হুগলির বলাগড়ের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে সরকারের জনমুখী প্রকল্পের কথা
নতুন পয়গাম, আব্দুল গফফার, হুগলিঃ হুগলির বলাগড়ে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সরকারের সমস্ত প্রকল্পের কথা স্মরণ করিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তৃণমূল যেটা বলে সেটাই করে। বাংলায় স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষীর ভান্ডার সহ একগুচ্ছ প্রকল্পের সুবিধা পান কোটি কোটি মানুষ। সমস্ত মানুষের পরিবার বিভিন্ন প্রকল্পে সংযুক্ত হয়েছেন। সরকারি কর্মীদের জন্য বীমা আছে।সরকারি কর্মীরা ২৫ শতাংশ ডি এ পেয়েছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা এবং আশা কর্মীদের মোবাইল দেওয়া হয়েছে। এবার আমাদের অঙ্গীকার খাদ্যসাথী সহ একাধিক প্রকল্প চলবে। এখনও পর্যন্ত ১০৫ টি প্রকল্প রয়েছে। আমরা যেটা বলি সেটা করে দেখাই। এখনো যাদের কাঁচা বাড়ি আছে তাদের পাকা বাড়ি হয়ে যাবে ভবিষ্যতে।দুয়ারে দুয়ারে স্বাস্থ্য ক্যাম্প করবে। বিনামূল্যে এই পরিষেবা পাবে মানুষ। যুবকদের যুবসাথীতে জীবিকার সন্ধান আমরাই করে দেবো।
তিনি আরও বলেন, অন্যের জমি চাষ করে তারা কখনো কৃষক বন্ধু পেত না। তাদের জন্য ক্ষেত মজুর আমরা ব্যবস্থা করেছি। কৃষকের জমিতে জল জমে গেলে ফসল নষ্ট হয়ে গেলে ক্রপ ইন্সুরেন্স আছে। আট লক্ষ্য মেট্রিক টন ধান কৃষকদের কাছ থেকে কেনে সরকার। আলু চাষীদের জন্য ইনস্যুরেন্স স্কিম করা হয়েছে।আলু নষ্ট হয়ে গেলে, আলু পচে যায়। এতে সরকারি তরফে ক্ষতিপূরণ পাবেন কৃষকরা। সরকার আলু কিনে নেবে। বাইরে বিক্রি করতেও পারবেন। এক দিকে, হুগলির বলাগড় গুপ্তিপাড়া অন্যদিকে পান্ডুয়া ও হুগলি খুব প্রসিদ্ধ।
এদিন বলাগড়ের একতারপুর বয়েজ ক্লাবের মাঠে মমতা আরও বলেন, নিরামিষ খান তাতে কোন আপত্তি নেই । কিন্তু মাছ মাংস খেতে না দিলে বাংলা ভাষায় কথা বলতে না দিলে। সেই বাংলা বিরোধী বিজেপির বাংলার ভোট চায়। ওদের রাজ্যে মাছ মাংস বন্ধ।বাংলার মানুষের মাছে ভাতে থাকে। বলছে মাছ খাওয়া যাবেনা, মাংস খাওয়া যাবেনা। তাহলে কি আমার মাথা খাবে? না আপনার মাথা খাবে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় প্রচুর দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের সমাগম হয়। সেখানে তিনি আরও বলেন ওরা নাম কাটারির দল, এস আই আর এর নামে অনেক চক্রান্ত চলছে। যতই করো চক্রান্ত ওরে তোমরা ব্যর্থ। বাংলায় এসে বলছে সোনার বাংলা করব। তাহলে সকলের নাম কেটেছো কেন।








