ওষুধের ওভারডোজে প্রতি মাসে মারা যান ৫০ জন: এনসিআরবি রিপোর্ট
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি:
সারা দেশে প্রতি মাসে ওষুধের ওভারডোজের কারণে প্রাণ হারান গড়ে ৫০ জন। সপ্তাহে ১২ জনের মতো। চোখ কপালে তোলা এই তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে পাঞ্জাব এবং রাজস্থান। তবে বেসরকারি তথ্য মতে, এই সংখ্যা বহুগুণ বেশি। যাহোক, এই পরিসংখ্যারন উঠে এসেছে কেন্দ্র সরকারি সংস্থা ন্যা শনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো বা এনসিআরবি-র রিপোর্টে। সেখানে বলা হয়েকছে, ২০২৩ সালে এই সংখ্যাক ছিল দিনে গড়ে প্রায় দুই। কিছু রাজ্যে ওষুধের অতি-সেবনে মৃত্যুর হার বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে বলেই দাবি করেছে এনসিআরবি।
![]()
এই কেন্দ্রীয় সংস্থার রিপোর্ট বলছে, ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ওষুধের ওভারডোজে মৃত্যুর সংখ্যা ৩ হাজারেরও বেশি। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এই মৃত্যুর সংখ্যাা শুধুমাত্র নথিবদ্ধ ঘটনাগুলির ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ। আবার এনসিআরবি স্পষ্ট করে বলেনি যে, অতিরিক্তি বা অতি মাত্রায় ওষুধ সেবনে মৃত্যুর ঘটনা নারকোটিক বা নেশার উদ্রেকজনিত কারণে কিনা। এমন উপাদান মিশ্রিত ওষুধ নাকি প্রেসক্রিপশনে লেখা সাধারণ কোনও ওষুধের ব্যকবহার জড়িত।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ক্ষেত্রে সাধারণভাবে পেনকিলার জাতীয় ওষুধ বা স্লিপিং পিল তথা ঘুমের ওষুধের সেবনই দায়ী। কারণটা ইচ্ছাকৃত বা আকস্মিক, উভয়ই হতে পারে। এদিকে এনসিআরবি বলছে, এই মৃত্যুর প্রবণতা কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ক্রমশ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। যা মূলত আত্মহত্যা। ২০২০ সালে ওষুধের ওভারডোজ বা অতিমাত্রার কারণে দেশে মৃতের সংখ্যা২ একটু কমেছিল। কারণ, সেই সময় কোভিড অতিমারী চলছিল। কিন্তু ২০২১ সালে এই প্রবণতা সবচেয়ে বাড়তে দেখা যায়। ওই বছর ওষুধের ওভারডোজে মৃতের সংখ্যার ছিল ৭৩৭।








