BREAKING:
ধুলিয়ানে অনুষ্ঠিত হল মুর্শিদাবাদ জেলা কবিতা কার্নিভাল, আয়োজনে ‘কবিতা কার্নিভাল’ ও ‘স্বপ্নের ভেলা’ সাহিত্য পত্রিকা বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট-এর সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা বড়জোড়া বিধানসভার বিধায়ক বিল্লেশ্বর সিংহ নিজে মাটি কেটে ১০০ দিনের কাজের সূচনা করলেন রক্তদানের মধ্যদিয়ে বিজয় উৎসব পালন করলো বিজেপি ধূপগুড়ি মহকুমা ডেকোরেশন লাইট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ২৩তম বার্ষিক সম্মেলন বারুইপুরে বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্টের সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা \\\\\\\\\\\\\\ সুরাবর্দী এভিনিউ-এর নাম পরিবর্তনের পিছনে ভাবনা সীমান্তের ঊর্ধ্বে মানব-মর্যাদা: জাতীয়তাবাদ ও বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবার প্রয়োজন তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙনে কোন দল সবথেকে বেশি লাভবান হতে পারে? ডিজিটাল অবসেশন, পর্নোগ্রাফি ও মাদকাসক্তি প্রতিরোধে কলকাতায় এসআইও-র গোলটেবিল বৈঠক আবাস যোজনার টাকা ও কাটমানি ফেরতের দাবিতে তৃণমূল নেতার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, উত্তেজনা কুলতলিতে থাইকা খ্যস্তা গেনু: মৃত্যু, স্মৃতি ও সময়ের গল্প সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে পটাশপুরে “বাঙালির মাংস-ভাত উৎসব” রাজনীতির অঙ্গনে ‘ডিম থেরাপি’; গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থী আইন কি সবার জন্য সমান, নাকি সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্যই শেষ কথা? জহর সরকার, নজরুল ইসলাম, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়রা বার্নি স্যান্ডার্স হওয়ার চেষ্টা করতে পারতেন প্রসঙ্গ: বাংলা ভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ দিবস কুলতলিতে বোমাবাজির ঘটনায় আটক ২ ২০২৫ সালের সাইন্যাপস্ পত্রিকা সম্মাননা পেলেন কবি বোধিসত্ত্ব মুখোপাধ্যায় স্বচ্ছ ভারত অভিযানে নজির বানারহাট থানার পুলিশের সরকারি উদ্যোগে প্রাকৃতিক কৃষি কর্মশালা জয়নগরে মারামারির ঘটনায় জয়নগরে গ্রেফতার এক যুবক ফুটপাত ও সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে কড়া পদক্ষেপ আলিপুরদুয়ারে নকল মদের কারখানায় পুলিশের হানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি জাতীয় কংগ্রেসে ফিরতে চান… ইসলাম ও শিশু-শ্রম: এক মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বাঙালি পরিচয়ের ইতিহাস: ভাষা, ধর্ম ও জাতিসত্তার সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বৈচিত্র্য ভারতের শক্তি হতে পারে, যদি সহাবস্থান বজায় রাখতে পারে শ্রমিক কর্মচারীর বেতন: ইসলামের দৃষ্টিতে এক অবিচ্ছেদ্য হক বিশ্ব সাইকেল দিবস পালনে স্কুল পড়ুয়ারা নানাই নদীর সেতু ভেঙে পড়াই জঙ্গল পথেই যাতায়াত বন্দীদশা কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরে গেল ৯১ জন মৎস্যজীবি তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কৃষি সরঞ্জাম উদ্ধার এবার থেকে সরাসরি রেলপথে গঙ্গাসাগর? অবশেষে দিল্লির জন্তর মন্তর এ ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে উচ্ছেদ বই-ভব পাবলিশার্সের আয়োজনে বহু গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে জয়নগর থেকে সুন্দরবন, বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতায় ব্যাপক উদ্যোগ ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলার মাস্টারমাইন্ড শওকত মোল্লার খোঁজে এনআইএ গধেয়ারকুঠি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভূতের আতঙ্কে চাঞ্চল্য! বিশ্ব পরিবেশ দিবসের রাতেই, গয়েরকাটায় রাতারাতি উধাও সেগুন গাছ ডোমকলে তৃণমূল নেতা বাসীর মোল্লা দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার টানা ভারী বৃষ্টিতে জলমগ্ন মাল ব্লক, ভোগান্তিতে রাজার চা বাগানের কেশর লাইনের বাসিন্দারা কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান ইউনিটের উদ্বোধন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানার বহরমপুরে আরএসপির মিছিল ও বিক্ষোভ বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির অনাস্থা আনলো জাতীয় কংগ্রেস ঘাস কাটতে গিয়ে চিতাবাঘের হামলায় জখম অন্নপূর্ণা যোজনার প্রায় ২৮ লক্ষ উপভোক্তার হাতে সার্টিফিকেট প্রদান কুলতলিতে পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ত্রাণ ও অস্ত্র উদ্ধার নরেন্দ্রপুরের গড়িয়ায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার ২ কুলতলিতে ১৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক আটক, এলাকায় চাঞ্চল্য সুন্দরবনে তিন দিনে তিন জন বাঘে আক্রান্ত, দ্রুত ক্ষতিপূরণের দাবি এপিডিআরের বারুইপুর পৌরসভার সামনে জলকষ্ট ও নিকাশি সমস্যা নিয়ে বিজেপির বিক্ষোভ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত

বাংলা দখল নয়; বাংলা গড়ার রাজনীতি চাই

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০২৬, রাত ১১:৩৮ | আপডেট: ১৪ মে ২০২৬, রাত ১১:৩৮

লেখক: সাহাজাহান জমাদার
শুধু একটি রাজ্য নয়, বাংলা এক ঐতিহাসিক ভূখণ্ড, এক সাংস্কৃতিক সভ্যতা, এক রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বহুত্ববাদী সহাবস্থানের এক দীর্ঘ ঐতিহ্য। এই বাংলাকে নিয়ন্ত্রণ করার আকাঙ্ক্ষা নতুন নয়। কখনও বিদেশি বণিকশক্তি বাংলাকে দখল করেছে সম্পদের জন্য, কখনও সাম্রাজ্যবাদী শক্তি বাংলাকে ব্যবহার করেছে বৃহত্তর শাসনের সোপান হিসেবে, আর আজকের দিনে রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাকে দখল করতে চায় ভোটের সমীকরণ, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র দখলের উদ্দেশ্যে। ফলে “বাংলা দখল” কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, এটি ইতিহাস, অর্থনীতি, সমাজ এবং ক্ষমতার সম্পর্কের এক গভীর বাস্তবতা।

আরও পড়ুন:

অষ্টাদশ শতকে বাংলা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সমৃদ্ধ অঞ্চল। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার উর্বরতা, নদীপথে বাণিজ্য, মসলিন ও সিল্ক শিল্প, কৃষি উৎপাদন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংযোগ, শিক্ষার ঐতিহ্য এবং নগর জীবনের বিকাশ বাংলাকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল। মুর্শিদাবাদ ছিল ঐশ্বর্যের প্রতীক, কলকাতা দ্রুত বাণিজ্যিক শক্তিকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছিল, নবদ্বীপ ছিল জ্ঞানচর্চার স্থান, পূর্ব-বাংলা ছিল কৃষির প্রাণভূমি। ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি খুব দ্রুত বুঝেছিল বাংলাকে দখল করা মানে শুধু একটি প্রদেশ জয় করা নয়; বরং গোটা ভারতকে নিয়ন্ত্রণের আর্থিক চাবিকাঠি হাতে পাওয়া। পলাশীর যুদ্ধ তাই কেবল একটি সামরিক ঘটনা নয়; এটি ছিল অভ্যন্তরীণ বিভাজন, বিশ্বাসঘাতকতা, বিদেশি কূটনীতি এবং অর্থনৈতিক লোভের সম্মিলিত ফল। সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর বাংলার সম্পদ ধীরে ধীরে বিদেশে প্রবাহিত হয়, কৃষক নিঃস্ব হয়, কারিগর ধ্বংস হয়, দুর্ভিক্ষ বাংলাকে গ্রাস করে। ইতিহাস আমাদের শেখায়, যখন বাংলাকে “দখল” করা হয়, তখন সবচেয়ে বেশি মূল্য দেয় বাংলার সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুন:

স্বাধীনতার পরে আশা ছিল, বাংলা হবে বাংলার মানুষের। কিন্তু ক্ষমতার রাজনীতি অন্য রূপে ফিরে আসে। একসময় কংগ্রেসের আধিপত্য, পরে দীর্ঘ বাম শাসন, তারপর তৃণমূল কংগ্রেসের উত্থান, এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির প্রবল আগ্রাসন — সবই বাংলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণের নতুন অধ্যায়। এখন বাংলার গুরুত্ব শুধু রাজ্যের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়; লোকসভায় উল্লেখযোগ্য আসন সংখ্যা, পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার, আন্তর্জাতিক সীমান্ত, সমুদ্রবন্দর, শিল্প সম্ভাবনা, সাংস্কৃতিক প্রভাব এবং জনসংখ্যাগত গুরুত্বের কারণে বাংলা জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে অবস্থান করছে। দিল্লির ক্ষমতার পথে বাংলার সমর্থন এখন এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

আরও পড়ুন:

এই নতুন যুগের দখল-রাজনীতির প্রধান অস্ত্র হল পরিচয়ভিত্তিক বিভাজন। মানুষের বাস্তব সমস্যা — চাকরি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মূল্যবৃদ্ধি, শিল্পহীনতা, দুর্নীতি — এসব প্রশ্নকে আড়াল করতে সামনে আনা হয় ধর্ম, জাতি, ভাষা, নাগরিকত্ব, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক, উৎসবের প্রশ্ন। মানুষ যেন নাগরিক হিসেবে প্রশ্ন না তোলে, বরং গোষ্ঠী হিসেবে আবেগপ্রবণ হয় — এই রাজনীতির সাফল্য সেখানেই। বাংলায় বিজেপির উত্থানকে বুঝতে হলে এই কৌশলটি দেখতে হয়। দীর্ঘদিন সংগঠন বিস্তার, বিরোধী ভোটের পুনর্গঠন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিনিয়োগ, বাম ও কংগ্রেসের দুর্বলতা — এসবের পাশাপাশি ধর্মীয় মেরুকরণ ছিল কার্যকর হাতিয়ার। “অনুপ্রবেশকারী”, “ঘুসপেটিয়া”, “CAA”, “NRC”, “তুষ্টিকরণ”, “জনসংখ্যা বৃদ্ধি”, “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ” — এই শব্দগুলি নির্বাচনী প্রচারে বারবার ব্যবহৃত হয়েছে। এগুলি শুধু স্লোগান নয়; এগুলি সামাজিক ধারণা গঠনের ভাষা।

আরও পড়ুন:

যখন কোনো সম্প্রদায়কে বারবার সন্দেহের কেন্দ্রে রাখা হয়, তখন সংখ্যাগুরু সমাজের একাংশের মধ্যে অবিশ্বাস জন্মায়। মুসলিম নাগরিক, যিনি বহু প্রজন্ম ধরে বাংলায় বসবাস করছেন, হঠাৎ নিজেকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে দেখতে পান। তিনি শিক্ষক, কৃষক, ছাত্র, শ্রমিক, ডাক্তার, ব্যবসায়ী বা শিল্পী হতে পারেন; কিন্তু রাজনৈতিক ভাষায় তাকে প্রথমে মুসলিম, তারপর নাগরিক হিসেবে দেখা হয়। এই মানসিক কাঠামো গণতান্ত্রিক সমতার জন্য বিপজ্জনক।

আরও পড়ুন:

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসও এই রাজনীতির বাইরে সম্পূর্ণ থাকতে পারেনি। বিজেপির মেরুকরণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার বদলে বহুক্ষেত্রে তারাও পাল্টা পরিচয় রাজনীতি ব্যবহার করেছে। সংখ্যালঘু নিরাপত্তার ভাষা, প্রতীকী সহমর্মিতা, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক উপস্থিতি, বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দেখিয়ে নিজেদের একমাত্র রক্ষাকবচ হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা — এসব রাজনৈতিক বাস্তবতা। ফলে একপক্ষ ভয় সৃষ্টি করে, অন্যপক্ষ সেই ভয়ের অভিভাবক সেজে ওঠে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই নাগরিকের স্বাধীন অবস্থান দুর্বল হয়।

আরও পড়ুন:

বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে একসময় মতাদর্শের বিতর্ক, বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা, সংগঠনভিত্তিক গণআন্দোলনের ঐতিহ্য ছিল। এখন বহুক্ষেত্রে সেই জায়গায় এসেছে ব্যক্তিগত আক্রমণ, উসকানিমূলক ভাষণ, সমাজমাধ্যমে ঘৃণা, বিদ্বেষ, হুমকি, কুৎসা এবং ক্রমাগত উত্তেজনা। নেতারা মঞ্চে ভাষণ দেন, টেলিভিশনে বিতর্ক করেন, সমাজমাধ্যমে প্রচার চালান; কিন্তু তার সামাজিক অভিঘাত নেমে আসে গ্রাম, মহল্লা, বাজার, কলেজ, পাড়ায়। প্রতিবেশী সহ-নাগরিকের প্রতি সন্দেহপ্রবণ হয়, বন্ধুদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ে, সাধারণ ঘটনাও সাম্প্রদায়িক রং পায়।

আরও পড়ুন:

এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় বলি বাংলার মুসলিম সম্প্রদায়। মুসলিম সমাজকে একদিকে “সন্দেহভাজন”, “অনুপ্রবেশকারী”, “জনসংখ্যাগত হুমকি” হিসেবে তুলে ধরা হয়; অন্যদিকে “নিশ্চিত ভোটব্যাঙ্ক” হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। একপক্ষ তাদের ভয় দেখায়, অন্যপক্ষ তাদের ভোটের সংখ্যা হিসেবে ব্যবহার করে। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই তাদের পূর্ণ নাগরিক অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক মর্যাদা এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে ধারাবাহিক নীতি প্রাধান্য পায় না। বাংলার মুসলিম সমাজ একক নয়। শহুরে মধ্যবিত্ত, গ্রামীণ দরিদ্র, ক্ষুদ্র কৃষক, দিনমজুর, কারিগর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ছাত্র-ছাত্রী, নারী, তরুণ, পেশাজীবী — বহুমাত্রিক এক সমাজ। কিন্তু রাজনৈতিক বয়ানে তাদের একরৈখিকভাবে দেখা হয়। এই সরলীকরণই বাস্তব সমস্যাকে আড়াল করে।

আরও পড়ুন:

শিক্ষাক্ষেত্রে বহু মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে মানসম্মত বিদ্যালয়, বিজ্ঞান শিক্ষা, ইংরেজি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ, গ্রন্থাগার, ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং, উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত। পরিবারে আর্থিক চাপ থাকায় বহু ছাত্রছাত্রী অল্প বয়সে পড়াশোনা ছাড়ে। বিশেষত মেয়েদের ক্ষেত্রে নিরাপদ যাতায়াত, আর্থিক সমস্যা, সামাজিক সংকোচ, হস্টেলের অভাব, উপযুক্ত প্রতিষ্ঠান দূরে থাকা — এসব কারণে উচ্চশিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়। চাকরিক্ষেত্রে বৈষম্য আরও প্রকট। সরকারি চাকরিতে মুসলিম প্রতিনিধিত্ব দীর্ঘদিন প্রশ্নের বিষয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিং, ডিজিটাল রিসোর্স, তথ্য, ভাষাগত দক্ষতা, আর্থিক সহায়তা — এসবের অভাব বড় বাধা। বেসরকারি ক্ষেত্রে অনেকে অনিশ্চিত শ্রমে যুক্ত — নির্মাণশ্রম, ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন, হস্তশিল্প, চুক্তিভিত্তিক কাজ, অস্থায়ী পরিষেবা। নিয়মিত বেতন, পেনশন, স্বাস্থ্যবিমা, শ্রমিক সুরক্ষা থেকে বহু পরিবার বঞ্চিত। গ্রামীণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর বড় অংশ কৃষিনির্ভর। ক্ষুদ্র জমি, ভাগচাষ, সেচের সীমাবদ্ধতা, বাজারে ন্যায্য মূল্য না পাওয়া, ঋণের অভাব, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য — এসব কারণে উন্নয়নের পথ কঠিন হয়। বহু যুবক কাজের সন্ধানে অন্য রাজ্যে চলে যায়। এতে পরিবার ভেঙে যায়, নারী ও বৃদ্ধদের উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব পড়ে, সামাজিক কাঠামো দুর্বল হয়। মুসলিম নারীদের বঞ্চনা দ্বিগুণ। তারা অর্থনৈতিক পিছিয়েপড়া সমাজের অংশ, আবার লিঙ্গ বৈষম্যেরও শিকার। বহু নারী সেলাই, গৃহভিত্তিক উৎপাদন, ক্ষুদ্র বাণিজ্য, অনিয়মিত শ্রমে যুক্ত থাকলেও তাদের কাজের সামাজিক স্বীকৃতি কম। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, ব্যাংক ঋণ, ডিজিটাল দক্ষতা, নিরাপদ কর্মপরিবেশ — এসব ক্ষেত্রে পরিকল্পিত সহায়তা অপরিহার্য। স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও মুসলিম অধ্যুষিত বহু অঞ্চলে পরিকাঠামো দুর্বল। হাসপাতাল দূরে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা কম, মাতৃসেবা সীমিত, শিশুস্বাস্থ্য দুর্বল, পুষ্টির সমস্যা প্রকট। অসুস্থতা মানে শুধু শারীরিক কষ্ট নয়, বহু দরিদ্র পরিবারের জন্য অর্থনৈতিক বিপর্যয়।

আরও পড়ুন:

মিডিয়ার ভূমিকাও প্রশ্নের ঊর্ধ্বে নয়। অনেক সময় মুসলিম সমাজকে নিয়ে সংবাদ হয় সংঘর্ষ, অপরাধ, উত্তেজনা বা ভোটের প্রসঙ্গে। কিন্তু সফল শিক্ষক, বিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, শিল্পী, নারী নেতৃত্ব, সামাজিক উদ্যোগ, শিক্ষায় অগ্রগতি — এসব ইতিবাচক গল্প কম সামনে আসে। ফলে জনমানসে একপাক্ষিক ছবি তৈরি হয়, যা পক্ষপাত বাড়ায়।

আরও পড়ুন:

CAA, NRC, SIR, ভোটার তালিকা যাচাই, জনগণনা — এসব প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বাংলায় রাজনৈতিক আবেগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বহু দরিদ্র মানুষের জন্মসনদ নেই, পুরনো নথি নেই, বানান ভুল আছে, ঠিকানা পরিবর্তিত হয়েছে, জমির দলিল নেই। ফলে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রশ্ন তাদের কাছে আইনি নয়, অস্তিত্বের প্রশ্ন। তারা জানতে চায় — “আমাদের কি আবার প্রমাণ দিতে হবে যে, আমরা এই দেশের মানুষ?” এই ভয় গণতান্ত্রিক আস্থাকে দুর্বল করে।

আরও পড়ুন:

গণতন্ত্রে বিচারব্যবস্থা শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু যদি মানুষের মনে প্রশ্ন ওঠে — বিচার কি সবার জন্য সমান? বিরোধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত, ক্ষমতাসীনদের ক্ষেত্রে ধীরতা, প্রশাসনের পক্ষপাত, তদন্তে বাছাই — এই ধারণাগুলি বাস্তব হোক বা অতিরঞ্জিত, জনবিশ্বাস ক্ষতিগ্রস্ত করে। বিচারব্যবস্থার শক্তি শুধু রায়ে নয়, বিশ্বাসে। মানুষ যদি আদালতকে নিরপেক্ষ মনে না করে, তবে গণতন্ত্রের ভিত্তি কেঁপে ওঠে।
বাংলায় ভোট গণতন্ত্রের উৎসব হওয়ার কথা। কিন্তু বহু সময় ভোট মানে উত্তেজনা, বাহিনী মোতায়েন, সংঘর্ষের আশঙ্কা, বুথ দখলের অভিযোগ, ভয় দেখানো, পাল্টা অভিযোগ, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারযুদ্ধ। ২৩ হোক বা ২৯ এপ্রিলের ভোট — তারিখ বদলায়, কিন্তু ভোটকে ঘিরে উৎকণ্ঠা অনেক সময় একই থাকে। সাধারণ ভোটার চান শান্তিতে ভোট দিতে, তারপর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে। কিন্তু রাজনৈতিক শক্তিগুলি ভোটকে অস্তিত্বের যুদ্ধে পরিণত করে।

আরও পড়ুন:

তবু বাস্তবতা হল, বাংলার মানুষ মূলত খুব সাধারণ কিছু জিনিস চান। যুবক চান চাকরি। কৃষক চান ফসলের ন্যায্য দাম। শ্রমিক চান নিয়মিত আয়। মা চান সন্তানের জন্য ভাল স্কুল। রোগী চান চিকিৎসা। ব্যবসায়ী চান স্থিতিশীল বাজার। নারী চান নিরাপত্তা। বৃদ্ধ চান সম্মান। হিন্দু-মুসলিম-আদিবাসী-দলিত — সবাই চান মর্যাদার জীবন। কেউ প্রতিবেশীর সঙ্গে ধর্ম নিয়ে লড়াই করতে চায় না। কেউ নাগরিকত্ব প্রমাণের আতঙ্কে বাঁচতে চান না। কেউ নেতার উসকানিতে নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চান না। বাংলার ঐতিহ্যও বিভাজনের নয়। এই মাটি চৈতন্যের প্রেমের বাণী জানে, লালনের মানবধর্ম জানে, রবীন্দ্রনাথের বিশ্বমানবতা জানে, নজরুলের সাম্য জানে, বিদ্যাসাগরের সংস্কার জানে, নেতাজির আত্মত্যাগ জানে। বাংলার আত্মা বহুত্ববাদী। এখানে মিলনের ধারাই প্রকৃত শক্তি।

আরও পড়ুন:

সমাধান কী? প্রথমত: পরিচয়ভিত্তিক ঘৃণার রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করতে হবে। দ্বিতীয়ত: শিক্ষা ও কর্মসংস্থানকে নির্বাচনের মূল ইস্যু করতে হবে। তৃতীয়ত: মুসলিম ও অন্যান্য প্রান্তিক সম্প্রদায়ের উন্নয়নকে প্রতীকী নয়, তথ্যভিত্তিক বাস্তব নীতিতে আনতে হবে। চতুর্থত: বিচারব্যবস্থা, প্রশাসন ও পুলিশকে দৃশ্যমান নিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পঞ্চমত: রাজনৈতিক উসকানির বিরুদ্ধে কঠোর ও সমান ব্যবস্থা নিতে হবে। ষষ্ঠত: নাগরিকত্ব ও নথি সংক্রান্ত নীতিতে মানবিকতা, স্বচ্ছতা ও আইনগত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। সপ্তমত: মিডিয়াকে উত্তেজনার ব্যবসা ছেড়ে জনজীবনের প্রশ্নে ফিরতে হবে।

আরও পড়ুন:

সবচেয়ে বড় কথা, মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রশ্নকে আলাদা করে নয়, গণতান্ত্রিক সমতার প্রশ্ন হিসেবে দেখতে হবে। যখন বাংলার মুসলিম সমাজ পিছিয়ে থাকে, তখন বাংলাও পিছিয়ে থাকে। যখন কোনো নাগরিক সন্দেহের চোখে বাঁচে, তখন গণতন্ত্র দুর্বল হয়। যখন কোনো সম্প্রদায়কে কেবল ভোটের সময় মনে পড়ে, তখন রাষ্ট্রনৈতিক সততা প্রশ্নের মুখে পড়ে। বাংলার মুসলিম সমাজ দয়া চায় না, তোষণ চায় না, বিশেষ অনুগ্রহও চায় না। তারা চায় সমান অধিকার, মর্যাদা, নিরাপত্তা, শিক্ষা, কাজের সুযোগ এবং সম্মানের সঙ্গে বাঁচার পরিবেশ। এই দাবি কোনো সম্প্রদায়ের নয়, এটি সংবিধানের দাবি। বাংলার ভবিষ্যৎ তখনই উজ্জ্বল হবে, যখন বাংলার মুসলিম নাগরিক নিজেকে প্রান্তিক নয়, পূর্ণ অংশীদার বলে অনুভব করবেন।

আরও পড়ুন:

বাংলা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বাংলা দিল্লির পরীক্ষাগার নয়, কলকাতার দুর্গও নয়। বাংলা তাদের, যারা এখানে ঘাম ঝরায়, কর দেয়, সন্তান মানুষ করে, স্বপ্ন দেখে। বাংলার হিন্দু নাগরিক যেমন পূর্ণ অংশীদার, তেমনি মুসলিম নাগরিকও; আদিবাসী যেমন বাংলার আত্মা, তেমনি দলিতও; নারী, যুবক, কৃষক, শ্রমিক — সবাই বাংলার মালিক। যতদিন “বাংলা দখল”-এর রাজনীতি চলবে, ততদিন বাংলার মানুষ হারবে। যেদিন মানুষ ধর্মের আগে অধিকার, পরিচয়ের আগে উন্নয়ন, ভয়ের আগে মর্যাদা, বিভাজনের আগে মানবিকতা বেছে নেবে — সেদিনই বাংলা সত্যিকার অর্থে মুক্ত হবে। ”বাংলা দখল নয় — বাংলা গড়ার রাজনীতি চাই।”

আরও পড়ুন:

বাংলার ঐতিহ্য মেরুকরণ, বিভাজনের নয়। এই মাটি চৈতন্যের প্রেমের বাণী জানে, লালনের মানবধর্ম জানে, রবীন্দ্রনাথের বিশ্বমানবতা জানে, নজরুলের সাম্য জানে, বিদ্যাসাগরের সংস্কার জানে, নেতাজির আত্মত্যাগ জানে। বাংলার আত্মা বহুত্ববাদী। এখানে মিলনের ধারাই প্রকৃত শক্তি। বাংলা কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বাংলা দিল্লির পরীক্ষাগার নয়, কলকাতার দুর্গও নয়। বাংলা তাদের, যারা এখানে ঘাম ঝরায়, কর দেয়, সন্তান মানুষ করে, স্বপ্ন দেখে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder