BREAKING:
নববর্ষে আল মোস্তফা মিশনে ছাত্রীদের সংবর্ধনা ও উৎকর্ষ বাংলা কর্মসূচি মুর্শিদাবাদের রানিনগর, ডোমকল, জলঙ্গি তিন আসনেই তৃণমূল হারবে: বিধায়ক আব্দুর রাজ্জাক দৈনিক ‘নতুন পয়গাম’ সংবাদপত্রের ঈদ সংখ্যা প্রকাশ শর্ত সাপেক্ষে সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের অনুমতি এসআইআর: সবার ভোটাধিকার ফেরাতে লড়াই জোরালো হবে কালিয়াচকে ওয়াইসি, মমতা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ সামসেরগঞ্জে জনজোয়ার, রাহুলের সভায় গর্জে উঠল কংগ্রেস বিজেপি-আরএসএস  দেশের সংবিধান ধ্বংস করতে ব্যস্ত: রাহুল গান্ধি গ্রাম থেকে শহর, পাড়ায় পাড়ায় লাল মিছিল রোডম্যাপ ঈদসংখ্যা প্রকাশ ও সেমিনার সম্পন্ন, সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন “আক্রান্ত সাধারণের শিক্ষা, এসো গড়ি প্রতিরোধ” শীর্ষক আলোচনা সভা  হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় ত্রিমুখী লড়াই, ইস্যুতে সেতু, পানীয় জল ও নদীভাঙন রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি পরিবার ব্যান্ডেলে অভিষেকের সভায় সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন চুঁচুড়ার দাপুটে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ গান্ধীজিকে কটূক্তির প্রতিবাদে ধূপগুড়িতে রাস্তা অবরোধ  এসআইআর বাতিলের দাবিকে জোরালো করতেই ১৪ তারিখ মহাসমাবেশ ঘোষণা  বিজেপির যোগ দান কর্মসূচি কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা সাগরদিঘীতে তৃণমূল বনাম এসডিপিআই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১০০ বছরের অধিক সময় ধরে মাদুর তৈরি করে চলেছেন শিল্পীরা বসিরহাটের মহাকুমায় কংগ্রেসের শক্তি প্রদর্শন মনোনয়ন ঘিরে শক্তি প্রদর্শন নবীনচন্দ্র বাগের কান্দিতে শক্তি বাড়িয়ে প্রচারে ঝড় মিম পার্টির হুগলির বলাগড়ের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে সরকারের জনমুখী প্রকল্পের কথা প্রয়াত গনি খানের ভাই আবু হাসেম খান চৌধুরী চার তারিখ যখন ভোট বাক্স খুলবে তখন পদ্মফুলের নেতারা চোখে সর্ষে ফুল দেখবে: অভিষেক সুতিতে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের নিয়ে নির্বাচনী সভা, ইমানী বিশ্বাসের সমর্থনে জনসমাগম ইলামবাজার থানার পক্ষ থেকে জঙ্গলমহলে রুটমার্চ  প্রান্তিক কিন্নর সমাজের অবহেলিত জীবনের কথা, অন্তরালে’র প্রদর্শনীতে ভিড় উপচে পড়ল নন্দনে চুঁচুড়ায় বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই প্রার্থী বললেন ঘরের মাঠে লড়াই করবেন বিধানসভা নির্বাচনঃ হুগলি জেলা নির্বাচনী দপ্তরের উদ্যোগে সর্বদলীয় বৈঠক সম্পন্ন হল উন্নয়ন বনাম প্রতিশ্রুতি– উত্তরবঙ্গে অভিষেকের জনসভায় রাজনৈতিক বার্তা ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয় উদ্বোধন, তৃণমূলকে সমর্থনের বার্তা  নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রস্তুতি, বসিরহাটে দরবারে জিয়ারত ডঃ শহিদুল হকের ১ বুথে ৪২৭ ভোটারের নাম বাদ, ক্ষোভে মালদহ রাজ্য সড়ক অবরোধ  দুবরাজপুর বিধানসভাকে পাখির চোখ করে জনসভা মুখ্যমন্ত্রীর ভোট প্রচার ছেড়ে দ্রুত রক্তদানের ব্যবস্থা করলেন বড়জোড়ার সিপিআইএম প্রার্থী হুগলি জেলা নির্বাচন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ভোটার সচেতনতা র‍্যালি  আরো এক ধাপ এগিয়ে মধ্যমগ্রামের প্রতিবিম্ব ফাউন্ডেশন  ভোট প্রচারে পখন্না এলাকায়  তৃণমূল প্রার্থী  গৌতম মিশ্র  লরির ধাক্কায় স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু, উত্তেজনায় অবরুদ্ধ এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮ ইসলামিক জ্ঞানের আন্তঃরাজ্য প্রতিযোগিতা: করনদীঘীর জামিয়া আল ফুরকানের উদ্যোগে হুগলি জেলার সবকটি বিধানসভা নির্বাচনে ঘরের জন্য ইভিএম ও ভিভিপ্যাট পরীক্ষা করা হল এল পি জি সংকটের মধ্যে সিলিন্ডার থেকে গ্যাসের বদলে জল বেরোনোর অভিযোগ, উত্তেজনা পোলবায় পথে পথে ভালোবাসা, সিউড়িতে অভিনব জনসংযোগে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সিউড়ি আদালতে হাজিরা দিলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল  “গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব নয়” মোথাবাড়িতে বামদের কড়া বার্তা বাতাবারির চার্চে উষ্ণ অভ্যর্থনা, সম্প্রীতির বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে জাঁকজমকপূর্ণ বাসন্তী পুজোর সূচনা ভাঙড়ে ভোটের আগে ‘বারুদ-ছায়া’ ইন্দাসে প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী তৃণমূলের প্রার্থীকে নিয়ে প্রচারের ঝড় জামালপুরে পাথর প্রতিমায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সভায় জনসমুদ্র এস ভি আই এস টি কলেজ ক্যাম্পাসে শুরু হলো আন্ত স্কুল স্পোর্টস টুর্নামেন্ট সুন্দরবনে তৈরি হলো ম্যানগ্রোভ রিসোর্স হাব আরণ্যক এস‌আইআর বিরোধী প্রতিবাদ সপ্তাহে ভগৎ সিং স্মরণ রাজ্যের বৃহত্তম ঈদের জামাত কালিয়াচকের সুজাপুর নয়মৌজা ঈদগাহে কুলতলিতে বিরোধী শিবিরে বড়সড় ধাক্কা ১৫০০ কর্মী-সমার্থক তৃণমূলে যোগদান প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে হুগলি জেলায় সুষ্ঠুভাবে পালিত হল ঈদের নামাজ ‘তিনদিনের যোগী’ বলে সাংসদ রচনাকে কটাক্ষ অসিত মজুমদারের মালদহে আরও চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করলো আম জনতা উন্নয়ন পার্টি অকাল বৃষ্টিতে আলু চাষে বিপর্যয়, ক্ষতিপূরণের দাবিতে কৃষকদের আর্তি গ্রেফতার তৃণমূল ছাত্রনেতা: মেলায় জুয়া খেলার অভিযোগে চাঞ্চল্য থেমে নেই মানবিকতার লড়াই – বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনে আলো জ্বালাচ্ছেন রামপুরহাটের শিক্ষিকা বর্ণালী রুজ উদ্যোক্তা সুব্রত মিদ্যার গ্রাম থেকে গ্লোবাল হওয়ার গল্প বৈষ্ণবনগরে কংগ্রেসের প্রার্থীর দৌড়ে এগিয়ে অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শঙ্কর ঘোষ  আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল বসিরহাটের কন্যা, আরাধ্যা কুণ্ডুর সাফল্যে গর্বিত ক্রীড়ামহল বহরমপুরে লাল কেল্লার থিমে জমজমাট ঈদ উদযাপন রাজ্যে অলিখিত রাষ্ট্রপতি শাসন চলছে বলে অভিযোগ তৃণমূল সুপ্রিমোর  নিম্নমানের রাস্তার কাজের অভিযোগে বিক্ষোভ, কাজ বন্ধ করলেন গ্রামবাসীরা ! আস সুফ্ফাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণে মানবিক দৃষ্টান্ত নির্বাচন ঘোষণা হতেই তৎপর প্রশাসন, ব্যান্ডেল জংশন স্টেশনে জোর তল্লাশি খাটিয়ায় গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে অভিনব প্রতিবাদ মিছিল হয়ে গেল জয়নগরে তৃনমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে প্রার্থী ঘোষণা হতেই প্রচারে সিপিআইএম প্রার্থী নিরঞ্জন রায় চা বাগানে ফের খাঁচাবন্দি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘ, এলাকায় চাঞ্চল্য  সমবায় সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা চাকুলিয়ায় নজিরবিহীন ইফতার মাহফিল ভিক্টরের, ২০ হাজার মানুষের ঢলে রেকর্ড ভাঙল সমাগম ভোট ঘোষণা হতেই তৃণমূল ত্যাগ সাসপেন্ডেড নেতা আরাবুল ইসলাম মালদহে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলন বিভিন্ন গণসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে পবিত্র রমজান উপলক্ষে মালদহে মানবতার ছোঁয়া, দুস্থদের পাশে বিদেশের মসজিদ মুর্শিদাবাদে প্রায় ১১ লক্ষ মানুষ ‘বিচারাধীন’, স্মারকলিপি সদভাবনা মঞ্চের জাহাজের ধাক্কায় সুমুদ্রে ট্রলার ডুবিতে গুরুতর জখম ৯ নিখোঁজ ২  আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিচারাধীন বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় রাখার দাবিতে ডেপুটেশন মহেশতলায় নির্যাতিতার পাশে মানবাধিকার প্রতিনিধি দল হুগলির পোলবায় অবৈধ পোস্ত চাষের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ১০৭টি অসহায় পরিবারের পাশে আলোর মানবিক সংস্থা মোথাবাড়ির ভূমিপুত্র নজরুল ইসলামের উদ্যোগে হাজারো দরিদ্র মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ উত্তরপাড়া এখন চোরেদের আঁতুরঘর, রীতিমতো আতঙ্কিত এলাকাবাসী  মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, গ্যাস আতঙ্কে ইনডাকশন ওভেন কেনার ধুম চুলাই মদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান, নষ্ট করা হলো সরঞ্জাম সরকারি উদ্যোগে আলু সংরক্ষণ শুরু, ন্যায্যমূল্যের আশায় খুশি কৃষকরা মালদহে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে উঠেছে ‘স্বাধীনোত্তর ভারতে নারীর অধিকার ও মর্যাদা’ শীর্ষক সেমিনার কলকাতায় ডিজিটাল আসক্তি বনাম বইমুখী সংস্কৃতি: লাইব্রেরি কি হারিয়ে যাচ্ছে? ভোটাধিকার রক্ষায় জেলা শাসকের দপ্তরে হাজারো মানুষের জমায়েত ও ডেপুটেশন হুমায়ুনের হেতমপুরে তৃণমূলের কোর কমিটি ঘিরে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, পদত্যাগের হুঁশিয়ারি একাংশ নেতার সিউড়ির হাটজনবাজারে রেল লেভেল ক্রসিং বন্ধ ঘিরে বিক্ষোভ, মানুষের চাপে সিদ্ধান্ত বদল রেলের ভোটার তালিকা নিয়ে মুর্শিদাবাদে ক্ষোভ, জেলাশাসককে স্মারকলিপি মিল্লি ঐক্য মঞ্চের মরণোত্তর চক্ষু ও দেহদান সংগ্রহ কেন্দ্রের উদ্বোধন হাওড়ার আমতায় জলকষ্টের অবসান, মাজুরিয়া আদিবাসী পাড়ায় নতুন পানীয় জল প্রকল্পের উদ্বোধন ভাবতা আজিজিয়া হাই মাদ্রাসার ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ

প্রেসিডেন্ট কেনেডি হত্যার ৬২ বছর। আজো রহস্য উদঘাটন হল না, এও এক রহস্য!!

প্রকাশিত: ২২ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:০০ | আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২৫, দুপুর ১২:০০

বিশেষ প্রতিবেদন

আরও পড়ুন:

আজ থেকে ৬২ বছর আগে নভেম্বরের এক রৌদ্রোজ্জ্বল সকাল। একপশলা বৃষ্টির পর আকাশ ঝকঝক করছে। আমেরিকার টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরে সাজসাজ রব। শহরের বাসিন্দারা সকাল থেকে সেজেগুজে সড়কের পাশে জড়ো হচ্ছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির রোড-শো শুরু হবে। সঙ্গে ফার্স্ট লেডি জ্যাকুলিন কেনেডিও থাকবেন। এই দম্পতি তখন দেশে ও দেশের বাইরে তুমুল জনপ্রিয়। সবাই নিজের চোখে তাঁদের দেখতে উদ্গ্রীব।
দিনটি ছিল ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর শুক্রবার। আগের দিন প্রেসিডেন্ট কেনেডি স্ত্রীকে নিয়ে টেক্সাসের হিউস্টনে এসেছেন। পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে এটি ছিল তাঁদের রাজনৈতিক সফর। যদিও তখনো কেনেডি পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেননি। কিন্তু সেপ্টেম্বরের পরই তিনি নির্বাচন ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে কেনেডি দম্পতিকে স্বাগত জানানোর আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে সেখান থেকে মোটর শোভাযাত্রা শুরু হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি যখন ক্ষমতায় আসেন, তখন বৈশ্বিক রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মুখোমুখি ছিল আমেরিকা। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পরের বছরই ‘কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকট’ তৈরি হয়। যে সংকট সামলে বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। কিন্তু পরের বছরই আততায়ীর গুলিতে নিহত হন তিনি। আড়াই বছরের একটু বেশি তিনি দেশ শাসন করেন। এত অল্প সময়েও তিনি যতটা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, তা খুব কম মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাগ্যে জুটেছে।
একটি কালো রঙের ছাদখোলা লিমুজিনে চড়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। পাশে বসা গোলাপি রঙের পোশাকে স্ত্রী জ্যাকুলিন কেনেডি। গাড়িতে তাঁদের সামনের সিটে বসে ছিলেন টেক্সাসের গভর্নর জন কনালি ও তাঁর স্ত্রী নেলি। সড়কের দু-পাশে হাজার হাজার মানুষ কেনেডি দম্পতিকে দেখে হাত নাড়ছিলেন, খুশিতে চিৎকার করছিলেন। প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিও হাসিমুখে হাত নেড়ে জনতার অভিবাদনের জবাব দিচ্ছিলেন। শহরের বিভিন্ন পথ পেরিয়ে শোভাযাত্রা ডিলি প্লাজার দিকে এগোচ্ছিল। ঘড়ির কাঁটা তখন দুপুর সাড়ে ১২টা ছুঁই ছুঁই।
ডিলি প্লাজার মেইন স্ট্রিট থেকে কনভয় ঘুরে টেক্সাস স্কুল বুক ডিপোজিটরির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গুলির শব্দ…মাথা কাত করে স্ত্রীর গায়ে ঢলে পড়েন প্রেসিডেন্ট কেনেডি। পরে প্রেসিডেন্টের ঘাড়ে ও মাথায় গুলির ক্ষতচিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। গভর্নর কনালির পিঠেও গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ ও রক্তাক্ত প্রেসিডেন্টকে নিয়ে গাড়িটি দ্রুতবেগে কাছের পার্কল্যান্ড মেমোরিয়াল হাসপাতালে ছুটে যায়। কিন্তু চিকিৎসকদের তখন আর কিছু করার ছিল না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার আধা ঘণ্টা পর প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান গভর্নর কনালি। আততায়ীর গুলিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি নিহত হয়েছেন — এ খবরে শুধু আমেরিকাই নয়; সারা বিশ্বের জন্য শোকের ছায়া নেমে আসে।

আরও পড়ুন:

হত্যাকারী লি হার্ভি অসওয়াল্ড:

আরও পড়ুন:

একটি উঁচু ভবন থেকে প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আততায়ী। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়। গ্রেপ্তার হয় ঘাতক ২৪ বছর বয়সী সাবেক মেরিন সেনা লি হার্ভি অসওয়াল্ড। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল, সে সম্পর্কে অসওয়াল্ডের বক্তব্য কেউ জানার সুযোগ পায়নি। কারণ, গ্রেপ্তার হওয়ার দুই দিন পরই এক নৈশক্লাবের মালিক জ্যাক রুবি ডালাসের পুলিশ সদর দপ্তরে ঢুকে সেখানকার বেসমেন্টে একেবারে সামনে থেকে গুলি করে অসওয়াল্ডকে হত্যা করেন।
ওই সময় পুলিশ অসওয়াল্ডকে আদালতে নিয়ে যাচ্ছিল, টেলিভিশনে সরাসরি তা দেখানো হচ্ছিল। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ রুবিকে গ্রেপ্তার করে। পরে বিচারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে রুবি আপিল করলে তাঁর সাজা বাতিল হয় এবং নতুন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রুবি অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাঁর ক্যানসার ধরা পড়ে। বিচার কার্যক্রম শেষ হওয়ার আগেই রুবি মারা যান ১৯৬৭ সালের ৩ জানুয়ারি। অসওয়াল্ড নিহত হওয়ায় কেনেডি হত্যাকাণ্ড ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়। হত্যাকাণ্ড ঘিরে অনেক ধরনের ষড়যন্ত্র তত্ত্ব উঠে আসে।

আরও পড়ুন:

John F. Kennedy assassination conspiracy theories - Wikipedia

ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব:

আরও পড়ুন:

২০২২ সালে কেনেডির হত্যাকাণ্ড নিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার মতো একটি শীর্ষ দেশের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হল, আর সন্দেহভাজন হত্যাকারী ধরা পড়ার পর পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় দুই দিনের মাথায় তাঁকেও একেবারে সামনে থেকে গুলি করে মারা হল, বিষয়টি অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়েছে। এছাড়া সন্দেহভাজন হত্যাকারী অসওয়াল্ডকে ঘিরেও ছিল অনেক প্রশ্ন। কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে দ্রুত অনেক ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়াতে থাকে। কারণও ছিল। প্রথমত, প্রেসিডেন্ট কেনেডি ছিলেন অসম্ভব জনপ্রিয়। দ্বিতীয়ত, এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তেজনা চলাকালে। কেনেডি হত্যার পর যেকোনো সময় পরমাণু যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা করা হচ্ছিল।
কেনেডি হত্যা-রহস্য উদ্ঘাটনে মার্কিন সরকারের নিয়োগ করা কমিশন তদন্তের পর বলেছিল, অসওয়াল্ড একাই এ কাজ করেছেন, তাঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন না। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বড় কোনো ষড়যন্ত্রের কথা কমিশন নাকচ করে দেয়। কিন্তু কমিশন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি। লি হার্ভি অসওয়াল্ড কেনেডি হত্যাকাণ্ডের আগে বেশ কিছু সময় সোভিয়েত ইউনিয়নে ছিলেন। বলা হয়, তিনি সোভিয়েতের পক্ষ অবলম্বন করেছিলেন। তবে কেনেডি হত্যাকাণ্ডের আগের বছর তিনি মার্কিন মুলুকে ফিরে আসেন। কোনো কোনো ষড়যন্ত্র তত্ত্বে দাবি করা হয়, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কিউবার পক্ষ হয়ে এ কাজ করেছেন অসওয়াল্ড। আরেক তত্ত্বে দাবি করা হয়, এর পেছনে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র হাত ছিল। এমনকি কেউ কেউ তো কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পেছনে তাঁরই ভাইস প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনের হাত থাকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন। তিনিই নাকি প্রেসিডেন্টকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে ছিলেন।
২২ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট কেনেডির মৃতদেহ লাভফিল্ড বিমানবন্দর নিয়ে এসে এয়ারফোর্স ওয়ানে রাখা হয়। মৃতদেহ নিয়ে আকাশে ওড়ার আগেই ভিড়ে ঠাসা কেবিনের ভেতরেই ৩৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন লিন্ডন বি জনসন। বেলা ২টা ৩৮ মিনিটে জনসনকে শপথবাক্য পাঠ করান মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট আদালতের বিচারক সারাহ হিউজ। সিআইএ এবং এফবিআই আগে থেকে এ রকম এক হুমকির ব্যাপারে কতটা জানত, তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন আছে। অনেকের বিশ্বাস, কেনেডির ওপর গুলি চালিয়েছিলেন একজন নয়, দু-জন বন্দুকধারী।

আরও পড়ুন:

Assassination of John F. Kennedy - Wikipedia

প্রত্যক্ষদর্শীর স্বীকারোক্তি:

আরও পড়ুন:

২২ নভেম্বর জন এফ কেনেডি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে অবস্থান করছিলেন মার্কিন গোয়েন্দা পল ল্যান্ডিস। কেনেডির লিমুজিনের পেছনের গাড়িতেই তিনি ছিলেন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক টাইমস-কে সাক্ষাৎকারে ল্যান্ডিস কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে ওয়ারেন কমিশনের দেওয়া ‘একক বুলেট তত্ত্ব’কে চ্যালেঞ্জ করেন। ওয়ারেন কমিশনের ওই তত্ত্বে বলা হয়, একটি গুলিই প্রেসিডেন্ট কেনেডির মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে বেরিয়ে গভর্নর কনালির পিঠ, কবজি ও ঊরুতে আঘাত করে। গুলি কনালির পিঠ দিয়ে প্রবেশ করে তাঁর ফুসফুসে আঘাত করেছিল। একটি গুলি কীভাবে সাতটি ক্ষত তৈরি করে, তা নিয়ে এখনো বিশ্বাসযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
হত্যাকাণ্ডের তদন্তে থাকা ওয়ারেন কমিশন কখনোই ল্যান্ডিসের সাক্ষাৎকার নেয়নি। ল্যান্ডিস নিজেও কখনো এ বিষয়ে সামনে এসে মুখ খোলেননি। প্রায় ৬০ বছর চুপ থাকার পর ৮৮ বছর বয়সী পল ল্যান্ডিস তাঁর স্মৃতিচারণামূলক বই নিয়ে প্রথম বিষয়টি সামনে আনেন। কেনেডির রহস্যময় হত্যাকাণ্ড নিয়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকাশ পায় ল্যান্ডিসের বই ‘দ্য ফাইনাল উইটনেস’। পল ল্যান্ডিস তাঁর বইয়ে ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বরের ঘটনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিবরণ দিয়েছেন। তবে ল্যান্ডিস বইয়ে লিখেছেন, তিনি কেনেডি হত্যা নিয়ে ষড়যন্ত্রতত্ত্ব প্রচার করতে চান না।

আরও পড়ুন:

President Kennedy Challenges NASA to Go to the Moon

যেমন ছিলেন প্রেসিডেন্ট কেনেডি:

আরও পড়ুন:

জন এফ কেনেডির পুরো নাম জন ফিটজেরাল্ড কেনেডি। ১৯৬১ সালের ২০ জানুয়ারি ৩৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি শপথ নেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ৪৩ বছর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকনিষ্ঠ নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। অভিজাত ও মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাবশালী পরিবার থেকে উঠে আসা জন এফ কেনেডি কেমন প্রেসিডেন্ট ছিলেন? অনেকের কাছে তিনি ছিলেন বহুমুখী গুণের অধিকারী ক্যারিশমাটিক নেতা। কেনেডি আমেরিকাকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে বাঁচিয়েছেন। বর্ণবাদে বিভক্ত আমেরিকাকে এক সুতায় গাঁথতে কাজ করেছেন। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির হোতা রিচার্ড নিক্সনকে ১৯৬০ সালের নির্বাচনে পরাজিত করেছেন।
তবে নিন্দুকের কাছে কেনেডি ‘প্লেবয়’; যিনি হলিউড তারকা মেরিলিন মনরোর সঙ্গে গোপন সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতাকে দীর্ঘায়িত করেছেন। নাগরিক অধিকারকে তিনি রাজনৈতিক সমস্যা নয়; বরং নৈতিক সংকটের দৃষ্টি থেকে দেখে সমস্যার প্রকৃত কারণ অনুধাবনে ব্যর্থ হয়েছিলেন। এসব নিন্দুক মনে করেন, কেনেডির মৃত্যু তাঁকে ট্যাবলয়েড পত্রিকার রসালো শিরোনাম হওয়ার যাতনা থেকে রক্ষা করেছে। হলিউড তারকা মেরিলিন মনরো বা মাফিয়া জুডিথ ক্যাম্পবেলের সঙ্গে দহরম-মহরম তাঁকে এমন অবস্থায় ফেলতেই পারত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেনেডি তাঁর আড়াই বছরের শাসনামলে নাগরিক অধিকার নিয়ে নানা কাজ করলেও ওই বয়সে বড় ধরনের কোনো সামাজিক পরিবর্তন চাননি। কারণ, তাঁর মনে ভয় ছিল, ওই বয়সে এত বড় কাজ করতে গেলে তাঁর দল ডেমোক্রেটিক পার্টি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন:

Why We Still Don't Have the JFK Assassination Files - POLITICO

গোপন নথি প্রকাশ:

আরও পড়ুন:

কেনেডি হত্যার পর প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসন এ হত্যাকাণ্ড তদন্তে একটি কমিশন গঠন করেন। কমিশনের প্রধান করা হয় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি আর্ল ওয়ারেনকে। ১৯৬৪ সালে কমিশন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, অসওয়াল্ড একাই কেনেডিকে হত্যা করেছেন। তাঁর সঙ্গে আর কারও জড়িত থাকার বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ১৯৯২ সালের ‘জেএফকে রেকর্ডস অ্যাক্ট’ নামের একটি আইনের অধীন ২০১৭ সালের মধ্যে প্রেসিডেন্ট কেনেডি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সব গোপন নথি প্রকাশ করার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী কয়েক বছর ধরে কয়েক দফায় হাজার হাজার পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করা হয়। চলতি বছর মার্চেও কেনেডির গুপ্তহত্যা নিয়ে দুই হাজারের বেশি গোপন নথি প্রকাশ করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।
কেনেডি নিহত হওয়ার পর মার্কিন সরকার এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছিল, তা যে সঠিক নয়, নতুন প্রকাশিত নথিতে এর পক্ষে তেমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যেসব গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছিল, প্রকাশিত নথি নতুন করে তাতে আলো ফেলেছে। এসব নথিতে কেনেডির হত্যাকারী সম্পর্কে বিস্তারিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। যদিও কেনেডি হত্যাকাণ্ডের পর ছয় দশকের বেশি পেরিয়ে গেছে, এখনো বেশির ভাগ মার্কিন এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারি বয়ানে বিশ্বাস করেন না।
এ নিয়ে ২০২৩ সালে একটি জরিপ চালায় জরিপকারী প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ। তাতে উঠে আসে, ওয়ারেন কমিশনের উপসংহার সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ৬৫ শতাংশ মার্কিন। মার্চে প্রকাশিত নতুন নথিতে ওয়ারেন কমিশনের টানা উপসংহার ছাড়া তেমন নতুন কিছু সামনে আসেনি। তবে নতুন প্রকাশিত নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে, কেনেডিকে হত্যার আগে মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কিউবার দূতাবাসে গিয়েছিলেন অসওয়াল্ড।
একটি নথিতে কিছু গোয়েন্দা প্রতিবেদন রয়েছে। সেসব প্রতিবেদনে অসওয়াল্ড কখন সোভিয়েত ইউনিয়নে গিয়েছিলেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। সেই নথি অনুযায়ী, চাকরি ও মার্কিন নাগরিকত্ব ছেড়ে ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নে পাড়ি জমান অসওয়াল্ড। তিন বছর পর ১৯৬২ সালে আবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন। ওই নথিতে সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবির নিকোনভ নামে একজন গুপ্তচরের নাম রয়েছে। তিনি সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থায় থাকা নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখেছেন, অসওয়াল্ড কখনো কেজিবির গুপ্তচর ছিলেন কি না।
মার্কিন সরকারের নজরদারিবিষয়ক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অসওয়াল্ড যুক্তরাষ্ট্রে আবার ফিরে আসার পর তাঁর গতিবিধি নিবিড়ভাবে নজরদারি করেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, অসওয়াল্ড গুলি চালানোর ক্ষেত্রে তেমন দক্ষ ছিলেন না বলে ধারণা করা হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, এ হত্যাকাণ্ড–সম্পর্কিত সব নথি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সিআইএ ও এফবিআইয়ের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত প্রকাশ করতে পেরেছিলেন মাত্র ২ হাজার ৮০০টি নথি। ট্রাম্পের পর জো বাইডেনের প্রশাসন আরও প্রায় ১৭ হাজার নথি প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder