BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

২০২৬-এর ভোট সরকার বদলের লড়াই নয়, তৃতীয় শক্তির অস্তিত্বের পরীক্ষা

প্রকাশিত: ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৩৫ | আপডেট: ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, সন্ধ্যা ৬:৩৫
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন কেবল একটি সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়; বরং এটি অস্তিত্ব রক্ষার এক চরম পরীক্ষা, বিশেষত বাম-কংগ্রেস এবং আইএসএফ-এর মতো 'তৃতীয় শক্তি'র কাছে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে রাজ্যের রাজনীতি প্রধানত তৃণমূল বনাম বিজেপি-র দ্বিমেরু লড়াইয়ে পর্যবসিত হয়েছে। কিন্তু এই বাইনারি বা দ্বৈত লড়াই বাংলার দীর্ঘমেয়াদী গণতান্ত্রিক স্বার্থের জন্য কতটা ইতিবাচক, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে।

নিজাম পারভেজ:পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন কেবল একটি সরকার পরিবর্তনের লড়াই নয়; বরং এটি অস্তিত্ব রক্ষার এক চরম পরীক্ষা, বিশেষত বাম-কংগ্রেস এবং আইএসএফ-এর মতো ‘তৃতীয় শক্তি’র কাছে। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে রাজ্যের রাজনীতি প্রধানত তৃণমূল বনাম বিজেপি-র দ্বিমেরু লড়াইয়ে পর্যবসিত হয়েছে। কিন্তু এই বাইনারি বা দ্বৈত লড়াই বাংলার দীর্ঘমেয়াদী গণতান্ত্রিক স্বার্থের জন্য কতটা ইতিবাচক, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সময় এসেছে।
বর্তমান পরিস্থিতির গাণিতিক এবং কৌশলগত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি পরিকল্পিত ‘আসন সমঝোতা’ এবং ‘রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট’ ছাড়া এই তৃতীয় শক্তির পুনরুত্থান অসম্ভব।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলকে বিধানসভা ভিত্তিক ব্যবচ্ছেদ করলে দেখা যাবে, বাম-কংগ্রেস জোটের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। সারা রাজ্যে ২৯৪টি বিধানসভা আসনের মধ্যে এই জোট মাত্র ১২টি আসনে এগিয়ে ছিল। মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কিছু এলাকা ছাড়া রাজ্যের অন্যত্র তাদের লিড প্রায় শূন্যের কাছাকাছি।
বিশেষত সিপিআইএম-এর ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কলকাতা সংলগ্ন কিছু শিল্পাঞ্চল বা শহুরে এলাকা (যেমন- যাদবপুর বা দমদম সংলগ্ন কিছু পকেট) ছাড়া তাদের পুরনো দুর্গগুলো এখন ধূলিসাৎ। অন্যদিকে, কংগ্রেসের প্রভাব কেবল মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরের নির্দিষ্ট কিছু ব্লকে সীমাবদ্ধ। এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে বার্তা দিচ্ছে যে, সারা রাজ্যের সব আসনে প্রার্থী দিয়ে শক্তিক্ষয় করার দিন শেষ। এখন সময় এসেছে Quality over Quantity বা সংখ্যার চেয়ে গুণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার। ২০২৬ নির্বাচনে যদি বাম-কংগ্রেস নেতৃত্ব সত্যিই বিধানসভায় প্রবেশের লক্ষ্য রাখে, তবে তাদের আবেগের ঊর্ধ্বে উঠে বাস্তবের জমিতে পা রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:

কংগ্রেসের ভূমিকা:

আরও পড়ুন:

কংগ্রেসের উচিত মূলত ৭০টি আসনে নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখা। এই ৭০টি আসনের মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ বা প্রায় ৩০-৩৫টি আসন হওয়া উচিত মালদা এবং মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে। কারণ, এই জেলাগুলিতে কংগ্রেসের বুথ স্তরের সংগঠন এবং একনিষ্ঠ ভোটার আজও বর্তমান। এছাড়া উত্তরবঙ্গের চোপড়া বা ফাঁসিদেওয়ার মতো কিছু পকেট, যেখানে তাদের সাংগঠনিক শক্তি মজবুত, সেখানে পূর্ণ শক্তি নিয়োগ করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন:

বামফ্রন্টের কৌশল:

আরও পড়ুন:

সিপিআইএম তথা বামফ্রন্টকে বুঝতে হবে, তারা এখন আর রাজ্যের শাসক দল বা প্রধান বিরোধী দল নয়। তাই ২৯৪টি আসনে লড়াই করার মানসিকতা ত্যাগ করে ৫০টির কম আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত। এই ৫০টি আসন এমন হতে হবে, যেখানে বিগত নির্বাচনেও তাদের ভোটের হার সম্মানজনক ছিল। সমস্ত আর্থিক এবং সাংগঠনিক শক্তি যদি নির্দিষ্ট বাছাই করা গুটিকতক আসনে কেন্দ্রীভূত করা যায়, তবে অন্তত ৫ থেকে ১০টি আসনে জয়লাভ করা অসম্ভব নয়।

আরও পড়ুন:

আইএসএফ ও দক্ষিণবঙ্গ সমীকরণ:

আরও পড়ুন:

দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে আইএসএফ একটি বড় শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। কংগ্রেস যদি আইএসএফ-এর সাথে সম্মানজনক আসন সমঝোতা বা জোট করতে পারে, তবে এই দুই জেলায় তারা শাসক দল তৃণমূলের প্রধান মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

আরও পড়ুন:

হুমায়ুন কবীর ফ্যাক্টর ও বিজেপি-র পরোক্ষ সুবিধা:

আরও পড়ুন:

মুর্শিদাবাদের রাজনীতির এক আলোচিত নাম হুমায়ুন কবীর এবং তাঁর নবগঠিত ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (JUP)। বিশ্লেষকদের অনুমান, হুমায়ুন কবীরের লড়াই সরাসরি তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাবে। বিশেষত সংখ্যালঘু ভোট বিভাজিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হবে। কিন্তু এর একটি অন্ধকার দিকও আছে।
হুমায়ুন কবীর অতীতে যে ধরনের আক্রমণাত্মক বা বিতর্কিত ভাষা প্রয়োগ করেছেন, তা যদি আসন্ন নির্বাচনী প্রচারেও বজায় থাকে, তবে তা রাজ্যে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণকে আরও তীব্র করবে। এই ধরনের Chaos বা বিশৃঙ্খলা সরাসরি বিজেপি-র পালে হাওয়া দেবে। যখনই সংখ্যালঘু ভোট কোনো নির্দিষ্ট দলের দিকে সংহত হওয়ার বদলে বিচ্ছিন্ন হয় এবং উস্কানিমূলক রাজনীতির অবতারণা ঘটে, তখনই সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট এককাট্টা হয়ে বিজেপি-র দিকে ঝুঁকে পড়ে। ফলে হুমায়ুন কবীরের উত্থান আপাতদৃষ্টিতে তৃণমূলের ক্ষতি করলেও, তা প্রকারান্তরে বিজেপি-র আসন সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

আরও পড়ুন:

কেন একটি শক্তিশালী বিরোধী দল প্রয়োজন?

আরও পড়ুন:

যদি ২০২৬-এর নির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ জোট অন্তত ২০-২৫টি আসন নিশ্চিত করতে পারে, তবে তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়বে বাংলার আগামীর রাজনীতিতে।
১) তৃণমূলের ওপর চাপ: তৃণমূল যদি পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে, বিধানসভায় একটি বলিষ্ঠ বিরোধী পক্ষ থাকলে তারা জনমুখী কাজ করতে এবং দুর্নীতি কমাতে বাধ্য হবে।
২) বিজেপি-র গতিরোধ: বিজেপি যখন রাজ্য দখলের জন্য সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাবে, তখন এই তৃতীয় শক্তির হাতে থাকা আসনগুলোই ম্যাজিক ফিগার ছোঁয়ার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে।
৩) ভবিষ্যৎ রণকৌশল: ২০২৬-এ যদি কিছু বিধায়ক জেতানো সম্ভব হয়, তবে সেই আত্মবিশ্বাস ২০২৮-এর পঞ্চায়েত এবং ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচনে কর্মীদের উজ্জীবিত করবে। লক্ষ্য হওয়া উচিত ২০৩১-এর বিধানসভায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিকল্প শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরা।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, ২০২৬-এর লড়াই বাম-কংগ্রেসের জন্য সরকার গড়ার লড়াই নয়; বরং বিধানসভায় ‘তৃতীয় শক্তি’ হিসেবে অস্তিত্ব বজায় রাখার লড়াই। নেতৃত্বকে বুঝতে হবে, বিজেপি-কে রুখতে বা তৃণমূলকে জবাব দিতে গেলে নিজেদের মধ্যে ভোট কাটাকাটি বন্ধ করে নির্দিষ্ট পকেটে শক্তি প্রয়োগ করতে হবে। যদি সমস্ত বিরোধী নেতৃত্বের মধ্যে এই শুভবুদ্ধির উদয় হয় যে, তৃতীয় বা চতুর্থ স্থান নয়; বরং বিধানসভার অলিন্দে পৌঁছানোই মূল লক্ষ্য, তবেই বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন ভোরের সূচনা হবে। অন্যথায়, অদূর ভবিষ্যতে বাংলার রাজনীতিতে আঞ্চলিক বা বিকল্প শক্তির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হবে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder