BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

অশ্বডিম্ব প্রসব পুতিন-ট্রাম্প বৈঠকে, তিন বছরের যুদ্ধ থামাতে ব্যর্থ তিন ঘণ্টার মিটিং

প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৫, সকাল ১০:২৮ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৫, সকাল ১০:২৮

নতুন পয়গাম, আলাস্কা: শেষ হয়েও হইল না শেষ। টানা তিন ঘণ্টা চলল রুদ্ধদ্বার বৈঠক। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে দীর্ঘ প্রায় ৯০ মিনিটের মুখোমুখি আলোচনাতেও রাশিয়া বনাম ইউক্রেন যুদ্ধে বিরতির লক্ষ্যে কোন চুক্তি হল না। জটও কাটল না। যদিও ট্রাম্প বরাবরের মতোই এই বৈঠককেও ‘অত্যন্ত চমৎকার’ বলে অভিহিত করেছেন। তবে এদিন আমেরিকার আলাস্কায় এই বৈঠকই শেষ নয়। দ্বিতীয় দফায় আবার অন্য কোথাও দুজনে একান্তে বৈঠকে মিলিত হবেন বলে হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর।

আরও পড়ুন:

এদিন বৈঠক শেষে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ‘অনেক বিষয়েই আমরা একমত হয়েছি। তবে সবথেকে বেশি যে দুটি বিষয়ের ওপর আমরা নজর রেখেছিলাম, তার সমাধান মেলেনি। কিন্তু কিছুটা এগোনো গিয়েছে। বলা যায়, ততক্ষণ চুক্তি হবে না, যতক্ষণ আমরা ঐক্যমত্যে পৌঁছাই। তবে কয়েকটা বিষয় বাকি আছে। তার মধ্যে কিছু অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটাই। আর তার সমাধান হওয়ার খুব ভাল সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেটা এখনও করতে পারিনি।”

আরও পড়ুন:

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রথম বার প্রেসিডেন্ট হয়ে ট্রাম্প উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের সঙ্গে সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে দুই দফায় বৈঠক করেও সমঝোতা হয়নি। কিমের দেশ উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত করানোর চুক্তিতে শেষমেষ সই করাতে ব্যর্থ হন ট্রাম্প। সেই বৈঠকের আগে কিমকে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, আমার কথা শুনলে সমঝোতা করলে পিয়ংইয়ং মালামাল হয়ে যাবে। নাহলে গাদ্দাফির মতো গর্দান যাবে। কিন্তু এমন প্রাণঘাতী হুমকি দিয়েও কিম জং-এর জং ছাড়াতে পারেননি ট্রাম্প। কারণ, কিমের কূটনৈতিক অভিভাবক হল চীন ও রাশিয়া। ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে দুবারই পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রায়াল দিয়ে নিয়েছিলেন কিম। তাতেই গর্দান শক্ত হয় কিমের। তাই ট্রাম্প সেবার কিমের মাথা নোয়াতে পারেননি। যদিও উভয় বৈঠকের পরেই ট্রাম্প স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বলেছিলেন, বিশ্ববাসী এবার নিশ্চিন্তে ঘুমাবে। আর কোন চিন্তা নেই। উত্তর কোরিয়ার পরমা্ণু অস্ত্রে লাগাম পরানোর ব্যবস্থা নাকি তিনি করে ফেলেছেন।

আরও পড়ুন:

কিন্তু পরে জানা যায়, ছাইয়ের মাথা। চুক্তির ব্যাপারে কিমের মাথা নোয়াতে পারেননি ট্রাম্প। কিম রীতিমতো কিং হয়েই ট্রাম্পের সামনে পাদুকা পুরাণ দুলিয়েছেন। এই স্পর্ধা দেখে অবাক হয়ে যান ট্রাম্প। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন হল, ২০১৫ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ঐতিহাসিক পরমাণু চুক্তিতে সই করেছিল ইরান এবং নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য দেশ। আমেরিকা, ব্রিটেন, চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স ছাড়াই সই করেছিল জার্মানি, রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্ত আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সংস্থা আইএইএ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। কিন্তু প্রথমবার মসনদে বসে সেই চুক্তি ছেড়ে একতরফা বেরিয়ে যান ট্রাম্প। আজো সেই চুক্তি বিকল হয়ে পড়ে আছে ট্রাম্পের জিদ ও হঠকারিতার কারণে।

আরও পড়ুন:

যাহোক, এদিন বিশ্বজুড়ে ট্রাম্পের শুল্ক-বাণ নিয়ে যে পরিস্থিতি, তাতে যুযুধান দু’পক্ষ ট্রাম্প-পুতিনের এই বৈঠক যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তা নিয়ে সংশয়ের বিন্দুমাত্র অবকাশ নেই। বৈঠক থেকে বহু দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানের আশা ছিল। তার মধ্যে প্রধান অবশ্যই রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধে স্থায়ীভাবে ছেদ টানা। কিন্তু সবথেকে আশ্চর্যজনক ঘটনা হল, এদিনের বৈঠকে ইউক্রেনকে ডাকাই হয়নি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ না জানানোয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন যথেষ্ট আপত্তি করেছে। বিবদমান দু’দেশের মধ্যে যখন যুদ্ধবিরতি নিয়েই আলোচনা, তখন একপক্ষকে অন্ধকারে রেখে কীভাবে সিদ্ধান্ত হবে?

আরও পড়ুন:

ট্রাম্প বার বার দাবি করেছেন, ২০২২ সালে ক্ষমতায় থাকলে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিনি যুদ্ধ হতেই দিতেন না। শুক্রবারের সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত সেই দাবিকেই মান্যতা দিলেন পুতিন। তাছাড়া এবার ২০ জানুয়ারি ২০২৫ শপথ নিয়েই ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি যুদ্ধ বন্ধ করবেন। কিন্তু এখনও সমানে চলছে গাজায় একবগ্গা ইসরাইলি যুদ্ধ এবং অন্যদিকে রাশিয়া বনাম ইউক্রেন যুদ্ধ। ইদানীং আবার নতুন করে শুরু হয়েছে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ। গাজায় যুদ্ধ অত সহজে থামবেও না। কারণ, ইসরাইলকে রীতিমতো অস্ত্র ও অর্থ সাহায্য দিয়ে চলেছে আমেরিকা। পুতিন তো ট্রাম্পের ‘ঘরেলু আদমি’ এবং ‘কাছের মানুষ, কাজের মানুষ’। তাই তো গতবার অরাজনৈতিক ধনকুবের ট্রাম্প কীভাবে নির্বাচনে জিতেছিলেন, তার পিছনে আজো রহস্য লুকিয়ে আছে। পুতিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাইবার হ্যাক করে নাকি সেবার ট্রাম্পকে জিতিয়ে দিয়ে হোয়াইট হাউসের চাবিকাঠি তুলে দিয়েছিলেন। সেই নিয়ে মার্কিন মুলুকে অনেক জলঘোলা হয়েছে। কিন্তু ট্রাম্প কিংবা পুতিন কারো সাজা হয়নি। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে এসেছেন। থাইল্যান্ড বনাম কম্বোডিয়া সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকা ও চীনের দড়ি টানাটানি। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দুটি ছোট দেশকে কে পকেটে পুরে রাখবে, সেই নিয়ে কার্যত ট্র্যাপিজের খেলা চলছে ট্রাম্প ও জিনপিংয়ের মধ্যে। সুতরাং যুদ্ধ থামার কোন লক্ষণ নেই, কারণও নেই। মাঝখান থেকে অস্ত্রের সওদাগর পশ্চিমা দেশগুলো বিপুল মুনাফা করছে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder