বিহারে দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খোলায় বহিষ্কৃত তিন বিজেপি নেতা, ৬২ হাজার কোটির কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস, সাসপেন্ড প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
নতুন পয়গাম, পাটনা:
বিহারে এনডিএ-র জয়ের পরের দিনই বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল বিজেপি। দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তিন নেতা-নেত্রীকে সাসপেন্ড করা হল। তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার জবাব চেয়ে শোকজ করল বিজেপি। সেই চিঠি হাতে পেয়ে শনিবারই দল থেকে ইস্তফা দিলেন বিহার বিজেপির প্রবীণ নেতা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আর.কে সিং। বিহারে ৬২ হাজার কোটির বিদ্যুৎ দুর্নীতির অভিযোগে সুর চড়িয়েছিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, দলের নীতি ও দুর্নীতি বিষয়ে মুখ খোলায় তিন নেতা-নেত্রীকে শোকজ করে চিঠি পাঠানো নিয়মরক্ষা মাত্র। কারণ, এদেরকে বহিষ্কার করা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। তা আঁচ করেই শোকজের জবাব না দিয়ে একেবারে ইস্তফাপত্র পাঠালেন বিহার বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা আর.কে সিং। তাঁর ইস্তফাপত্র হাতে পাওয়ার আগেই অবশ্য বিজেপির তরফে এদিন ঘোষণা করা হয়, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সিংকে ছয় বছরের জন্য বহিষ্কার করা হচ্ছে। অন্য দুই বহিষ্কৃত বিজেপি নেতা হলেন বিহার বিধান পরিষদের সদস্য অশোক আগরওয়াল ও কাটিহারের মেয়র ঊষা আগরওয়াল।
![]()
শুক্রবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শনিবার সকালেই এই তিন বিদ্রোহী নেতা-নেত্রীকে শোকজ চিঠি পাঠায় বিহার প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, আর.কে সিং বিহারের আরা লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ। গতবছর লোকসভা ভোটে হারার পর থেকে দলের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতের অভিযোগে সরব হন তিনি। বিশেষ করে তাঁর নিশানায় ছিলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজেপি বিধায়ক সম্রাট চৌধুরী এবং দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল।
এই দুই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে প্রশান্ত কিশোর বা পিকে দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় সুর চড়ান আর.কে সিং। এছাড়াও বিহারে ৬২ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ কেলেঙ্কারির অভিযোগও তোলেন তিনি। তাই এবার ভোটে জেতার পরেই পথের কাঁটা সরাল বিহার বিজেপি।








