রাজ্যজুড়ে আল-আমীনের প্রবেশিকা পরীক্ষায় রেকর্ড অংশগ্রহণ
নিজস্ব প্রতিবেদন, নতুন পয়গাম:
রাজ্যের সংখ্যালঘু শিক্ষাক্ষেত্রে চারদশক ধরে কাজ করে চলা আবাসিক শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূত আল-আমীন মিশন। ১৯৮৬ সালে হাওড়ার খলতপুরে শিক্ষক এম. নূরুল ইসলাম একটি বৃহৎ অন্তর্দৃষ্টি নিয়ে গুটি কয়েকজন গ্রামীণ ছাত্রকে নিয়ে শিক্ষা আন্দোলনের কাজ শুরু করেন। আজ আল আমীন পরিবারের সদস্য সংখ্যা বর্তমান, প্রাক্তন মিলিয়ে কয়েক লক্ষ। প্রতি বছর এর এর শাখা ও শিক্ষার্থী সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে চলেছে।
এবছর ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। রাজ্যের ৭০টি কেন্দ্রে একযোগে আয়োজিত এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় ৩০ হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রী অংশ নেন। যা এযাবত পরিচারিত সর্বাধিক।
প্রতিটি পরীক্ষার্থীকে এদিন উপহার দেওয়া হয় ‘সাফল্যের আলোকবর্তিকা ২০২৫’ পুস্তিকা, যেখানে নিট (ইউজি)-তে মিশনের ৬০ জন শিক্ষার্থীর সংগ্রামের কাহিনি প্রকাশিত হয়েছে। মিশনের সাধারণ সম্পাদক এম নূরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ বছর ৫০০-র বেশি নম্বর পাওয়া ৪৭৪ জন পড়ুয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছে। তাদের পারিবারিক দারিদ্র্য দূর করে মেধা বিকাশে মিশন সহায়ক হয়েছে বলেও তিনি জানান।
শান্তির নীড় ছাড়াও বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন কেন্দ্রেও ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ফর্ম ১৫ নভেম্বর ২০২৫ থেকে দেওয়া শুরু হবে।
অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে এই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে। মিশনের ওয়েবসাইট ও পরীক্ষার্থীর রেজিস্টার মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবেন। মিশনের আশা, এত বিপুল সংখ্যক পড়ুয়ার অংশগ্রহণ রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন দিশা দেখাবে।
পরীক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সেখ মোমিনুর রহমান জানান, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ ও মালদার কিছু কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। নির্বিঘ্নে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে স্থানীয় আয়োজক, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সাথীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।







