ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ: ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠক শেষে শান্তি চুক্তির পথে বড় অগ্রগতি
দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অবসানে অবশেষে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ট্রাম্প দাবি করেছেন, একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের শুরুতেই একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনেস্কি (ফাইল চিত্র)।
নতুন পয়গাম,ফ্লোরিডা ও কিয়েভ: দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অবসানে অবশেষে আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ফ্লোরিডার মার-এ-লাগোতে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠক শেষে ট্রাম্প দাবি করেছেন, একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আগামী ১৫ বছরের জন্য একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এর বিনিময়ে ইউক্রেনকে আপাতত ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ার দাবি স্থগিত রাখতে হতে পারে।ট্রাম্প প্রশাসন একটি ‘ডিমিলিটারাইজড জোন’ বা নিরস্ত্রীকরণ এলাকা তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে বাফার হিসেবে কাজ করবে। যদিও অধিকাংশ বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, তবে ডনবাস অঞ্চল এবং ক্রিমিয়ার চূড়ান্ত মর্যাদা নিয়ে এখনও ‘জটিলতা’ রয়ে গেছে বলে ট্রাম্প স্বীকার করেছেন।

শান্তি আলোচনার আবহেই গতকাল মস্কো থেকে একটি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হয়। ক্রেমলিন দাবি করেছে, ইউক্রেনীয় ড্রোন ভ্লাদিমির পুতিনের একটি সরকারি বাসভবন লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জেলেনস্কি এই অভিযোগকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট” বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার মতে, পুতিন শান্তি আলোচনা ভণ্ডুল করার জন্য এবং যুদ্ধের তীব্রতা বাড়ানোর জন্য এই ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা সাজানো হামলার নাটক করছেন। মস্কো জানিয়েছে, এই ধরনের উস্কানি শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পুতিনের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং একটি টেকসই চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী

আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের শুরুতেই একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। তবে ইউক্রেনের দখলকৃত ভূমি ফেরত পাওয়া এবং রাশিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত দরাদরি এখনও বাকি।
আরও পড়ুন








