নিয়মরক্ষার ম্যাচে নায়ক রুট, তাড়া করছেন ট্রাভিস হেড
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন পয়গাম: সিরিজের ফয়সালা হয়ে গেছে আগেই। আকর্ষণ যা ছিল, তা ওই -ইংল্যান্ড হোয়াইটওয়াশ কবে কিনা সেটা নিয়ে। কিন্তু আগের ম্যাচটা জিতে সেই আকর্ষণটাও কমে গেছে। তবে দর্শকদের মনোরঞ্জনের জন্য রুটের কালকের ইনিংসটা যথেষ্ট।
সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে জো রুট আগের দিনের ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস টেনে নিয়ে গিয়েছেন ১৬০-এ। এদিন ইংল্যান্ডকে প্রথম ইনিংসে ৩৮৪ রানে অলআউট করে অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় দিন পর্যন্ত করেছে ২ উইকেটে ১৬৬। ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকা স্বাগতিকেরা এখনো পিছিয়ে ২১৮ রানে। প্রথম দিন মন্দ আলোয় ম্যাচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে খেলা হয়েছিল ৪৫ ওভার। তাতে ৩ উইকেটে ২১১ রান করেছিল ইংল্যান্ড। কাল ৫২.৩ ওভার ব্যাট করে ১৭৩ রান যোগ করেছে সফরকারীরা। যার মধ্যে রুট একাই ১৬০। এদিন রুট ও ব্রুকের চতুর্থ উইকেট জুটি সকালে ১৫ রান যোগ করেই বিচ্ছিন্ন হয়। ৯৭ বলে ৮৪ রান করা ব্রুককে ফেরান স্কট বোল্যান্ড। দুই ওভার পর মিচেল স্টার্কের বলে শূন্য রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন অধিনায়ক বেন স্টোকস।
এরপর স্মিথকে নিয়ে ইংল্যান্ডের রান ৩০০-র দিকে নিয়ে যান রুট। ১৪৬ বলে তিন অঙ্ক ছোঁয়া এই ব্যাটসম্যান ৪১তম টেস্ট সেঞ্চুরিটিকে টেনে নেন দেড় শ পর্যন্তও। টেস্টে এটি তাঁর ১৭তম ১৫০+ রানের ইনিংস। লাল বলের ক্রিকেটে ১৫০+ ইনিংসে রুট এখন চতুর্থ। তাঁর চেয়ে বেশি আছে শচীন টেন্ডুলকার (২০), ব্রায়ান লারা ও কুমার সাঙ্গাকারা (১৯) ও ডন ব্র্যাডম্যানের (১৮)। রুট ২৪২ বল খেলে ১৬০ রান করে মাইকেল নেসারের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার এক বল পর ইংল্যান্ড শেষ উইকেটটিও হারিয়ে ফেলে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন নেসার, দুটি করে স্টার্ক ও বোল্যান্ড। এরপর অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করেছে ৩৪.১ ওভার। জ্যাক ওয়েদারাল্ড বেশিক্ষণ না টিকলেও (৩৬ বলে ২১) মারনাস লাবুশেনকে নিয়ে হেড আক্রমণাত্মক মেজাজেই ব্যাট চালিয়ে গেছেন। ৯ চারে ফিফটি ছোঁয়া হেড দিন শেষে অপরাজিত এক শর বেশি স্ট্রাইক রেটে। ৯১ রান করেছেন ৮৭ বলে। দিনের শেষ দিকে স্টোকসের বলে আউট হওয়া লাবুশেন করেন ৬৮ বলে ৪৮ রান। নেসার নাইটওয়াচম্যাচ হিসেবে নেমে ১৫ বলে ১ রানে অপরাজিত। অস্ট্রেলিয়া তাকিয়ে এখন হেডের দিকে।সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছেন ‘হেড-মাস্টার’।আর তিনি খেললে কি হয়,সেটা সারা বিশ্ব জানে।








