ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই বিভাজন: সেলিম
ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই বিভাজন: সেলিম
নতুন পয়গাম, কলকাতা, ১৮ আগস্ট: সরকারের ব্যর্থতা ঢাকতে, মানুষের রুটি-রুজির মূল সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেই মানুষকে ভাগাভাগির অপচেষ্টা চলছে। দমদম উত্তর বিধানসভা নির্বাচনী কমিটির ডাকে বাঁকড়া মোড় থেকে গোলবাগান পর্যন্ত মহামিছিলে অংশ নিয়ে সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলে এখন নজর ঘোরাতে তৃণমূল, বিজেপি একযোগে মানুষকে ভাগাভাগির নোংরা রাজনীতি করছে। তিনি আরো বলেন, বেঁচে থাকার সব বন্দোবস্তের বারোটা বাজিয়ে দিয়ে এখন দুই দল মিলে ধর্ম এবং ভাষাকে নিয়ে মানুষের মধ্যে বিভাজন ও মেরুকরণের রাজনীতি করছে। আসামে ডি-ভোটার করার সময় থেকে মমতা ব্যানার্জি আরএসএসের সঙ্গে ছিলেন, এখনও আছেন বলে অভিযোগ করেন সেলিম।
এই মিছিল থেকে দাবি করা হয়, এসআইআর-এর নামে প্রকৃত ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না। অভয়া এবং তামান্না হত্যাকাণ্ডে প্রকৃত দোষীদের অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। উত্তর দমদমের নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি, ভাঙা রাস্তার সংস্কার, হাসপাতালে পরিষেবার মান উন্নতির লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ করতে হবে।
বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর লাগাতার নির্যাতন বন্ধের দাবিতেও সোচ্চার হয় মিছিলে পা মেলানো মানুষজন। বিভিন্ন দাবিদাওয়া লেখা পোস্টার ও ব্যানার নিয়ে বহু মানুষ যোগ দেন মিছিলে। যশোর রোডের বাঁকড়া থেকে ফতেল্লাপুর, সমগ্র বিশরপাড়া হয়ে আন্ডারপাস দিয়ে প্রায় ৫ কিমি. পথ পরিক্রমা করে নিমতার গোলবাগান বাজারে শেষ হয় মিছিল।
এসআইআর প্রসঙ্গে মহম্মদ সেলিম সাংবাদিকদের বলেন, মহারাষ্ট্র-সহ বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি ব্যাপক কারচুপি করেছে, এখন তা স্পষ্ট। একইভাবে এরাজ্যে তৃণমূল নির্বাচনী আধিকারিকদের ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় মৃত এসং ভুয়ো ভোটার রাখার বন্দোবস্ত, রিগিং, ভোট লুট, গণনায় কারচুপি সবই করেছে। তাঁর কথায়, বিজেপি ও তৃণমূল মানুষের প্রতিবাদকে ভয় পায় বলেই কারচুপি করে। মানুষের ভোটের ওপর এই দুই দলের ভরসা নেই। কারণষ জনমত তাদের পক্ষে নেই।








