কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত শুক্রবারি আবুল কাশেম হাই মাদ্রাসায়
উমার ফারুক, নতুন পয়গাম, মালদা:
মালদা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) করণের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে শনিবার চাঁচল-২ব্লকের শুক্রবারি আবুল কাশেম হাই মাদ্রাসায় কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। চাঁচল মহকুমা এলাকার সরকার পোষিত বিভিন্ন মাদ্রাসার পড়ুয়ারা উক্ত ওয়ার্কশপে অংশ গ্রহণ করে।
জেলা শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের হৃদ রোগ বিষয়ে সচেতন করার উদ্দেশ্যে এই ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়। সরকার পোষিত মাদ্রাসায় উত্তরবঙ্গে এই প্রথম কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হলো। স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকগণ হাতে কলমে এই বিষয়ে পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হয়।
এই প্রসঙ্গে মালদা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক(মাধ্যমিক) বাণীব্রত দাস বলেন,জেলা শিক্ষা দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে এই ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গে এই প্রথম মাদ্রাসায় এই ধরনের প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মালতিপুরের বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সি,অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক মাসুদ করিম আনসারি,ডেপুটি সিএমওএইচ ড.অমিতাভ মণ্ডল, বামনগোলা ব্লকের বিএমওএইচ সুদীপ কুণ্ডু, ডিপিএইচএনও তন্দ্রা চৌধুরী, শিক্ষক উত্তীয় পাণ্ডে,আব্দুল লাহিল মামুন সহ অন্যান্যরা।
প্রজেক্টরের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরেন জেলা টিবি (যক্ষ্মা) বিভাগের আধিকারিক ড.শৌভিক দাস। তিনি বলেন, কার্ডিও পালমোনারি রিসাসিটেশন ওয়ার্কশপের মাধ্যমে পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিষয়টি তারা অন্যান্যদের মাঝে তুলে ধরতে পারবে।
ডাক্তার সুদীপ কুণ্ডু বলেন, যদি হঠাৎ করে কোন ব্যক্তি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। তাকে দ্রুত সিপিআর দিতে হবে।
এক মিনিটে একশত কুড়ি বার সিপিআর দিতে হবে। তবে প্রথমে দেখতে হবে ব্যক্তির জ্ঞান আছে কিনা,ক্যারোটিক পালস আছে কিনা,রেসপিরেশন বা শ্বাস নিতে পারছে কিনা। এই তিনটি না থাকলে সিপিআর দিতে হবে।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শুক্রবারি আবুল কাশেম হাই মাদ্রাসার শিক্ষক মহম্মদ শাজাহান আলি। মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ড. ওবাইদুর রহমান সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।







