ব্যান্ডেলে অভিষেকের সভায় সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন চুঁচুড়ার দাপুটে বিজেপি নেতা সুরেশ সাউ
নতুন পয়গাম, আব্দুল গফফার, হুগলিঃ গত কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল হুগলি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি সুরেশ সাউ তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। অবশেষে রবিবার সাহাগঞ্জের ডানলপ মাঠে সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিলেন সুরেশ সাউ। তার সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন, হুগলির ডানলপ মাঠে তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে সুরেশের হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে দেন অভিষেক। অন্যদিকে তৃণমূল প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য সুরেশের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে দেন। অভিষেকের সামনেই পুষ্পা সিনেমার ডায়লগ বলতে শোনা যায় সুরেশ কে। কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনার বিরুদ্ধে অভিষেকের লড়াইকে তিনি পুষ্পা সিনেমার হিরো আল্লু অর্জুনের বিখ্যাত ডায়লগের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেমন,ঝুকেগা নেহি।
সুরেশ আরো বলেন, অনেক কষ্ট করে দলটা করছিলাম কিন্তু আমাদের মত কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। তাই আমরাই যদি প্রতারিত হই সাধারণ মানুষের সঙ্গে কেমন প্রতারণা করা হয়েছে। ভেবেছিলাম ভুল থেকে শিক্ষা নেবে কিন্তু একের পর এক ভুল করেই যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে কর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে । হুগলিতে একটা আসনও বিজেপি পাবে না। আগামী দিনে বিজেপিতে পতাকা ধরার লোক থাকবে না। আরো অনেকে তৃণমূলের পতাকা ধরবে। যদিও সুরেশের চলে যাওয়াকে আপদ বিদায় হয়েছে বলে মনে করেন চুঁচুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুবীর নাগ।
সুবীর নাগ বলেন, লোকসভা ভোটের আগে থেকে দলবিরোধী কাজ করেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় হারার জন্য ওই মূলত দায়ী। ওর অনেকদিন আগে থেকে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল যেটা আমরা অনেক আগেই জানতাম। ফাঁকা কলসি যার কিছুই নেই তার বেড়ার বাড়ি আজ অট্টালিকা কিভাবে হল, তাই সকলেই জানেন। এর আগেও দল ভাঙিয়ে তৃণমূলের যোগ দেওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছিল কিন্তু তখন যায়নি। ও দলের ক্ষতি করেছে। সুরেশ চলে যাওয়ায় দলের কোনো ক্ষতি হবে না। সুবীর বলেন, দলের একটা অংশকে দুর্বল করার কাজ করছিল। সব জেনেও দল কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কেন? কিছু নিশ্চই বাধ্যবাধকতা ছিল। যারা তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে আমাদের দলে ছিল তারা কয়েকজন চলে গেছে। এতে দলের ভালোই হবে।








