রেল বেলাইন! শাহবাজের সাত-এ বাংলার সাত।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন পয়গাম:
শাহবাজ আহমেদের বিষাক্ত ঘূর্ণিতে সফল বাংলার রেল রোকো যাত্রা।শুধু রেল রুখেই ক্ষান্ত হয়নি শাহবাজ,কাইফরা; একেবারে লাইনচ্যূত করে দিল রেলওয়েজকে।মঙ্গলবার ছিল ম্যাচের চতুর্থ তথা শেষ দিন। ফলো-অনের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৯২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল রেলওয়েজ। বাংলার জয় ছিল কার্যত সময়ের অপেক্ষা। তবে ইনিংসে জিতে বোনাস পয়েন্ট পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েই ছিল যাবতীয় সংশয়। কিন্তু শাহবাজের স্পিনের ছোবলে ১৩২ রানেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে রেলের ব্যাটিং। ইনিংস ও ১২০ রানে জেতার সুবাদে বোনাস সহ মোট ৭ পয়েন্ট পেয়ে বাংলা এখন ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে। ৪ ম্যাচে বাংলার সংগ্রহ ১৯ পয়েন্ট। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে হরিয়ানা। খুব সম্ভবত এই দুই দল পরের রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
চলতি মরশুমে জোড়া জয় দিয়ে শুরু করে বাংলা। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে দুর্বল ত্রিপুরার বিরুদ্ধে আত্মতুষ্টির খেসারত দিয়েছিলেন অনুষ্টুপরা। মাত্র এক পয়েন্টেই মুখরক্ষা হয়েছিল বঙ্গ ব্রিগেডের। ভুল শুধরে রেলওয়েজের বিরুদ্ধে দুরন্ত কামব্যাক লক্ষ্মীরতন শুক্লার ছেলেদের। প্রথমে ব্যাট করে বাংলা তোলে ৪৭৪। সেঞ্চুরি হাঁকান অনুষ্টুপ মজুমদার, সুমন্ত গুপ্ত। জবাবে প্রথম ইনিংসে রেলওয়েজ ২২২ রানেই অল-আউট হয়ে যায়। ক্যাপ্টেন সুদীপ ঘরামি বোনাস পয়েন্টের আশায় প্রতিপক্ষকে ফলো-অন করান। সিদ্ধান্তটা কাজেও লাগে।
বাংলার সফল বোলার শাহবাজ। ম্যাচে নিলেন ৮ উইকেট। তার মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭টি। মঙ্গলবার খেলার শুরুতে বাংলাকে একের পর এক সাফল্য এনে দেন বাঁ হাতি শাহবাজ। মাত্র ৪২ রানের মধ্যেই রেলের বাকি পাঁচটি উইকেটের পতন ঘটিয়ে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নেয় বঙ্গ ব্রিগেড। স্বাভাবিকভাবেই দলের সাফল্যে খুশি কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। ফোনে বললেন, ‘শাহবাজ অসাধারণ। বাকিরাও সেরাটা মেলে ধরতে সফল। তবে এই পারফরম্যান্স ধরে রাখতে হবে। আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই।’
পাশাপাশি শাহবাজের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাঁকেও জাতীয় দলের দাবিদার করে তুলছে।








