চাকরি না ব্যবসা?
নতুন পয়গাম: বানরের সামনে কলা এবং টাকা রাখলে বানর কলাটাই বেছে নেবে। কারণ, সে জানে না টাকা দিয়ে অনেক কলা কেনা যায়। মানুষের ক্ষেত্রেও বিষয়টা প্রায় একইরকম। চাকরি এবং ব্যবসা — এই দুটো অপশন দিলে, বেশিরভাগ মানুষ চাকরিই বেছে নেবে। কারণ, তারা বুঝতে পারে না, একটা সফল ব্যবসা তাদের চাকরির তুলনায় অনেক বেশি আয় ও স্বাধীনতা দিতে পারে।
কিছু মানুষ গরিব থাকে। তার অন্যতম কারণ, তারা জীবনের অনেকটা সময় কেবল পড়াশোনাতেই ব্যয় করে, আর পরে সারা জীবন কেবল বেতনভিত্তিক কাজ করে কাটিয়ে দেয়। অথচ এই বেতন কেবল তাদের কোনক্রমে বেঁচে থাকার মতোই আয় দেয়। বা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল আয় দেয়। কিন্তু তবুও তারা তা দিয়েই কম্প্রোমাইজ লাইফ লিড করে। এতে জীবনভর সমস্যা তার পিছু ছাড়ে না। সব সময় অভাব তার মনকে কুরে কুরে খায়।
কিন্তু ব্যবসা বা নিজের উদ্যোগ থেকে যে লাভ হয়, সেটি তাদের সম্পদ গড়ে তুলতে পারে। তাই স্রেফ চাকরির আয় দিয়ে জীবন চললেও, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বা প্রকৃত সাফল্য পেতে হলে ‘নিজের জন্য কাজ’ করাটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
এই কথাগুলো শুধু ভাবনার খোরাক নয়, বরং জীবনের পথ বেছে নেওয়ার আগে একটু থেমে চিন্তাভাবনা করার জন্য যথেষ্ট। কারণ, জীবনটা তোমার। অন্য কারো নয়। তাই তোমার ভাল তোমাকেই বুঝতে হবে। তোমার জীবনতরীর মাঝি অন্য কেউ হলে তুমি পদে পদে ঠকবে। আর ঠকতে ঠকতেই তোমার অর্ধেক জীবন শেষ হয়ে যাবে। বাকি অর্ধেক জীবন দিয়ে আর ঘুরে দাঁড়ানোর মতো মনোবল বা সদিচ্ছা থাকে না।
কারণ, মনোবল বা সদিচ্ছারও একটা সময় নির্ধারিত থাকে। সময় ফুরোলে জীবনটা নটে গাছের মতোই মুড়িয়ে যাবে। তখন কেউ পাশে থাকবে না। নিজেকে একদম ফালতু মনে হবে। আফসোস করা ছাড়া তখন আর কিছু থাকবে না। তাই সময় থাকতে ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন। কার সময় কখন শেষ হয়ে যাবে, কেউ জানে না। তাই সময়ের গুরুত্ব বুঝতে হবে। সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।








