কোন পথে চলতে পারে লিগ!
ক্লাব-জোট দিল নতুন দিশা
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন পয়গামঃ
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক আইএসএল ক্লাবগুলোর কাছে চেয়েছিলেন লিগ চালানোর নীল নকশা।ক্লাব-জোটও ২৪ ঘন্টার মধ্যে পরিকল্পনা জানিয়ে দিল।
বৃহস্পতিবার আইএসএলের ক্লাব ও ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিনিধির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক সারেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক।অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে প্রবল চাপে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। আজ, শনিবার দুপুর দুটোয় ফেডারেশনের এজিএমে জোটের প্রস্তাব নিয়ে ঝড় উঠতে পারে।
ঠিক কী রয়েছে প্রস্তাবে? ফুটবলের স্বত্ব নিজেদের হাতে তুলে নিতে চায় ক্লাব জোট। পরিবর্তে মুনাফা হিসাবে বার্ষিক ১০ কোটি টাকা তারা তুলে দেবে ফেডারেশনকে। সবুজ সংকেত পেলে ৪৫ দিনের মধ্যে শীর্ষ লিগ আয়োজনে কোমর বেঁধে নামবে তারা। জানা যাচ্ছে, জোট চায় শুধু টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিক ফেডারেশন। রেফারিজ কমিটি, শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির মতো বিষয় এআইএফএফের হাতে থাকুক। শুধু তাই নয়, লিগ পরিচালন কমিটিতে ফেডারেশনের একজনের বেশি প্রতিনিধিকে জায়গা দিতে নারাজ জোট। এসব শর্ত নিয়েই শনিবারের বারবেলায় উত্তপ্ত হতে পারে রাজধানীর ফুটবল হাউস। অভিজ্ঞ মহলের ধারণা, জোটের দাবি মেনে নিলে অস্তিত্ব সংকট শুরু হবে ফেডারেশনের। ক্ষমতা হারিয়ে কার্যত কাঠের পুতুলে পরিণত হওয়া স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তাছাড়া ফেডারেশনের সংবিধানেও বদল আনা প্রয়োজন। বেশ কিছু কমিটি সদস্য ইতিমধ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়ে রেখেছেন।
পাশাপাশি জোটের আরও একটি শর্ত নিয়ে জোর চর্চা ফুটবল মহলে। স্পষ্ট লেখা রয়েছে, চাইলে অন্য কোনও অংশীদারকে আহ্বান করতে পারে জোট। সেক্ষেত্রে তথ্যাভিজ্ঞমহলের ধারণা, বকলমে জোটের মাথায় হাত রয়েছে এফএসডিএলের। বর্তমান সভাপতি কল্যাণ চৌবের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক সাপে-নেউলে। তিনি গদি ছাড়লেই ভারতীয় ফুটবলকে স্বাগত জানাতে রাজি এফএসডিএল। পাশাপাশি চাপ বাড়াতে ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি ছিন্ন করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সেকথা কথাও আগাম ভাসিয়ে দিয়েছে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। অর্থাৎ আইএসএল না হলে টার্মিনেট করা হবে ফুটবলারদের। ইতিমধ্যেই লিগাল সেলের সঙ্গে কথা চালাচ্ছে একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি। শনিবারের মিটিংয়ের দিকে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের নজর রয়েছে। কোনও কারণে ফুটবল না হলে মুখ পুড়বে গেরুয়া শিবিরের। তাদের আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে ফুটবল হাউসে প্রবেশ করেন কল্যাণ চৌবে। ইমেজ বাঁচাতে কাটাকুটির খেলা শুরু হতে কতক্ষণ! আসলে শুধু ময়দানে নয়, বিশ্বের কোথাও কোনওকিছুই স্ট্যাটিক নয়।
এটা আবারও প্রমান হচ্ছে।








