বহিরাগত এনে ভোটার বাড়ানো হচ্ছে: মমতা
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
বহিরাহগতদের এনে রাজ্যে ভোটার বানানোর চক্রান্ত করছে বিজেপি। শুক্রবার এমমনই চাঁচাছোলা ভাষায় বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ব্যাপারে পুরসভার কাউন্সিলারদের সতর্ক করে মমতা বলেন, বাইরে থেকে কেউ এসে রাজ্যের কোথাও থাকছে কি না, সেদিকে নজর রাখা প্রয়োজন। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে শাসক শিবিরের টানাপড়েন বাড়ছে। পদ্মফুল বনাম ঘাসফুলের মধ্য রাজনৈতিক তরজার পারদ চড়ছে। দেশজুড়ে বাংলাকে অবমাননা এবং বেছে বেছে বাঙালিদের হেনস্থা ও নির্যাতন বাড়ছে। এই আবহে ভোটকে কেন্দ্র করে সামনে আসছে বহিরাগত প্রসঙ্গ।
বিষয়টি ভবানীপুরের বিজয়া সম্মিলনীতে তুলে ধরে মমতা বলেন, বহিরাগত বলতে একটি রাজনৈতিক দলকে বলছি। যারা আমাদের ভোটারের নামের পাশে ১০টা বাইরের লোকের নাম তোলে, যাতে এখানকার ভোটাররা ভোট দিতে না পারেন। এখানকার সবাই বাংলার মানুষ। কিন্তু নির্বাচনের প্রাক্কালে কিছু বহিরাগতকে নিয়ে আসা হয় বা হচ্ছে। তারা হোটেল, গেস্ট হাউস ভাড়া করে থাকে। এমনকি ফ্ল্যাটও কিনে নেয়। অথচ তারা এখানকার বাসিন্দা নয়। কারো নাম কখনোই দুই জায়গার ভোটার তালিকায় থাকতে পারে না। কাউন্সিলার ও দলের নেতাদের বলেছি, সব দিকে নজর রাখতে।
এদিন কলকাতার কয়েকটি কালীপুজোর উদ্বোধন করেও মমতার বক্তব্যে উঠে এসেছে বহিরাগতদের বাংলায় আসর পেতে বসার প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘আমি আমার এলাকার ওয়ার্ডগুলিকে খুব ভালভাবে চিনি। দীর্ঘকাল যারা এলাকার বাসিন্দা, তাঁদের সম্পর্কে কিছু বলিনি। তাঁরা সকলেই বাংলার মানুষ ও এখানকার ভোটার। নোট বাতিল, করোনার সময় আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। সারা বছরই তাদের পাশে আমরা থাকি। সব উৎসবে একসঙ্গে থাকি। কিন্তু এই সময় বহিরাগত প্রসঙ্গে সবাইকে সাবধান সতর্ক করে মমতার বার্তা, কেন্দ্র সরকারের সাম্প্রতিক রিপোর্টই বলেছে, দেশের মধ্যে কলকাতা সবথেকে নিরাপদ শহর। এখানকার মানুষ খুবই শান্তিপ্রিয়। কিন্তু সমস্যাটা হয় বহিরাগতদের জন্য।








