউরোপকে দুর্বল করতে সচেষ্ট হয়েছেন। ২৭ সদস্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ভেঙে টুকরো করতে অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন। নাহলে তার ঠাটবাট বজায় রাখা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:

আসল কথা দুটি তো নয়, একটিই মোটে। সেটা হল বিপুল মজুত খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে বিরল ধাতু এই অফুরন্ত সম্পদের দখল নিতেই ট্রাম্পের মাথায় গ্রিনল্যান্ড দখলের কীটপতঙ্গ কিলবিল করছে। সাম্রাজ্যবাদের আঁতুড়ঘরেই এখন আমেরিকা বনাম ইউরোপ যুদ্ধের দামামা বাজছে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder