ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি
নতুন পয়গাম, এস রোজলিন, কলকাতা, ১৬ ই মে: ১৮৩৯ ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় আজকের দিনে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিতে ভূষিত হন। “বিদ্যাসাগর” উপাধিটি ছিল সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি। সংস্কৃত ছাড়াও বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় বিশেষ পাণ্ডিত্য ছিল তার। হিন্দু ল বোর্ড পরীক্ষায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই তাঁর এই উপাধি প্রাপ্তি। এটি কলকাতা সংস্কৃত কলেজ থেকে দেওয়া হয়েছিল। ১৯শ শতকে কলকাতা সংস্কৃত কলেজ, নির্দিষ্ট মানদণ্ডে উন্নীত শিক্ষার্থী ও গুণীজনদের এ উপাধিতে ভূষিত করা হতো। বিদ্যাসাগর উপাধি প্রাপক আরো কয়েকজনের নাম হল- ১) সংস্কৃত কলেজের শিক্ষক প্রাণ কৃষ্ণ, ২) হরানন্দ শাস্ত্রী ৩) বিদগ্ধ পন্ডিত হরিহর, ৪) রায় বাহাদুর কালীপ্রসন্ন ঘোষ প্রভৃতি। এদের প্রত্যেকের নামের সঙ্গে বিদ্যাসাগর উপাধি যুক্ত করার অধিকার ছিল । অনেকেই সেটা করতেন কিন্তু বিদ্যাসাগর বলতে একমাত্র যার চিত্র ফুটে ওঠে, তিনি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্যাসাগর। উপাধিটি তাঁর আসল পিতৃদত্ত পারিবারিক নামকে অতিক্রম করে যায়। বর্তমানেএবং অতীত স্মৃতিতে ও বিবরণে তিনি কেবল ‘বিদ্যাসাগর’ নামেই অভিহিত হয়ে আছেন। ১৮৩৯ সালের ২২ এপ্রিল হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষা দেন ঈশ্বরচন্দ্র। এই পরীক্ষাতেও যথারীতি কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে ১৬ মে ল কমিটির কাছ থেকে যে প্রশংসাপত্রটি পান, তাতেই প্রথম তার নামের সঙ্গে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিটি ব্যবহৃত হয়।








