শঙ্খমালার উদ্যোগে সোনামুখিতে ‘সুরের রবি – দ্রোহের নজরুল’ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
নতুন পয়গাম, সঞ্জয় মন্ডল, বাঁকুড়া: বাঁকুড়া জেলার সোনামুখীর শ্রীহরি লজে অনুষ্ঠিত হলো আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্র ‘শঙ্খমালা’ (বাঁকুড়া শাখা)-র উদ্যোগে এক মনোজ্ঞ রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা—‘সুরের রবি – দ্রোহের নজরুল’। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শক, সাহিত্য ও সঙ্গীতানুরাগী মানুষ এবং বিভিন্ন বয়সের শিল্পীরা।
শঙ্খমালার মূল লক্ষ্য আবৃত্তি শিল্পের প্রচার, প্রসার এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার উচ্চারণ ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার উচ্চারণ , মানবতাবাদী চেতনার সম্মিলিত উপস্থাপনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে আবৃত্তি, গান ও নৃত্যের সমন্বয়ে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বাঁকুড়া শাখার সদস্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন মনিকা সোম, সোমা মুখার্জি, অমিতা বোস, বন্দনা ব্যানার্জি, বুলবুল দাশগুপ্ত, রিঙ্কু ঘোষ, নিবেদিতা দাশগুপ্ত, ভবানী প্রসাদ ব্যানার্জি, পূরবী ব্যানার্জি, তাপসী ব্যানার্জি, ঝুমা চ্যাটার্জি মিত্র, তমাল ধর, সায়নী পাল ধর এবং স্বাতী মজুমদার।
এছাড়াও আমন্ত্রিত শিল্পী হিসেবে সঙ্গীত পরিবেশন করেন রিদিমা মণ্ডল এবং নৃত্য পরিবেশন করে মা ব্রহ্মময়ী সেবা মন্দিরের শিশু শিল্পীরা। শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দর্শকদের বারবার করতালিতে মুখরিত করে তোলে।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের মানবপ্রেম ও নজরুলের সাম্য, দ্রোহ এবং অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়। শঙ্খমালার এই উদ্যোগ শুধু একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়, বরং আবৃত্তি ও বাংলা সংস্কৃতির চর্চাকে আরও বিস্তৃত করার এক আন্তরিক প্রয়াস হিসেবে সকলের প্রশংসা অর্জন করে। সংস্থার কর্ণধার শ্রী সুমন্ত্র সেনগুপ্তর অনুপ্রেরণায় অনুষ্ঠান এক আলাদা মাত্রা পেলো।








