দেশের অগ্রগতির জন্য ১০ বছর চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
গুলিয়ে যাচ্ছে ‘আচ্ছে দিন’ আর ‘বিকশিত ভারত’-এর অংক
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি:
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যায় রামমন্দিরের মাথায় ধ্বজার উদ্বোধন করে মন্দির নির্মাণের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করলেন। একই সঙ্গে বললেন, এই মন্দির স্থাপনার মাধ্যমে ৫০০ বছরের সমস্যার সমাধান হয়েছে। কিন্তু ‘দাস’ মনোভাব থেকে মুক্তি পেয়ে দেশের সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য আরও ১০ বছর লাগবে। গত বছরের মতো এদিনও বললেন, রামরাজ্যের সূত্রপাত হল। যা বজায় থাকবে হাজার বছর ধরে। মোদি এদিন তাঁর ভাষণজুড়ে রামচন্দ্রের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে বলেন, ২০৪৭ সালে ‘বিকশিত ভারত’ হবে ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের প্রদর্শিত পথেই। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে আচ্ছে দিন কবে আসবে, ১০ বছর পর, নাকি ২০৪৭ সালে। বিকশিত ভারত আর আচ্ছে দিনের মধ্যে পার্থক্যটাই বা কী? ২০৪৭ তো এখনও ২২ বছর দেরি, তাহলে ১০ বছর সময় কেন চাইছেন মোদি? গত ১১ বছরে তাহলে তার সরকার কী করেছে?
প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সূচিত হল ভারতীয় সভ্যতার পুনর্জাগরণ। এই পতাকা যে ভক্তবৃন্দ বহু দূর থেকে দর্শন করবে, তাদের রামমন্দির দর্শনের ফলই মিলবে। কেউ যদি মন্দিরে আসতে না পারে, তাহলে তারা দূর থেকেই দর্শন করতে পারে এই ধ্বজা। তাতেই মিলবে পুণ্য। উল্লেখ্য, মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও অযোধ্যা নগরী নির্মাণ প্রকল্প এখনও অসম্পূর্ণই রয়ে গিয়েছে। মোদি এদিন জানান, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত পুণ্য নগরী অযোধ্যায় ৪৫ কোটি মানুষ এসেছেন।
যাহোক, এখন রাজনৈতিক মহল থেকে যে প্রশ্ন সবথেকে জোরালোভাবে উঠছে, সেটা হল ১১ বছর আগে আচ্ছে দিনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখনও ১০ বছর চাইছেন কেন। আবার ২০৪৭ সালের সময়সীমা কেন বেঁধে দিচ্ছেন। কংগ্রেস বলছে, আচ্ছে কবে আসবে, ১০ বছর পর, নাকি ২২ বছর পর — ঝেড়ে কাশুন প্রধানমন্ত্রী।








