নেতানিয়াহুকে পশ্চিমতীর সংযুক্ত করতে দেব না:ট্রাম্পের স্পষ্ট বার্তা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ওয়াশিংটন
নতুন পয়গাম:মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি ইসরাইলকে পশ্চিমতীর দখল করতে দেবেন না। একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, গাজা নিয়ে শিগগিরই সমঝোতা হতে পারে।
ওভাল অফিস থেকে বক্তব্য
শুক্রবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন,
“আমি ইসরাইলকে পশ্চিমতীর দখল করতে দেব না। এটা ঘটবে না।”
তিনি জানান, আগামী সোমবার তিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-র সঙ্গে বৈঠক করবেন। ট্রাম্প আরও বলেন, গাজা নিয়ে চুক্তি প্রায় কাছাকাছি এবং সম্ভাব্য শান্তিও শিগগিরই আসতে পারে।
পশ্চিমা চাপ ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
গাজা যুদ্ধ ও পশ্চিমতীর দখলদারিত্বের অবসান নিয়ে ইসরাইল বর্তমানে বিশ্বব্যাপী চাপের মুখে। পশ্চিমা দেশগুলো একের পর এক স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।
- যুক্তরাজ্য ও জার্মানি ইতোমধ্যেই ইসরাইলকে পশ্চিমতীর দখলের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।
- জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস সোমবার মন্তব্য করেছেন, এই পদক্ষেপ “নৈতিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য” হবে।
নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোটের উগ্র জাতীয়তাবাদীরা বারবার পশ্চিমতীরকে ইসরাইলের সঙ্গে সংযুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে। ট্রাম্প এই প্রেক্ষাপটে স্পষ্টভাবে আন্তর্জাতিক চাপ ও সমঝোতার গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন।
ফিলিস্তিনি নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়া
জাতিসঙ্ঘে ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে ভাষণ দেওয়ার সময় ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেন,
“সোমবার ফ্রান্সের ঘোষিত শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমরা বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।”
তিনি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গত রোববার কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও পর্তুগাল প্রথমে স্বীকৃতি প্রদান করে। এরপরে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, মোনাকো, সান মারিনো, অ্যান্ডোরা ও ডেনমার্কও স্বীকৃতির ঘোষণা দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান
যদিও পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ হামাসকে পুরস্কৃত করা হিসেবে দেখা যেতে পারে। ট্রাম্পের কথায়, যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাতের ক্ষেত্রে সংযম ও সমঝোতার পথে এগোতে চাইছে।








