দিশাহীন বাজেট: মমতা
নতুন পয়গাম, কলকাতা: আজ সোমবার এসআইআর নিয়ে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক, ত্রুটি, মানুষকে হয়রানি, বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া থেকে শুরু করে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ইত্যাদি সব বিষয় উল্লেখ করে ইতিমধ্যে ৬টি চিঠি জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু দফায় দফায় দেওয়া এসব চিঠির কোনো সুরাহা না হওয়ায় রবিবার দুপুরে দিল্লি রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাক্রমে এদিনই কেন্দ্রীয় বাজেট পেস হয় পার্লামেন্টে। সে প্রসঙ্গে কলকাতা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এটি একেবারেই দিশাহীন বাজেট। একে বলা যায় হাম্পটি ডাম্পটি বাজেট। ডানকুনি ফ্রেড করিডর আমি ঘোষণা করেছিলাম। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে কেন্দ্র সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, সাধারণ মানুষের জন্য ওরা কিছুই করেনি। মমতা এও বলেন, আমি দিল্লি যাচ্ছি। অনেক কর্মসূচি রয়েছে। কাল সোমবার জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যাব। দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে কেন্দ্র সরকার কীভাবে ধ্বংস করছে, তা দিল্লিতে তুলে ধরব।
পাশাপাশি বাজেট প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি বেলাইন। এটি একেবারেই মহিলা, এসসি, এসটি বিরোধী বাজেট। খালি মিথ্যার ঝুলি। পুরো অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে। সেনসেক্স পড়ছে, বাজার পড়ছে। বাংলাকে কী দেওয়া হল? খালি বড় বড় কথা। ওই সুরাত-ডানকুনি ফ্রেট করিডর আমি ২০০৯ সালেই বাজেটে বলেছিলাম। জঙ্গলমহলে জঙ্গলসুন্দরী প্রজেক্ট আমরা আগেই ঘোষণা করেছি। চামড়া, সিমেন্ট শিল্পে এখানে কাজ হচ্ছে, বিনিয়োগও হচ্ছে। ওরা এক পয়সা বাংলাকে দেয় না। আর বাংলাকে নিয়ে বড় বড় কথা বলে। যা বাংলা থেকে নিয়ে যায়, তার বিনিময় প্রাপ্য ফেরত দেয় না। ওরা দেশের সাংবিধানিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করছে। মুখে খালি বড় বড় ভাষণ, কাজের বেলায় শূন্য। কেন্দ্র সরকার তিনটি ইকনোমিক করিডর করবে বলেছে। আমরা ৬টি করছি।
সবশেষে ক্ষোভ উগরে দিয়ে মমতা বলেন, রাজনীতিতে লড়তে হলে গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচনের ময়দানে লড়ুন। কমিশন এবং এজেন্সি ব্যবহার করে লড়ছে বিজেপি। বাংলার সচেতন মানুষ এর জবাব দেবে।








