বিজেপির সভাপতির দৌড়ে কে এগিয়ে?
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি:
বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। বিশেষ করে বিহার নির্বাচনে জেতার পর আপাতত বিজেপির সামনে এই মুহূর্তে বড় কোন চ্যালেঞ্জ নেই। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২ রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে এসআইআর শুরু হয়ে গিয়েছে। মাস পাঁচেক পর এসব রাজ্যে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। কিছু রাজ্যে ভোট হবে আরো একটু পরে। তাই এই ফাঁকে বিজেপি তাদের সভাপতি পদের দিকে নজর দিয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সর্বভারতীয় সভাপতি জে.পি নাড্ডার উত্তরসূরী বেছে নিতে চাইছে মোদি-শাহ তথা বিজেপি।
এতে বঙ্গ বিজেপিও নতুন করে অক্সিজেন পাবে। কিছুটা হলেও চাঙা হবে বাংলার গেরুয়া শিবির। আর সেই নতুন জাতীয় সভাপতিকে সামনে রেখে এরাজ্যে নির্বাচনী প্রচার হবে। কারণ, সবথেকে বেশি নজর এখন পশ্চিমবঙ্গের দিকে। বিহারের ফর্মূলা বা মডেলে এখানে ভোট করতে পারলে, রাজ্যে পালাবদল অসম্ভব নয়। এমনিতেই রাজনীতি সর্বদাই সম্ভাবনাময় শিল্প। এই জগতের অভিধানে অসম্ভব বলে কোন কিছু নেই।
উল্লেখ্য, আগামী বছরের গোড়াতেই বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা পশ্চিমবঙ্গ, কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং অসমে। তবে অসম বাদ দিয়ে অন্য সব রাজ্যে এসআইআর করা হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, সর্বভারতীয় সভাপতি পদেও চমক দিতে পারে তারা। আদিবাসী, দলিত, মহিলা — এরকম কাউকে বেছে নিতে পারে দল। সেক্ষেত্রে নাগপুরের সিলমোহর দিতে অসুবিধা হবে না। এরকমও শোনা যাচ্ছে যে, ৫০-৫৫ বছর বয়সের মধ্যে পোড়খাওয়া নাগপুরী ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা কোনও নেতাকে দলের পরবর্তী জাতীয় সভাপতি হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। বয়স কোনওমতেই যেন ৬০-এর বেশি না হয়। তবে কি অনুরাগ ঠাকুর, যোগী আদিত্যনাথের মতো কেউ পদ্মাসনে বসবেন এবার। ঘরে-বাইরে এই ইস্যতে নানান জল্পনা চলছে। নাকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং বিজেপি বনাম সংঘ স্নায়ুযুদ্ধ এড়াতে শেষমেষ নাড্ডাকেই রেখে দিয়ে গাড্ডা থেকে বাঁচার রফাসূত্র মেনে নেবে সব মহল। আপাতত বিজেপির কাছে সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচন বা মনোনয়নই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।








