নিধিরাম সর্দার মার্কা হামাসকে দেখতে চায় না ৭০ শতাংশ ফিলিস্তিনি
নতুন পয়গাম, রামাল্লা:
বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি নাগরকি গাজায় হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় ইসরাইল সত্যিই গাজা যুদ্ধের ইতি টানবে কি না, তা নিয়েও তাঁদের গভীর সংশয় রয়েছে। এ নিয়ে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও গাজাজুড়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছে পিসিপিএসআর। সেই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭০ শতাংশেরও বেশি ফিলিস্তিনি বলেছেন, তাঁরা হামাসের নিরস্ত্রীকরণের ঘোর বিরোধী। হামাস নিরস্ত্র হলে ইসরাইল আবার হামলা শুরু করতে পারে। এই আশঙ্কা থেকেই ফিলিস্তিনিরা গাজা উপত্যকার স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের অস্ত্র ছাড়ার পক্ষে নন।
হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে অধিকৃত পশ্চিম তীরে। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ ফিলিস্তিনি বলেছেন, তাঁরা চান হামাসের সশস্ত্র শাখা নিজেদের অস্ত্র ধরে রাখুক।

২২ থেকে ২৫ অক্টোবর এই জনমত সমীক্ষা চালানো হয়। বুধবার জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
উল্লেখ্য, অধিকৃত পশ্চিম তীর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) অধীন পরিচালিত হয়। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী দল ফাতাহ। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের দল ফাতাহ-র সঙ্গে হামাসের তীব্র মতবিরোধ রয়েছে। অন্যদিকে গাজার ৬৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করেছেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, গাজা যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্প যে শান্তি পরিকল্পনা করেছেন, তাকে তারা বিশ্বাস করেন না। ট্রাম্প কোনদিন গাজার ভাল চায় না বলেই তাদের অভিমত।
কেন ফিলিস্তিনিরা হামাসের নিরস্ত্রীকরণের বিরোধিতা করছেন, তার উত্তরে জরিপে অংশগ্রহণকারীরা বলেছেন, গাজা যুদ্ধ অবসানে ট্রাম্প যে শান্তি পরিকল্পনা করেছেন, তা নিয়ে তাঁরা গভীরভাবে সন্দিহান। তারা ট্রাম্পকে বিশ্বাস করে না, তাকে শান্তির দূত মনে করেন না। ৬২ শতাংশ ফিলিস্তিনি মনে করেন, ট্রাম্প এ যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে পারবেন না। কারণ, তার সদিচ্ছা নেই। উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ৯ অক্টোবর মিসরের পর্যটন শহর শারম আল-শেখে গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি সই হয়। পরদিন ১০ অক্টোবর থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।








