মাদ্রাসা শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমিতির হুগলি জেলা সম্মেলন
নতুন পয়গাম:
হুগলির ডানকুনি সিদ্দিকিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হল ১৭তম ত্রিবার্ষিক মাদ্রাসা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির জেলা সম্মেলন। জেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা থেকে প্রায় তিন শত শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী, মুখ্য সম্প্রসারক, সম্প্রসারিকা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সভার সূচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন সমিতির রাজ্য কনভেনর সৈয়দ শাফাকাত হোসেন।
স্বাগত ভাষণে জেলার সভাপতি ও মুখপাত্র সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর এই সমিতি রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে যে ভূমিকা পালন করে আসছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজকের মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ, সার্ভিস কমিশন, ডিএমই — সবকিছুই সমিতির আন্দোলনের ফসল। বর্তমানে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ায় পঠন-পাঠন ব্যাহত হচ্ছে। সম্মেলন থেকে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করা হয়, যত দ্রুত সম্ভব বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করার। সমিতির রাজ্য নেতৃত্ব ও বিভিন্ন জেলার নেতৃত্ব দাবি করেন, মাদ্রাসা শিক্ষা কেন্দ্রগুলির অবস্থা আরো শোচনীয়। এসব প্রতিষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে লেখাপড়া শিখছে। কিন্তু শিক্ষক পদ শূন্য হলে নতুন নিয়োগের কোন রুলস না থাকায় বহু প্রতিষ্ঠান আজ বন্ধের মুখে। তাই এমএসকেগুলিতে শিক্ষক নিয়োগ করে মুখ্য সম্প্রসারকদের অনারিয়াম বৃদ্ধি করে প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাবার আবেদন রাখেন।

অনুষ্ঠানে রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুখ্যমন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে যে গুরুত্ব দিয়ে চলেছেন, আগামী দিনেও তা অব্যাহত থাকবে। আপনারা সকলে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের সাথে সাথে সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের সঙ্গে থাকুন।
সমিতির জেলা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান মল্লিক সম্পাদকীয় প্রতিবেদন পেশ করার পর উপস্থিত সকলেই তার ওপর মতামত প্রকাশ করে। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সম্পাদক আলী হোসেন মিদ্দা, কার্যকরী সভাপতি শহিদুল ইসলাম, মাওলানা শেখ মইনুদ্দীন, রবিউল ইসলাম, আদর আলী প্রমুখ। আগামী তিন বছরের জন্য সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনকে সভাপতি ও মোঃ ওবায়দুর রহমান মল্লিককে সম্পাদক হিসেবে মোট ২৯ জনের কমিটি তৈরি হয়।








