বাঁশবেড়িয়া এখন কার্তিক নগরী, সাজসাজ রব শহর জুড়ে
আব্দুল গফফার, নতুন পয়গাম, হুগলিঃ
জগদ্ধাত্রী পুজো মিটতে না মিটতেই সাহাগঞ্জ বাঁশবেড়িয়ার কার্তিক পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশের মধ্যে দিয়ে। বাঁশবেড়িয়া এখন কার্তিক নগরী, সাজসাজ রব শহর জুড়ে। কার্তিক পুজো উপলক্ষ্যে শুক্রবার সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত মগরা থানার অন্তর্গত বাঁশবেড়িয়া অঞ্চলের ৬০ টা এবং চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত সাহাগঞ্জ অঞ্চলের ২৫ টা মিলিয়ে মোট ৮৫ টি অনুমতি প্রাপ্ত পুজো কমিটির গাইড ম্যাপ প্রকাশ করেন। সাহাগঞ্জ বাঁশবেড়িয়া কেন্দ্রীয় কার্তিক পূজা কমিটির উদ্যোগে গাইড ম্যাপ প্রকাশ অনুষ্ঠানে বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার উপপ্রধান শিল্পী চ্যাটার্জী জানিয়েছেন, কার্তিক পূজার দিনগুলি যাতে নির্বিঘ্নে কাটে তার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সব ষরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাঁশবেড়িয়া অঞ্চলের ৯ টি এবং সাহাগঞ্জ অঞ্চলের ৪ টি মিলিয়ে মোট ১৩ টি পুলিশ সহায়তা কেন্দ্র থাকছে এবং মোট আটটি নো পার্কিং এবং নো এন্ট্রি পয়েন্ট থাকছে পুজোর দিনগুলিতে। ইনি আরো জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে ৪১টি সিসি ক্যামেরা নজরদারি চালানোর পাশাপাশি নিরঞ্জন শোভাযাত্রার দিনও সংশ্লিষ্ট পথে স্থায়ী সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকবে। দর্শনার্থীদের কাছে সুষ্ঠুভাবে সামগ্রিক কার্তিক পুজোর আয়োজনকে তুলে ধরার জন্য, আগামী ১৭ থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত হেলথ ক্যাম্প ও সুলভ-শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি পাঁচটি অঞ্চল থেকে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা মিলবে বলেও উপ-পৌরপ্রধান জানিয়েছেন। দর্শনার্থীরা যাতে পর্যাপ্ত এবং পরিশ্রুত পানীয় জল পেতে পারে তার জন্য পূজোর দিনগুলি সন্ধ্যে সাতটা থেকে রাত এগারোটা এবং বিসর্জনের দিন অর্থাৎ ২০ নভেম্বর ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত অতিরিক্ত জল সরবরাহ করা হবে। এবারের পুজোয় নিরঞ্জন শোভাযাত্রায় মগরা থানার অন্তর্গত একুশটি এবং চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত চব্বিশটি পুজো কমিটি অংশগ্রহণ করবে। শোভাযাত্রায় চলাকালীন ব্যবহৃত লরি গুলি পথের মধ্যে যদি বিকল হয়ে যায় তার জন্য বারো জনের একটি মেরামতি দল সবসময় প্রস্তুত থাকবে।
এদিন হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি, দমকল বিভাগের আধিকারিক, মগরা থানার আইসি, বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার বিভিন্ন কাউন্সিলর সহ আধিকারিক বৃন্দ সহ স্বামী দেবাত্মানন্দ মহারাজ উপস্থিত ছিলেন। আজ ১৪ নভেম্বর শিশু দিবস উপলক্ষ্যে পুজো কমিটির পক্ষ থেকে শিশুদের হাতে নিরাপত্তামূলক ব্যাজ এবং চকলেট তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভলেন্টিয়ার এবং অফিসিয়াল ব্যাচে তুলে দেওয়া হয়। গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের হাতেও ব্যাজ তুলে দেওয়া হয়।








