আবারও অশান্ত ভাঙড়
আবারও অশান্ত ভাঙড়
মাদ্রাসা নির্বাচনের মনোনয়ন ঘিরে বোমাবাজি-সংঘর্ষে
সাহিনুর ইসলাম, নতুন পয়গাম, ভাঙড়: আবারও অশান্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। ভাঙড়-১ ব্লকের অন্তর্গত হাই মাদ্রাসার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সোমবার সকাল থেকেই চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকি ভাঙড় থানার সামনে এলোপাথাড়ি মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ আইএসএফ-এর।
আক্রান্ত আইএসএফ-এর অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় তাদের দলের কয়েকজন প্রার্থী ও কর্মীকে ভাঙড় থানার সামনেই ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে দুপুর গড়াতেই আবার নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। মাদ্রাসার প্রায় ৩০০ মিটারের মধ্যে বোমাবাজির শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, দুষ্কৃতিরা বোমা ছুড়ে জঙ্গলের দিকে পালিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষও সেখানে যান। পুলিশ বোমা তৈরির কিছু সুতলি উদ্ধার করেছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এদিকে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরই ভাঙড়ের তৃণমূল শিবিরে আনন্দের পরিবেশ দেখা যায়। ছয় প্রার্থীকে ফুল-মালা পরিয়ে জয়োল্লাসে মেতে ওঠেন স্থানীয় বিধায়ক শওকত মোল্লা ও তার অনুগামী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।
আক্রান্ত আইএসএফ প্রার্থীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তৃণমূল নেতা ও অনুগামীরা হামলা চালায়। একাধিক কর্মী ও প্রার্থী এলোপাথাড়ি মারধরের শিকার হন। মুহূর্তের মধ্যেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলের পাল্টা দাবি, আইএসএফ পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়াতে চাইছে ভাঙড়ে। আইএসএফ-এর লোকেরাই আগে থেকে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।








