এসআইআর: পিআইবি-র হেল্পলাইন পোর্টাল চালু
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
এসআইআর প্রক্রিয়া মঙ্গলবার থেকে চালু হয়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। এনিয়ে সারা বাংলা এখন উত্তাল। তর্ক-বিতর্ক বাকবিতণ্ডা তুঙ্গে। রাজনীতির তরজার সুর চড়ছে রাজ্যের সর্বত্র। অজানা ভয়, ভীতি, আতঙ্ক, উদ্বেগ সবার মধ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় মতুয়ারা সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে শোনা যাচ্ছে। এই আবহে মতুয়দের পীঠস্থান ঠাকুরনগরে নাগরিকত্বের কার্ড বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। ভীত সন্ত্রস্ত মানুষ নিজেদের ভোটার পরিচয় প্রমাণ করতে মরিয়া। এমতাবস্থায় মানুষের পাশে থেকে, মানুষকে সহজে তথ্য সরবরাহ করে হেল্পলাইন পোর্টাল চালু করল প্রোগ্রেসিভ ইন্টেলেকচুয়ালস অফ বেঙ্গল বা পিআইবি। কীভাবে সেই পোর্টাল কাজ করবে, সে বিষয়ে গাইড ভিডিও বানিয়ে তারা প্রকাশ করেছে ফেসবুক পেজে। এখান থেকে খুব সহজেই ডাউনলোড করে নেওয়া যাচ্ছে রাজ্যের সব জেলা, বিধানসভা ও সমস্ত বুথের ২০০২ সালের ভোটার তালিকা।
কোন অসুবিধা হলে নিজের বিএলওকে খুঁজে বার করে নেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে এই পোর্টালে। এছাড়াও কীভাবে এনুমারেশন ফর্ম ফিলাপ করতে হবে তাও দেখানো আছে। কবে কত তারিখের মধ্যে কাগজপত্র জমা করতে হবে তার বিবরণও দেওয়া আছে।
বিভিন্ন জটিল সমস্যা নিয়ে এই পোর্টালে রয়েছে FAQ সেকশন, যেখান থেকে সহজেই মানুষ সমাধান খুঁজে নিতে পারছেন। নতুন কোন সমস্যা হলে ওখানে লিখে দিলে, তার সমাধানের ব্যবস্থাও রয়েছে। পিআইপির সভাপতি অধ্যাপক মানাজাত আলী বিশ্বাস বলেন, “কেন্দ্র সরকার তাড়াহুড়ো করে এসআইআর করছে। ফলে জনসাধারণের মধ্যে ভয়, ভীতি দেখা দিচ্ছে। এছাড়া ইতিপূর্বে অবৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলার দায়িত্ব ছিল ইলেকশন কমিশনের। এখন সুকৌশলে নিজেকে বৈধ ভোটার প্রমাণ করার দায়িত্ব জনসাধারণের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রান্তিক মানুষ, সংখ্যালঘু সমাজ ও দরিদ্র, সহায় সম্বলহীন জনগণ যথেষ্ট দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে। প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে আগামীতে অশেষ হয়রানি হবে। তাই সাধারণ মানুষকে সহায়তার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জেলায় পিআইবির সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে এ সংক্রান্ত তথ্য ও পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এই সহযোগিতার হাত আরোও প্রসারিত ককরতে হেল্পলাইন পোর্টাল চালু করা হল।








