BREAKING:
আবর্জনার স্তূপে শ্বাসরুদ্ধ কুমলাই, ৪৮ নম্বর সড়ক অবরোধে নাগরিক মঞ্চের বিক্ষোভ সারবোঝাই ট্রাক নয়ানজুলিতে, অল্পের জন্য প্রাণ রক্ষা চালকের নলহাটিতে অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল বার্তা ময়দায় কংক্রিটের রাস্তা ও কবরস্থানের প্রাচীর নির্মাণের সূচনা, উপস্থিত জয়নগরের বিধায়ক আবর্জনার স্তূপে শ্বাসরুদ্ধ কুমলাই, ৪৮ নম্বর সড়ক অবরোধে নাগরিক মঞ্চের বিক্ষোভ জোড়াসাঁকোয় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহোৎসবে কলম শিল্পী গ্র্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ খোশবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথ দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দন্ত চিকিৎসক বসিরহাট দরবার শরিফে হুমায়ুন কবীর, পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা লাল বালির চড়া দাম, গ্রামবাসীদের ভরসা পাথরের গুড়ো   রমজানে অসহায়দের পাশে আল হোসাইনী হেল্প ফাউন্ডেশন সুন্দরবনের লবণাক্ত মাটিতে সূর্যমুখী চাষে সাফল্য, লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা হুগলি জেলায় এসআইআর এর প্রথম পর্যায়ের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলি কাদরি  বন্যপ্রাণীর উপদ্রব রুখতে তৎপর বনদপ্তর উত্তাপহীন ডার্বিতে মহামেডানকে ৫ গোলে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান মরণবাঁচন ম্যাচে আজ সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিততেই হবে ভারতকে রাজনগরে চাঞ্চল্য: গাংমুড়ি গ্রামে বাড়ির ভিতর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার মোবাইল গেম খেলতে খেলতেই নিভে গেল ২১ বছরের তরতাজা প্রাণ  মুর্শিদাবাদের মুকুটে নতুন দুই পালক, বিশ্ববিদ্যালয় ও কাটরা মসজিদের তোরণ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম! রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিশটি আসনে লড়বে পুকুর খনন করার সময় প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হল পান্ডুয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা। রানে ফিরলেন অভিষেক, জয়ে ফিরলো ভারত; বেঁচে রইলো সেমির স্বপ্ন এসআইআর  ইস্যুতে আতঙ্ক নয়, আইনি পথে আপিলের আহ্বান মিল্লি ঐক্য মঞ্চের কালিয়াচক আবাসিক মিশনে বিজ্ঞান বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন, উৎসাহ চোখে পড়ার মতো পরীক্ষার দিন আচমকা মৃত্যু অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের, শোকস্তব্ধ সোনারপুর নাবালিকাকে বিবাহের অভিযোগে জয়নগরে গ্রেপ্তার যুবক জয়নগরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, আহত তিন শ্রমিক নেতা মহম্মদ ওয়েস এর নেতৃত্বে বড়জোড়ায় বিরাট মিছিল কুলতলির বিধায়কের উপস্থিতিতে ঢালাই রাস্তার কাজের সূচনা হলো নলগোড়ায় ঘুটিয়ারীশরিফে পুলিশের তৎপরতায় ৫৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে উদ্যোগ সুন্দরবনে বাঘের হামলায় ফের মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণের দাবি এসআইও নিয়ে মিথ্যা মন্তব্যের প্রতিবাদে কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন জামাআতে ইসলামী হিন্দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ বই হোক সই, বইয়ের জন্য করিমপুরে পথে হাঁটল শত শত মানুষ রমজান মাসে ৩০০ দুস্থ পরিবারের পাশে সমাজসেবী হাফেজ নজরুল ইসলাম অবশেষে ধুলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে বাংলা স্থান পেল  মুর্শিদাবাদে দুই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস ২৮ ফেব্রুয়ারি ভাঙড়ে ২৮ টি তাজা বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার দুই জন্মদিনে অবহেলিত ভূদেব মুখোপাধ্যায়, তালাবন্ধ গ্রীলে মালা ঝুলিয়ে জন্মদিন পালন করল বিজেপি বালিভর্তি ট্রাক চলাচল ঘিরে উত্তেজনা, সোনামুখীতে গ্রামবাসীর রাতভর বিক্ষোভ বসিরহাটে দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, তৃণমূলের সভায় বহু নেতার যোগদান ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে বড় ভাঙন কুলতলীতে কালিয়াচকের বাহাদুরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চুঁচুড়ায় সোমবার সাতসকালে পথ দুর্ঘটনা, জখম যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক নিহত সেনা জওয়ানের মরদেহ পৌঁছাল শেখপাড়ার বাড়িতে ব্লক প্রাণিসম্পদ বিকাশ দিবস পালিত জয়নগরে অনলাইন বাণিজ্যের প্রসারে ক্ষুদ্র ব্যবসা চাপে: মত বড়জোড়া চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা উত্তরলক্ষীপুরের গর্ব: প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হতে চলেছেন ডা: মোবারাক হোসেন পুনরাবৃত্তি চায় ভারত, দক্ষিন আফ্রিকা চায় প্রত্যাবর্তন; সুপার এইটে আজ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই টানা দুই ম্যাচে জয় ইস্টবেঙ্গলের, দুই ম্যাচেই জোড়া গোল ইউসুফের বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ আজ শুরু সুপার এইটের লড়াই, প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি পাক বনাম নিউজিল্যান্ড আজ ইস্টবেঙ্গলের সামনে স্পোর্টিং দিল্লি, ভরসার নাম ইউসুফ আজ্জেরি প্রত্যাশিত হার, ঘরের মাঠে মহামেডান বধ এফসি গোয়ার ১৫ বছরেও শেষ হয়নি বক্সীপুর ব্রিজ নির্মাণ কাজ, জনস্বার্থ মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে করিমপুর এলাকাবাসীকে বহরমপুর যেতে আর পেরুতে হবেনা বিপদ সংকুল রাস্তা এসআইআর এর চাপ, শ্রীরামপুরে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলও’র ছেলেধরা সন্দেহে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় বলাগড়ে ২৫ জন দোষীকে সাজা শোনালো চুঁচুড়ার ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট বেআইনি মাটির গাড়ির ধাক্কায় ২ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে জি-প্লটের আদিবাসী শিশুরা  জল্পনার অবসান, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাম যুব নেতা প্রতীক উর রহমান কনকচূড় ধানের চাল পেল জাতিসংঘের ঐতিহ্য স্বীকৃতি, খুশির হাওয়া জয়নগর জুড়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন-এনজিওর যৌথ উদ্যোগে সচেতনতা শিবির ঘোড়ামারা দ্বীপ রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের, গঠিত হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি শেষ সময় ঘনাতেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম জমায় দীর্ঘ হচ্ছে লাইন পখন্না রামকৃষ্ণ আশ্রমে শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯১তম জন্মতিথি উদ্‌যাপন বড়জোড়া কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবু: সংগঠন, সংগ্রাম ও সেবার রাজনীতি সোনার প্রতিমার প্রলোভনে ১১ লক্ষ টাকার প্রতারণা ঘুঁটিয়ারীশরিফে পুলিশের সাফল্য: ২৪ চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার হুগলি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে খাদ্য সুরক্ষা মেলা’য় সুষম খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ  উলুবেড়িয়ায় ১৫ টিয়া উদ্ধার, আন্তরাজ্য পাখি পাচারচক্রের সদস্য গ্রেফতার সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য ধূপগুড়িতে কাবিলপুর হাই স্কুলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস ঘটা করে উদযাপন পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ জয়নগরে ২০২৬ নির্বাচন ঘিরে ফারাক্কায় জোর চর্চায় রেহেনা ইয়াসমিন  পিতা-মাতার স্মৃতিতে আট দিনব্যাপী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন পুলিশকর্মী ছেলের উদ্যোগে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের মৃত্যু মিছিল থামছেই না, সরকারি ক্ষতিপূরনের দাবি মাটি, মানুষ ও সংগঠন: রাবিউল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন দুবে ঝড়ে উড়ে গেল নেদারল্যান্ডস, বোলিংয়ে নায়ক বরুণ হঠাতই ব্যাটিং বিপর্যয়, রঞ্জি থেকে বিদায় বাংলার ফারহানের দুরন্ত সেঞ্চুরি, সুপার এইটে পাকিস্তানও ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে আজ নামিবিয়ার মুখোমুখি পাকিস্তান সামির ৮ উইকেটেও, ব্যাটিং বিপর্যয়ে হারের মুখে বাংলা চুঁচুড়ায় প্রার্থী ঘোষণার আগেই দেওয়াল লিখনে জোর তৃণমূল, পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির কুলতলিতে আয়ুষ মেলা: বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ রানীনগরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীসভা ও জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে উপচে পড়া ভিড়  কৃষকদের সমস্যা সমাধানে চালু ‘ভারত বিস্তার’ এআই টুল গোবর্ধনডাঙ্গায় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী সভা কাবিলপুরে মানব সেবা ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু মালদা জেলায় হাই মাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন পা দিয়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মানকুন্ডুতে সারা বাংলা একদিনের দাবা প্রতিযোগিতা মেরা যুব ভারতের উদ্যোগে মগরাহাটে জেলা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অপসংস্কৃতির স্রোতের বিপরীতে নাট্যচর্চার বার্তা – বাগনানে তিনদিনের নাট্য উৎসবে নজর কাড়ল বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব দ্বীপাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ: আমতায় নির্মীয়মাণ কংক্রিটের সেতুতে বাড়ছে আশার আলো মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কলকাতায় স্কুল ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা জীবনে কিছু জায়গা থেকে চুপচাপ সরে আসতে হয়

অমুসলিমদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় বিশ্বনবী (সা.)

প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৫ | আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ১০:৪৫

এস. ইসলাম

আরও পড়ুন:

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল মুসলমানদের জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য প্রেরিত হয়েছিলেন। তিনি আল্লাহর কাছ থেকে যে শিক্ষা লাভ করেছিলেন, তা কেবল একটি ধর্মীয় জীবনপদ্ধতি নয়; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক সভ্যতার দিকনির্দেশনা। মানবতার বন্ধু হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এমন এক সময়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন, যখন আরব উপদ্বীপ গোত্রবাদ, ভেদাভেদ, নিপীড়ন এবং জুলুমে জর্জরিত ছিল। দুর্বল ও সংখ্যালঘু মানুষ, বিশেষ করে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা ছিল চরম অনিরাপদ। এমন বাস্তবতায় তিনি যে আদর্শ সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাতে ভিন ধর্মের মানুষরা প্রথম বারের মতো অধিকার ও মর্যাদার নিশ্চয়তা লাভ করে।

আরও পড়ুন:

নবী (সা.)-এর শিক্ষা কুরআনের আলোকে গড়ে উঠেছিল। কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ঘোষণা করেন: “ধর্মের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই।” (সূরা বাকারা: ২৫৬)। “তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম।” (সূরা কাফিরুন: ০৬)। “হে মানবজাতি! আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অপরকে চিনতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে সবচেয়ে সম্মানিত সেই ব্যক্তি, যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান।” (সূরা হুজুরাত: ১৩)। এসব আয়াত দেখায়, ইসলাম কোনো জাতি, গোত্র বা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষের শিক্ষা দেয় না; বরং মানবিক মর্যাদাকে সবার উপরে স্থান দিয়েছে ইসলাম। নবী করিম (সা.) এই শিক্ষাকে সমাজে বাস্তবায়ন করেছেন।

আরও পড়ুন:

মহানবী (সা.) মদিনায় হিজরত করার পর মুসলমান, ইহুদি ও অন্যান্য গোত্রকে নিয়ে একটি লিখিত চুক্তি করেন। এটি ইতিহাসে প্রথম সংবিধান হিসেবে পরিচিত। ‘মদিনা সনদ’ নামে খ্যাত এই দলিলে বলা হয়েছিল, প্রত্যেক সম্প্রদায় তাদের ধর্ম পালনে স্বাধীন থাকবে। সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। কোনো গোষ্ঠী আক্রমণের শিকার হলে অন্যরা তাকে সহযোগিতা করবে। কারো জান-মাল ও সম্মানের উপর আঘাত করা যাবে না। এটি ছিল এক অনন্য উদাহরণ, যেখানে বহু ধর্ম ও বহু গোত্র এক রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে মর্যাদা ও নিরাপত্তা লাভ করেছিল।

আরও পড়ুন:

নবী করিম (সা.) কখনো কাউকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেননি। তিনি মক্কায় থাকাকালীন নির্যাতন সহ্য করেছেন, তবুও কারো ওপর প্রতিশোধ নেননি। মদিনায় রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করার পরও তিনি ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের নিজ নিজ ধর্ম পালনে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেন। কুরআনে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে: “যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে সবাইকে একই উম্মত বানাতেন। কিন্তু তিনি চেয়েছেন তোমাদেরকে পরীক্ষা করতে। সুতরাং তোমরা ভাল কাজে প্রতিযোগিতা করো।” (সূরা আল মায়েদা: ৪৮)। এই আয়াতের আলোকে নবী (সা.) অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি সহনশীলতা ও সম্মানের শিক্ষা দেন।

আরও পড়ুন:

প্রিয় নবী (সা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিক (জিম্মি)-কে কষ্ট দেয়, তার অধিকার হরণ করে বা তার ক্ষতি সাধন করে, আমি কেয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে দাঁড়াব।” (আবু দাউদ, নাসায়ী)। এ ছিল এক যুগান্তকারী ঘোষণা। তখনকার সমাজে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা নিপীড়িত ছিল। অথচ নবী (সা.) তাদের সুরক্ষার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিলেন এবং অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে বিচার দিবসে সাক্ষ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন।

আরও পড়ুন:

নবী (সা.) ইন্তেকালের সময় তাঁর বর্ম এক ইহুদির কাছে জামানত রাখা ছিল। এটি প্রমাণ করে, তিনি ভিন্ন ধর্মাবলম্বীর সঙ্গে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। অনেক ইহুদি নারী-পুরুষ তাঁর কাছে ন্যায়বিচারের আশায় আসত এবং তিনি তাদের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে সমাধান করতেন। প্রতিবেশী অমুসলিম হলেও নবী (সা.) তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতেন। হাদিসে তিনি বারবার প্রতিবেশীর হক আদায়ের ব্যাপারে জোরালো নির্দেশ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:

নবী (সা.) যুদ্ধের সময় কঠোর নিয়ম দিয়েছিলেন, যেমন- নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও ধর্মীয় পণ্ডিতদের ক্ষতি না করা। উপাসনালয় ধ্বংস না করা। অযোদ্ধাদের হত্যা না করা। এটি দেখায় যে, ইসলামের সমরনীতি কেবল প্রতিরক্ষা ও ন্যায়ের জন্য, কোনো ধর্মীয় নিপীড়নের জন্য নয়।

আরও পড়ুন:

বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণে নবী (সা.) বলেন: “হে মানুষ! তোমাদের প্রভু একজন, তোমাদের পিতা একজন। একজন আরবের উপর অনারবের, আর অনারবের উপর আরবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। শ্বেতাঙ্গের উপর কৃষ্ণাঙ্গের, কিংবা কৃষ্ণাঙ্গের উপর শ্বেতাঙ্গেরও কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়ায়।” এই ঘোষণা মানবিক মর্যাদার এমন এক চিরন্তন দলিল, যা জাতপাত, বর্ণ, গোত্র ও ধর্মের সব বিভাজনকে অস্বীকার করেছে।

আরও পড়ুন:

আজকের বিশ্বে মানবাধিকারের যে সনদ ১৯৪৮ সালে প্রণীত হয়েছে, তা মূলত ১৪০০ বছর আগে নবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর প্রদত্ত নীতির প্রতিধ্বনি। ভিন্ন ধর্মের মানুষদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর শিক্ষা আজও সমান প্রাসঙ্গিক।

আরও পড়ুন:

মহামানব মুহাম্মাদ (সা.) ছিলেন সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত। তিনি শুধু মুসলমানদের জন্য নয়; ইহুদি, খ্রিষ্টান, মজুসি, এমনকি অবিশ্বাসীদের প্রতিও ন্যায়বিচার ও মানবিক আচরণের শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি ধর্মীয় স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার, পারস্পরিক সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ভিত্তিতে একটি আদর্শ ও সুসংহত সমাজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর জীবন ও শিক্ষা প্রমাণ করে, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা মুসলমানদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে এবং তাদের অধিকার ও মর্যাদা ইসলামে সর্বদা সুরক্ষিত। তাই বলা যায়, শেষ পয়গম্বর মুহাম্মাদ (সা.) কেবল ধর্মীয় নেতা নন; বরং মানবাধিকারের সর্বজনীন রক্ষক। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করলেই পৃথিবীতে শান্তি, সম্প্রীতি, ন্যায় প্রতিষ্ঠা হওয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder