কোহলির মঞ্চে নায়ক মার্করাম,ক্যাচ ফেলে খলনায়ক জয়সওয়াল
এম. রহমান, নতুন পয়গাম, রায়পুরঃ
‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’ এই আপ্তবাক্যকে আবার সত্যে পরিণত করলেন যশস্বী জয়সওয়াল। ১৮ নম্বর ওভারের দ্বিতীয় বলে ক্যাচ তুলে দেন মার্করাম,লোপ্পা ক্যাচ ফেলে ছয় করে দেন জয়সওয়াল। তখন ৫৩ রানে ব্যাট করছিলেন প্রোটিয়া ওপেনার।সেই যে ক্যাচ পড়লো, থামলেন একেবারে ১১০ রানে।
ফলে রাঁচিতে যে গুলি কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিল, রায়পুরে তা এড়ানো গেল না। ক্যাচ মিস আর বাজে বোলিংয়ে সাড়ে তিনশোর উপর রান তুলেও হারল ভারত। বুধবার ওডিআই সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ৪ উইকেটে। আইডেন মার্করামের সেঞ্চুরি, ম্যাথু ব্রিজকি’র ঝোড়ো ইনিংসের সুবাদে অনায়াসেই ৩৫৯ রানের লক্ষ্য টপকে যায় তারা (৩৬২-৬)। সেই সঙ্গে সমতাও ফেরাল সিরিজে (১-১)। ট্র্যাজিক নায়ক হয়েই থাকলেন বিরাট কোহলি, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়রা। তাঁদের শতরান কাজে এল না। শনিবার বিশাখাপত্তনমে নির্ধারিত হবে সিরিজ।
এদিনই ম্যাচের বিরতিতে আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের জার্সি প্রকাশ্যে এল। কিন্তু গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বোলিংয়ের এমন কঙ্কালসার দশা নিশ্চিতভাবেই আতঙ্কে রাখবে সমর্থকদের। প্রসিদ্ধ, হর্ষিত রানারা বেধড়ক ঠ্যাঙানি খেলেন। টেলএন্ডারদেরও উপহার দিলেন বাউন্ডারি। টস জিততে না পারাও হয়ে উঠল ফ্যাক্টর। শিশিরের জন্য স্পিনাররা বল গ্রিপই করতে পারছিলেন না। তিনবার পাল্টাতে হল বল। এমন ভেন্যুতে কেন ম্যাচ দেওয়া হবে, ভাবা উচিত বোর্ডের।
তার আগে ওডিআই কেরিয়ারের ৫৩তম সেঞ্চুরি করেছিলেন বিরাট। কেরিয়ারে পরপর দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি এল ১১বার। সাতটা চার ও দুটো ছক্কায় সাজানো ইনিংসের অমলিন মুগ্ধতা এদিনও মাঠের মধ্যে টেনে আনল বিরাট ভক্তকে। দুর্দান্তভাবে সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন ঋতুরাজও। ওডিআই কেরিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি এল ৭৭ বলে। এক ডজন চার ও দুটো ছক্কায় সাজানো ইনিংসে বুঝিয়ে দিলেন তিনি লম্বা রেসের ঘোড়া। টানা দুটো হাফ-সেঞ্চুরি, অধিনায়কোচিত ইনিংস উপহার দিলেন লোকেশ রাহুলও। তিনি না চালালে রানটা সাড়ে তিনশো পেরত না। কিন্তু টস ভাগ্য এদিনও সহায় হল না কেএলের। এই নিয়ে টানা ২০টা টস হারল ভারত!
তবে এই টস ভাগ্য বিশাখাপত্তনমে তাড়া না করলেই হল।








