গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা: মানবতার মহত্ত্ব, সাহস ও আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ব ও কর্মচেতনা, ইজ্জত ও সম্মানের এক যাত্রা
জহর সরকার
নতুন পয়গাম, ২ অক্টোবর ২০২৫:
গাজার সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবেশ করা একটি জাহাজের ডিজিটাল সিগন্যালই সমগ্র মানবতাকে যেভাবে আনন্দে উদ্বেলিত করে দিচ্ছে! সুমুদ ফ্লোটিলা গাজাবাসীর কাছে পৌঁছাতে পারবে কিনা জানি না, তবে যা-ই ঘটুক না কেন, এই ‘সুমুদ ফ্লোটিলা’ দখলদার ইজরায়েলের গত ১৭ বছরের গাজা অবরোধকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। সরিয়ে দিয়েছে ভয়ের বেড়াজাল, দেখিয়ে দিয়েছে দখলদার ইজরায়েল এবং পাশ্চাত্যের মোড়ল রাষ্ট্রগুলো মোটেও অজেয় নয়! সত্যিই এখন সবাই বিশ্বাস করছে, গাজায় পৌঁছানো সম্ভব। বৃহৎ নাগরিক আন্দোলন এবং সংগঠনগুলো এখন সমগ্র বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে, পড়ছে।
হে মানবতা, হে মুসলিম উম্মাহ, যারা কয়েকটি শিশু-খাদ্যের কৌটা, মেডিসিন আর ময়দার বস্তা দেখে ভয় পায়, সেই দখলদারদের বড় করে দেখার কিছুই নেই। শীঘ্রই এ ভীতু, কাপুরুষরা পরাজিত হবে এবং মসজিদে আকসা ও ফিলিস্তিন মুক্ত হবে, ইনশাআল্লাহ।
বিশেষত আজকের দিনে মহান রবকে সাক্ষী রেখে বলতে হয়, ৮৩৮ বছর আগে আজকের দিনে, মহান সেনাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবীর নেতৃত্বে মসজিদে আকসা ও ফিলিস্তিন মুক্ত হয়েছিল। হে আল্লাহ! যেমন তুমি সালাহউদ্দিন আইউবীর জন্য মসজিদে আকসা ও ফিলিস্তিন এর দরজা খুলে দিয়েছিলে, তেমনি আমাদের জন্যও খুলে দাও। সালাহউদ্দিন আইয়ুবী যেমন মসজিদে আকসা ও ফিলিস্তিনকে মুক্ত করে ৮৮ বছরের ক্রুসেডার দখলের অবসান ঘটান, তখন তিনি সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আনন্দে কেঁদেছিলেন, সেই আনন্দাশ্রুর স্বাদ আবারও আমাদের দাও! আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দোয়া এবং প্রচেষ্টা কবুল হবে। এবং এক নতুন সকাল আসবে, যা সূর্যালোকের চেয়েও অধিক উজ্জ্বল। ইনশাআল্লাহ।
(লেখক: কেন্দ্র সরকারের প্রাক্তন আমলা ও প্রাক্তন সাংসদ)








