জাহাজের ধাক্কায় সুমুদ্রে ট্রলার ডুবিতে গুরুতর জখম ৯ নিখোঁজ ২
নতুন পয়গাম, হাসান লস্কর, কুলতলী: দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সুন্দরবন লাগোয়া কাকদ্বীপ ও কুলতলির ১১ জন মৎস্যজীবী কেরলের কাটালী টু নামক ট্রলার যার প্রোপাইটর রাহুল, তার ট্রলার নিয়ে আরব সাগরের কন্যাকুমারী নামক গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায় গত বৃহস্পতিবার, আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। রাতে মৎস্য শিকার করে ওই মৎস্য জীবিরদল । দিনে কয়েক জন নিদ্রায় যায় সেই মুহূর্তে অপর দিক থেকে একটি মালবাহী জাহাজ মৎস্যজীবীর ট্রলারে সজোরে ধাক্কা মারে । আর এতেই মৎস্যজীবীদের ট্রলার টি ডুবে যায়। বেশ কয়েকজন মৎস্যজীবী ছিটকে পড়ে গেলে ও বাকিদের খোঁজ এখনও মেলেনি। সাথে সাথে ওই জাহাজটি মৎস্যজীবীদের উদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়ে নয় মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করে এবং সাথে সাথে তারা নিয়ে যায় কেরলের তিরুবন্তপুরম জেনারেল হাসপাতালে সেখানে তারা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়লেও বাকি দুই মৎস্যজীবী সপ্তাহ কাল অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের খোঁজ মেলেনি।
আর এমনই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় চাউর হতেই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এলাকার মানুষজন ভিড় জমিয়েছেন সুন্দরবন লাগোয়া কুলতলীর গোপালগঞ্জ অঞ্চলের শানকিজাহান গ্ৰামের একই পরিবারের পিতা পুত্র লক্ষণ ও বাদল দাসের বাড়িতে। কয়েক মাস আগে সুন্দরবন থেকে তারা কেরলে যায়। গত বৃহস্পতিবার ঘাট থেকে ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। অধিক রাত পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ও ধরে তারা, দিনে বেশ কয়েকজন নিদ্রায় যায়। শুক্রবার দ্বিপ্রহরে জাহাজের ধাক্কায় তাদের ট্রলারটি ডুবে যায়। জাহাজে থাকা মানুষজন উদ্ধার কাজে হাত লাগায়। এবং নয় জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়েও যায়। এই মুহূর্তে তারা চিকিৎসাধীন। কাকদ্বীপের নয় মৎস্যজীবী ও সুন্দরবনের সানকিজাহানের দুই মৎস্যজীবী লক্ষণ দাস ও বাদল দাস এখনো নিখোঁজ । কাকদ্বীপের বাসুদেব দাস সহ একাধিক মৎস্যজীবী এখন চিকিৎসাধীন। কেরলের গভীর সমুদ্রে ট্রলার নিয়ে মাছ ধরতে যায় গত বৃহস্পতিবার।
রাত্রি কালীন সমুদ্রে মাছ ধরার পর দিনে ট্রলারের মাঝে কেরলের গভীর সমুদ্রে জাহাজের ধাক্কায় ট্রলার ডুবির ঘটনায় সুন্দরবনের কুলতলি র দুই মৎস্যজীবী নিখোঁজ পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার খবর জানাজানি হতেই কুলতলী বিধানসভার বিধায়ক গণেশচন্দ্র মন্ডলের প্রতিনিধি দল ওই নিখোঁজ পরিবারে সাথে দেখা করেন তাদেরকে সহযোগিতার হাত ও বাড়িয়ে দেন। আগামী দিনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন বিধায়ক। মৎস্যজীবীরা ক্যাবিনের ভেতরে ঘুমানো অবস্থায় এই দুর্ঘটনা টি ঘটে সেই মুহূর্তে তারা লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারের সুযোগ না পাওয়ায়, প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। এমনই ভাবছেন পরিবারের লোকজন।








