BREAKING:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ শপথ নিলেন আরো ৩৫ মন্ত্রী, রাজ্য ক্যাবিনেট বেড়ে হল ৪১ চাইলেই কি হকার উচ্ছেদ করা যায়? হুগলীর হরিপালে আট দলীয় নকআউট জুনিয়র ফুটবল টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল, উইনার্স হরিপাল, রানার্স নবীন সংঘ ইমামের সর্বোচ্চ বেতনে নজির, পশ্চিম মেদিনীপুরে সম্মানিত আঁকাড়িয়া মসজিদ কমিটি গণতন্ত্রের মঞ্চে সাধারণ মানুষের নীরব কান্না সংবাদমাধ্যম কি সত্যিই নিরপেক্ষ, নাকি পক্ষপাতদুষ্ট? ভেড়ি থেকে মাছ চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার সোনারপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর সরকারি ত্রাণ মজুত রাখার অভিযোগে গ্রেফতার জয়নগরের তৃনমূল নেতা ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে জালালপুরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধূপগুড়িতে প্রস্তাবিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড ঘিরে উত্তেজনা, আবর্জনা বোঝাই গাড়ি আটকে বিক্ষোভ স্কুলে ঢুকে পড়ল শাবক সহ হাতির দল, চা বাগানের আতঙ্কে গ্রামবাসীরা নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কুনাল ঘোষ সহ অনেকেই বানারহাটে বিশ্ব ঋতুস্রাব পরিচ্ছন্নতা দিবস পালন ককরোচ জনতা পার্টি কোন রাজনৈতিক দল নয়, সর্বজনীন সামাজিক প্রতিবাদের প্রতীক দিলীপ ঘোষ উবাচ চালতাবেড়িয়া ঈদগাহ ময়দানে লক্ষাধিক মানুষ পড়লেন ঈদের নামাজ আবাস যোজনার কাটমানির টাকা ফেরতের দাবিতে প্রধানের স্বামীকে আটকে রেখে বিক্ষোভ রায়দীঘিতে নদীর চর ভরাট করে বেআইনি ক্যাফে তৈরির অভিযোগ তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লার ছেলের বিরুদ্ধে তরুণীকে প্রেমের সম্পর্কে ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল, গ্রেফতার যুবক বাঁশদ্রোণীতে এক নাবালক স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা বঞ্চিত কৃষকদের পাশে সনৎ সর্দার, মানবিক উদ্যোগ সন্দেশখালির বিজেপি বিধায়কের ৯ জিলহজ পবিত্র আরাফা দিবস: আরাফার ইতিহাস ও গুরুত্ব ‘বিদ্রোহী’ নজরুল, ভাগ হয়ে গেছেন বিলকুল বর্ধমান সিএমএস উচ্চ বিদ্যালয়-এর সামনে নজরুল জন্ম দিবস পালিত বিশ্ব সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের অবদান বন্দে মাতরম বিতর্ক: সাংস্কৃতিক আধিপত্য, বহুত্ববাদ ও জাতীয়তাবাদের জটিলতা ভারতীয় মুসলিম রাজনীতির প্রেক্ষাপট: ইতিহাস, সংকট ও রূপান্তর ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে অসহায়দের পাশে ‘মানবতা’ কৃতজ্ঞতাবোধ মানুষকে সমৃদ্ধ করে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা গ্রহণ কি ইসলামে বৈধ? নজরুলের জন্মদিন: আর কতকাল সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে বাঙালি? ভারতীয় মুসলিম সমাজে মোল্লাতন্ত্রের উত্থান; এক ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ ‘মোল্লাতন্ত্র’ শব্দের সমাজতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা কুরবানির রাজনীতি: যখন গরুকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে, আর আদর্শ হারিয়ে যায় বিদ্রোহী কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী: নজরুল সাহিত্যে মৌলিকতা ও ধর্মীয় সাম্যতা কাজী নজরুল ইসলাম: শৃঙ্খলভাঙা মানবাত্মার ঘোষণা ডোমকলে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে আকস্মিক পরিদর্শনে সিপিআইএম বিধায়ক মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সাথে সাক্ষাৎ মাদ্রাসা টিচার্স এসোসিয়েশনের বেহাল অবস্থা জয়নগর কুলতলি গ্রামীন হাসপাতালের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে মগরাহাট স্টেশনে বিক্ষোভ প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন ঈদুল আজহার দিনে পরীক্ষা, তারিখ পরিবর্তনের আহ্বান এসআইও’ র আল্লাহপ্রদত্ত ইলম (জ্ঞান) মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি আইনস্টাইন ও গ্যোডেল জুটি: গণিতের সংজ্ঞা বদলে গেল রাতারাতি হজ ২০২৬: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের ইতিহাস ও মর্যাদা ঋতু পরিবর্তন: আল্লাহর এক মহান নিয়ামত আমি ইলম (জ্ঞান) বলছি কুলতলীতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে অগ্নিসংযোগ সুন্দরবনের তুলো চাষ পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্র ও রাজ্যের কৃষি বিশেষজ্ঞরা চাকবেড়িয়ায় বুদ্ধিজীবী সেমিনার: প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুদের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের স্থায়ী প্রশান্তি আকাশের রঙ কি নীল-ই থাকবে, নাকি বদলে যাবে? ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেপাত্তা তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান নরেন্দ্রপুরে নাবালিকাকে যৌন হেনস্থায় অবশেষে ৬২ বছরের অভিযুক্ত গ্রেফতার জঙ্গলে মধু সংগ্রহকারী মৌলে বাঘের আক্রমণে যখম সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় উচ্চ মাধ্যমিক তো হল, এবার কোন পথে এগোবেন? একমেরু বিশ্বের অধ্যায় শেষ; শুরু বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা বিশ্বজয়ী মেধা ও সংকীর্ণ রাজনীতি: ‘সোনার বাংলা’-র আড়ালে কি হারিয়ে যাচ্ছে ‘সোনার ভারত’-এর স্বপ্ন? ইসরাইল-বান্ধব না হতে আরব আমিরাতকে সতর্ক করল ইরান ১৯ মে: ভাষা-সংস্কৃতি নিয়েও গণসংগ্রাম সম্ভব গোরু বিতর্ক: বহুত্ববাদী বাস্তবতাকে মানলেই সংঘাত কমবে সিএবি পরিচালিত জেলা ইন্টার স্কুল ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন ধূপগুড়ি হাই স্কুল দিনরাত মানুষের সেবায় বনকর্মীরা, ক্ষুধা মেটাতে মুড়ি-চানা খেয়েই কর্তব্য পালন বিন্নাগুড়ির বনকর্মীদের.!” “ঈদকে সামনে রেখে বানারহাট থানায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, উপস্থিত ইমাম ও ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষজন..! বিজয়গঞ্জ বাজারে মহিলা সংগঠনের প্রতিবাদ মিছিল সরকারি ও বেসরকারি বাসে ছাত্র কনসেশনের দাবিতে মালদায় স্মারকলিপি হুগলিতে পেট্রোলের দর ১১০ টাকা ডিজেল ৯৬ টাকা, সমস্যায় ক্রেতারা হুগলি জেলায় আটদিনব্যাপী জনজাতীয় গরিমা উৎসবের সূচনা সেনা কর্মীর বাড়িতে চুরি, প্রায় ১০ লক্ষ টাকার গহনা ও নগদ চুরির অভিযোগ চুঁচুড়ায় হোমিয়োপ্যাথিক ওষুধ নাক্স ভোমিকা এবার হতে পারে দুরন্ত জৈব কীটনাশক এলিয়েনদের গোপন তথ্য কি ট্রাম্পের হাতে আছে? জল্পনা ইসরাইলী কারাগারে ফিলিস্তিনী নারীদের নগ্ন তল্লাশি, নীরব গণহত্যা বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: অহংকারের পতন, ঔদ্ধত্যের পরাজয় প্যারেন্টিং পয়গাম: বাচ্চা খুব বেশি খেলে বা খেতে না চাইলে করণীয় গোলমরিচের কারণেই পরাধীন হয়েছিল ভারত! বৃষ্টির জলে ভেজার উপকারিতা অনেক সবথেকে ধনী ভারতীয় চিকিৎসক কেরলের শামশির ভায়ালিল নিট-ইউজি বাতিল: মেধার নিলামে যখন নটে গাছটি মুড়োল ফের চীন সফরে ট্রাম্প, নেপথ্যে কোন উদ্দেশ্য? উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম দশে ৬৪ জন, পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ, সেরা আদৃত পাল, মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলীর মেঘা মজুমদার কুরবানী: মনের পশুকে বিসর্জন দেওয়ার উৎসব নির্বাচন কমিশনার বাছাই কমিটিতে প্রধান বিচারপতি না থাকায় প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের, গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ বুলডোজার অভিযান: তপসিয়ায় মিল্লী ইত্তেহাদ পরিষদের প্রতিনিধি দল ফলতা পুনর্নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন পুষ্পা জাহাঙ্গির খান, কটাক্ষ বিজেপি, আইএসএফের স্বরশ্রুতি কালচারাল একাডেমির রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা নির্যাতিতার পরিবারের পাশে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে সপ্তম বেতন কমিশন অনুমোদন রাজ্যে অবৈধ মাদ্রাসা বন্ধের হুঁশিয়ারি, কড়া মন্তব্য মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন ডুয়ার্সের গয়েরকাটা চা বাগানে বনদপ্তরের পাতা খাঁচায় বন্দি চিতা বাঘ! চম্পাহাটি এলাকায় বড়সড়ো গ্যাসের কালোবাজারি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য কৃতিত্বের জন্যই “বিদ্যাসাগর” উপাধি নবনির্বাচিত চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগকে সংবর্ধনা দিল হুগলি অ্যাসোসিয়েশন অফ কমার্স বঙ্গীয় সাহিত্যিক অনুসন্ধান ট্রাস্ট -এর মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সাংগঠনিক সভা ও কৃতি সংবর্ধনা রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা যাত্রীরা তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার কৃষ্ণনগরের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সরজিৎ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার গাংনাপুর পুলিশের হাতে গড়িয়ায় বিজেপি কর্মীকে কাটারির কোপ, ধৃত এক তৃণমূল কর্মী জয়নগরে জুয়ার ঠেক চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার ৪

বেলডাঙ্গায় বাবরি মসজিদ?

প্রকাশিত: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ১১:২০ | আপডেট: ৪ ডিসেম্বর ২০২৫, সকাল ১১:২০

ড. মানাজাত আলী বিশ্বাস

আরও পড়ুন:

ইসলামের আলোকে মসজিদ নির্মাণ: ইসলাম ধর্মে যে সকল কাজকে অত্যন্ত সম্মানজনক বলে গণ্য করা হয়, তার মধ্যে একটি হল মসজিদ নির্মাণ। হাদিসে এসেছে, “যে ব্যক্তি আল্লাহর (সন্তুষ্টির নিয়তে) উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন” (সহীহ বুখারি)। ইসলাম ধর্মের সমগ্র কর্মকাণ্ডই মসজিদকেন্দ্রিক। হযরত মুহাম্মদ (সা:) ও খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে রাষ্ট্রীয় পরামর্শসভা পরিচালিত হত মসজিদ থেকেই। মসজিদে সালাত আদায়ের পাশাপাশি থাকত পড়াশোনার ব্যবস্থা। বর্তমানে ইউরোপে মসজিদকেন্দ্রিক কমিউনিটি সেন্টারগুলি অনেক সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রমকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে। তাই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে মসজিদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। মসজিদের সঙ্গে যুক্ত থাকা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যিক। কিন্তু এই অত্যন্ত সাধারণ বিষয়টিকে নিয়ে এত কথা বলার দরকার কেন পড়ছে? এর উত্তর পেতে আমাদেরকে চোখ রাখতে হবে মুর্শিদাবাদের দিকে।
মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন বিধায়ক হুমায়ুন কবির। নতুন করে বাবরি মসজিদ মুর্শিদাবাদে নির্মাণ করা ঠিক না ভুল, এটাকে সমর্থন করা উচিত না পরিত্যাগ করা উচিত, এটা ধর্মীয় অধিকার নাকি বিশৃঙ্খলার ইঙ্গিতবাহী — এসব নিয়ে জোর চর্চা চলছে। যেহেতু বিধায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, এটি সরকারি টাকায় হচ্ছে না, তাই ব্যক্তিগতভাবে এই মসজিদের নির্মাণ নিয়ে সরাসরি নিষেধ করার জায়গা নেই। আইনত একজন নাগরিক তার ধর্ম পালন করার জন্য ধর্মস্থান নির্মাণ করতে পারেন ও তার রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারেন। এতটুকু পর্যন্ত ব্যাপারটা খুবই সাদামাটা। কিন্তু এই ঘটনার অন্তরালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর বিষয়, যেটি সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে সকলেরই নজরে থাকা আবশ্যক।

আরও পড়ুন:

Tension in Bengal as suspended TMC MLA to lay foundation stone of Babri  Masjid in Murshidabad - India News | The Financial Express
২০২২ সালের ২ আগস্ট মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছিলেন, যাতে মুর্শিদাবাদ-মালদা ও এই সংলগ্ন অঞ্চলকে একটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হয়। বিধায়কের দাবি ছিল, এই অঞ্চল দিয়ে নাকি প্রচুর অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এসে চলেছে। তাই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে এটা করা দরকার। অর্থাৎ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হয়ে গেলে এই এলাকা সেন্ট্রাল ফোর্সের অধীনে চলে আসবে। তখন কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। বিধায়কের বক্তব্যের আসল উদ্দেশ্য কী, তা যে কোন সচেতন মানুষ বুঝতে পারবেন।
বিধায়ক গৌরীশংকর ঘোষের দাবিকে আরো বিস্তারিত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে পার্লামেন্টে উপস্থাপন করলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। ২০২৪ সালের ২৫ জুলাই নিশিকান্ত দুবে মিডিয়াকে জানালেন, “I demand that Malda, Murshidabad, Araria, Kishanganj, Katihar and the Santhal Parganas region be declared as a Union Territory and the National Register of Citizens (NRC) be implemented there,” সোজা বাংলায় বললে, পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, মালদা এবং বিহারের আরারিয়া, কাটিহার ও কিষানগঞ্জ, সাঁওতাল পরগনা এই অঞ্চলগুলিকে একত্রিত করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক। এর মধ্যে প্রথম পাঁচটি এলাকাই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। অর্থাৎ বিজেপির টার্গেট বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এই অঞ্চলকে কেন্দ্রশাসিত করে নিতে পারলে এখানে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা সংকুচিত হবে। রাজনীতি থেকে শুরু করে সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হবে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের দ্বারা। তাতে মানুষের অধিকার সংকুচিত হবে। সুতরাং এই অঞ্চল নিয়ে বিজেপির নিজস্ব পরিকল্পনা আছে এবং সেটা অবশ্যই এই অঞ্চলের মুসলিম সমাজের পক্ষে কোনভাবেই ভাল হবে না, সেটা একটা শিশুও বোঝে।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতিতে বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বেলডাঙ্গায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা ন্যাশনাল মিডিয়াতেও হইচই ফেলে দিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বিদ্বেষপন্থীদের অপর মহল থেকে ‘মাথা কাটার’ ঘোষণা এসে গেছে। উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। আগামীতে হয়ত পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে। অথচ মসজিদ তৈরি নিয়ে এমনটি হওয়া কীভাবে কাম্য হতে পারে? মসজিদ তৈরি হবে একমাত্র আল্লাহর এবাদতের জন্য, শিক্ষা প্রসারের জন্য, সমাজে ঐক্যবদ্ধতা তৈরির জন্য, ন্যায়ের আদর্শকে প্রসারিত করার জন্য। কোন জায়গায় যদি নামাজী থাকা সত্ত্বেও সেখানে মসজিদে স্থান সংকুলান না হয়, তাহলে অবশ্যই মসজিদের সম্প্রসারণ করা দরকার। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে নতুন মসজিদ তৈরি করা যেতে পারে, এটাও একেবারেই যথাযথ। কিন্তু ঠিক ‘বাবরি মসজিদ’ নাম দিয়েই এবং ৬ ডিসেম্বরেই শিলান্যাস করতে হলে, সেই মসজিদ তৈরির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই। এ তো সরাসরি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষতা তৈরি বা রেষারেষি। একে সত্যিই কি জাস্টিফাই করা যায়?
শিক্ষণীয় উদাহরণ: কিছু বছর আগে হাওড়া জেলার নিবড়ায় তাবলীগ জামাতের ইজতেমা হয়েছিল। সেখানে একটি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়। কালক্রমে সেটি নিবড়া মার্কাজ মসজিদ হিসেবে পরিচিত হয়। সাম্প্রতিক কালে পশ্চিমবঙ্গে তৈরি অন্যতম বৃহৎ মসজিদ এটা। অথচ কখনো দেখা যায়নি, এটা নিয়ে কোন বিরাট প্রচার বা হইহুল্লোড়ের পথে উদ্যোক্তারা গেছেন।

আরও পড়ুন:

মসজিদে জিরার ও কুরআনের শিক্ষা:

আরও পড়ুন:

হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবদ্দশায় আবু আমির নামে এক ব্যক্তি প্রকাশ্য মুসলিমদের বিরোধিতা শুরু করে। বদর এবং ওহুদের ময়দানে সক্রিয়ভাবে মুসলিম নিধনের কাজে যুক্ত হয়। এতকিছুর পরেও যখন আস্তে আস্তে ইসলামের বাণী সমগ্র আরবে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল, তখন ক্ষিপ্ত হয়ে আবু আমির শেষ পর্যন্ত রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসের সাহায্য প্রার্থনা করে। রোমান সম্রাট সামরিক সাহায্য দিতে সম্মত হন। ইতিমধ্যে আবু আমির নিজের গোত্রে খবর পাঠায় যে, অতি শীঘ্রই আমি এক বিরাট রোমান সেনাদল নিয়ে আসছি মুসলিমদের ধূলিসাৎ করে দেব। তাই তোমরা আমার জন্য একটি গোপন স্থান নির্মাণ কর এবং সেখানে যাতে থাকা যায়, তার ব্যবস্থা কর। সেই সময় কিছু মুনাফিক, যারা মুখে ইসলামের কথা বলত, কিন্তু বাস্তবে ইসলামের শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়ে ছিল, তারা একটি মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, যেন কোনভাবেই কেউ সন্দেহ না করে। অর্থাৎ এই মসজিদের ভিত্তি তাকওয়া বা আল্লাহ-ভীরুতা ছিল না; বরং এই মসজিদ তৈরি হয়েছিল জাগতিক লক্ষ্য-উদ্দেশ্যে। ইতিমধ্যে তবুকের যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়। মসজিদ তৈরির উদ্যোক্তারা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর কাছে এসে তাকে এই মসজিদে নামায পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। উদ্দেশ্য ছিল, যদি নবী (সা.) এই মসজিদে নামায পড়েন, তাহলে এই মসজিদ একপ্রকার স্বীকৃতি লাভ করবে। তবে স্রষ্টা সবকিছুই দেখছিলেন উপর থেকে। নবী (সা.) চলে গেলেন তাবুকের প্রাঙ্গণে। যখন তিনি ফিরে আসছিলেন, তখন আর মাত্র এক অথবা দুই দিনের পথ বাকি ছিল। এমন সময় স্রষ্টার তরফ থেকে ওহী (ঐশী বাণী) নাযিল বা অবতীর্ণ হল। আসলে স্রষ্টা নিজেও চাননি এমন মসজিদে তার প্রিয় রাসূল নামায পড়ুন, যে মসজিদ আদতে তার উপাসনার লক্ষ্যে নির্মিতই হয়নি। অবতীর্ণ হল সূরা তাওবা-র ১০৭ ও ১০৮ নম্বর আয়াত: “আর যারা মসজিদ তৈরী করেছে ক্ষতিসাধন, কুফুরী আর মু’মিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে, আর যে ব্যক্তি ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে তার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের নিমিত্তে, তারা অবশ্য অবশ্যই শপথ করবে যে, আমাদের উদ্দেশ্য সৎ ব্যতীত নয়। আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, তারা অবশ্যই মিথ্যাবাদী। তুমি ওর ভিতরে কক্ষনো দাঁড়াবে না। প্রথম দিন থেকেই যে মাসজিদের ভিত্তি তাকওয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত, তোমার দাঁড়ানোর জন্য সেটাই অধিক উপযুক্ত, সেখানে এমন সব লোক আছে, যারা পবিত্রতা লাভ করতে ভালবাসে, আর আল্লাহ পবিত্রতা লাভকারীদের ভালবাসেন।” এইভাবে সেই মসজিদে নামায আদায় করা থেকে নবী (সা.)-কে বিরত রাখেন স্বয়ং মহা প্রতিপালক আল্লাহ।

আরও পড়ুন:

সংবাদে প্রকাশ ইতিমধ্যে অপরপক্ষ বহরমপুরে রাম মন্দির তৈরীর ঘোষণাও দিয়েছে। অর্থাৎ তারাও চাইছে এটা নিয়ে একটা বড় রেষারেষি অথবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হোক। আমরা চাই, দক্ষিণপন্থীদের কু-চক্রান্ত ব্যর্থ হোক। সমগ্র বিষয়টি পড়ে-বুঝে যেটা ন্যায়, যেটা সত্য, তার পক্ষ নিন। কোনরকম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরির পথ পরিহার করাই বাঞ্ছনীয়। নিঃসন্দেহে স্রষ্টা আমাদের অন্তরের প্রত্যেকটি খেয়াল সম্পর্কে অবগত।
(সভাপতি: প্রগ্রেসিভেন্টেলেকচুয়াল অফ বেঙ্গল)

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder