শেষ টেস্ট জিততে ভারতকে শেষ দিনে নিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ
নতুন পয়গাম:
সিরিজ নির্ধারণী টেস্ট পৌঁছালো একেবারে শেষ দিনে।প্রথম টেস্ট শেষ হয়েছিল সোয়া দু’দিনে।দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্টটাও সেদিকেই যাচ্ছিল।কিন্তু হঠাতই ঘুরে দাঁড়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতের মাটিতেই মহাশক্তিধর দলের বিরুদ্ধে যথেষ্ট লড়াই দিচ্ছে ক্যারিবিয়ানরা।দুর্বল ক্যারিবিয়ানরা ভারতকে যে শেষ দিন পর্যন্ত জয়ের অপেক্ষা করাতে পারছে, এটাই তাদের নৈতিক জয়।মঙ্গলবার সকালে ভারতের জয় সময়ের অপেক্ষা মাত্র। ১২১ রান তাড়া করতে নেমে ভারতের রান ১ উইকেট হারিয়ে ৬৩। জিততে দরকার মাত্র ৫৮ রান। এই ম্যাচ জিতলে ২ টেস্টের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করবেন শুভমান গিলরা।
তৃতীয় দিনের শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ছিল ২ উইকেটে ১৭৩। অপরাজিত থাকা জন ক্যাম্পবেল এবং শাই হোপ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই সাবলীলভাবে খেলতে থাকেন। বুমরাহ, সিরাজ, জাদেজাদের ভালোই সামলাচ্ছিলেন তাঁরা। ক্যাম্পবেলকে ফেরান রবীন্দ্র জাদেজা। ক্যারিবিয়ান ওপেনারের ১৯৯ বলে ১১৫ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২টি চার, ৩টি বিশাল ছক্কা দিয়ে। অন্যদিকে শাই হোপও লড়াই চালিয়ে যান। মহম্মদ সিরাজ তাঁকে ১০৩ রানে আউট করেন। শেষবেলায় মাটি কামড়ে পড়েছিলেন জাস্টিন গ্রিভস। তিনিও হাফসেঞ্চুরি আদায় করে নেন। জেডন সিলস করেন ৩২ রান। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে ৩টি করে উইকেট কুলদীপ যাদব ও জশপ্রীত বুমরাহর। ২ উইকেট মহম্মদ সিরাজের। শেষ পর্যন্ত ফলোঅনের গেরো কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৯০ রান করে। ভারতের জন্য লক্ষ্য রাখে ১২১ রানের।
চতুর্থ দিনের শেষে ভারতের রান ১ উইকেট হারিয়ে ৬৩। তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে আউট হন যশস্বী জয়সওয়াল। অপরাজিত আছেন কেএল রাহুল (২৫) ও সাই সুদর্শন (৩০)। পঞ্চম দিনে ম্যাচ ও সিরিজ জিততে ভারতের প্রয়োজন ৫৮ রান। সেই রানটা তুলতে বেশিক্ষণ সময় লাগার কথা নয়। তবে প্রশ্ন উঠবে ভারতের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে। আদৌ কি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ফলো অন করানোর সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল? ভারতীয় বোলাররা প্রায় টানা আড়াই দিন বল করলেন। ক্লান্তি একটা সমস্যা হতে পারে। আবার অনেকে মনে করছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল্পরানে ফলোঅনে পাঠানো ‘ঔদ্ধত্যের’ পরিচয়। উল্লেখ্য, প্রথম ইনিংসে ভারত ৫ উইকেটে ৫১৮ রান করে ডিক্লেয়ার করে। জবাবে ক্যারিবিয়ানদের প্রথম ইনিংস ২৪৮ রানে শেষ হয়ে যায়। ফলোঅন করার পর তারা ৩৯০ রান করে।নেটিজেনদের দাবি,রানটা অন্তত সাড়ে ছ’শো হলে ভালো হত।








