ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান
হাসান পিয়াদা: ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর না করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। তেহরান প্রশাসন বলেছে, বন্ধুত্বের দরজা এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে ইরানের ধৈর্যের সীমা রয়েছে। ইরানের সাবেক সেনা কমান্ডার এবং এক্সপিডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমরা জানি আমিরাত ও ইসরাইলের মধ্যে সম্পর্ক ও বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা রয়েছে। আমিরাতের উচিত হবে না ইসরাইলের ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনার ফাঁদে জড়িয়ে পড়া। ইসরাইল-আমেরিকা বনাম ইরান সংঘাত চলাকালে আরব আমিরাত ইরানের অন্যতম বড় টার্গেটে পরিণত হয়। যুদ্ধের সময় ইরানি হামলায় সবথেকে বেশি চাপের মুখে পড়া দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল আমিরাত।
এদিকে সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলাতেও আমিরাত জড়িত থাকতে পারে। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই স্পষ্ট অবস্থান দেয়নি। ইসরাইলের সঙ্গে ইউএই-এর সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে আমিরাতের অবস্থান তেহরানের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, যুদ্ধ শুরু হলে জার্মানি পালিয়ে যান ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। জার্মান সরকার তাকে সে দেশে অবস্থানে আপত্তি জানালে নেতানিয়াহু আমিরাত আত্মগোপনে চলে আসেন। ওই সময় আবুধাবী রাজপ্রাসাদে অবস্থানকালীন ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধানও তার সাথে কমপক্ষে তিনদিন অবস্থান করেন।
আমিরাত বিগত বছরগুলোয় কমপক্ষে ৭৫০০ ইসরাইলি সেনার পরিবারকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাসপোর্ট দিয়েছে বলে আভ্যন্তরীণ একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র দাবি করছে। সব মিলিয়ে গভীর সম্পর্কের কারণে এবং আমিরাতের যুদ্ধ-বিমানের লেখা মুছে ইরানে আক্রমণের কারণে ইরান এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।








