মুর্শিদাবাদের রানিনগর, ডোমকল, জলঙ্গি তিন আসনেই তৃণমূল হারবে: বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক
নতুন পয়গাম, মুর্শিদাবাদ: জলঙ্গী বিধানসভার তিনবারের বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে দল ত্যাগের ঘোষণা দিলেন। সেই সাথে বিস্ফোরক দাবি করেন। তাঁর জোরালো দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রানিনগর, ডোমকল, জলঙ্গি তিন আসনেই তৃণমূল কংগ্রেসের নিশ্চিত পরাজয় হবে। তাঁর অভিযোগের তির মূলত রানিনগরের বিধায়ক সৌমিক হোসেনের দিকে। তিনি বলেন সৌমিক হোসেন রানিনগর, ডোমকল ও জলঙ্গি বিধানসভার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে। তাঁর নির্দেশেই জলঙ্গি ও ডোমকল বিধানসভায় বহিরাগত প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বেলডাঙ্গা থেকে বাবর আলিকে এনে জলঙ্গিতে প্রার্থী করা হয়েছে। মেদিনীপুরের ডেবরা থেকে হুমায়ূন কবিরকে এনে ডোমকলে প্রার্থী করা হয়েছে। যাতে করে সমস্ত নিয়ন্ত্রণ সে (সৌমিক) নিজের হাতে রাখতে পারে। তিন বিধানসভাকে সে লুটেপুটে খেতে পারে। আব্দুর রাজ্জাক আরও অভিযোগ করেন, রানিনগর বিধানসভার বিধায়ক সৌমিক হোসেনের অধিনস্ত জনপ্রতিনিধিদের কোন স্বাধীনতা নেই। পঞ্চায়েত, ব্লক থেকে সর্বত্র সৌমিক তাঁর ইচ্ছামত লুটপাটের রাজত্ব চালাচ্ছে। সম্প্রতি এই অভিযোগ করে দল ত্যাগ করেছে জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা কামাল ও পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিলশাদ হোসেন।
এদিন আব্দুর রাজ্জাক স্মরন করিয়ে দেয়, ইতিপূর্বে বহিরাগত প্রার্থীদের পরাজয় হয়েছে। সুব্রত সাহা, ইদ্রিস আলি, অলোক দাস প্রমুখ বহিরাগত প্রার্থীর পরিনতি হয়েছিল পরাজয়। এবারেও তাই হবে হবে তিনি মন্তব্য করেন। জলঙ্গির তিন বারের বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক ২০১১ ও ২০১৬ সিপিআইএম থেকে, ২০২১ তৃণমূল থেকে জয়লাভ করে। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল দল তাঁকে টিকিট দেয়নি। এই ক্ষোভ থেকেই তাঁর এই দল ত্যাগ। মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খাঁন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলেও তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দেননি। ভোটের মুখে বিদায়ী বিধয়কের দল ত্যাগ ভোট বাক্সে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটাই দেখার।








