রাঘোপুর এখনও লালুর গড়
নতুন পয়গাম, রাঘোপুর:
বিহারের বৈশালী জেলার রাঘোপুর বিধানসভা কেন্দ্র। এখানে এখনও লালু প্রসাদের ক্যারিশ্মা রয়েছে। ফিকে হয়নি আরজেডি-র ইমেজ। তাই রাঘোপুরকে বলা হয় লালু যাদবের গড় বা দুর্গ তথা আরজেডি-র শক্তপোক্ত ঘাঁটি। এই বিধানসভা আসন থেকে জিতেই সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হন লালু যাদব। রাঘোপুরের বিধায়ক হিসেবেই মুখ্যমন্ত্রী হন লালুর স্ত্রী রাবড়ি দেবী। মাঝে ২০১০ সালে যদিও রাঘোপুর থেকে হেরে যান লালু-পত্নী। কিন্তু তারপরের বার ২০১৫ এবং ২০২০ সালে পরপর দু’বার এই রাঘোপুর থেকেই জয়ী হন লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব।
এবারও কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে জোট গড়ে রাঘোপুর আসনে মহাজোটের প্রার্থী হয়েছেন তেজস্বী। সমীক্ষা বলছে, তেজস্বী এবারও জিতবেন এবং পাল্লা ভারী মহাজোটের। ইতিমধ্যেই তেজস্বীকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে প্রোজেক্ট করেছে কংগ্রেসের নেতৃত্বে মহাজোট। উল্লেখ্য, এই বিধানসভা আসনে প্রায় ৩০ শতাংশ যাদব এবং মুসলিম। এদের অধিকাংশ ভোটই পাবেন লালু-পুত্র। লালুর বরাবরের ইউএসপি হল যাদব-মুসলিম বা MY ফ্যাক্টর। তবে এখানে প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণ, ভূমিহার, রাজপুত গোষ্ঠীর বসবাস। বাকিরা নিম্নবর্ণের, অর্থাৎ রবিদাস, কুর্মি, মুসাহার, মাল্লা ও তেলি ইত্যাদি সম্প্রদায়ের। এদেরও সিংহভাগ ভোট পাবেন তেজস্বী। এখানে তার প্রতিপক্ষ বিজেপি প্রার্থী সতীশ কুমার যাদবক। তেজস্বীর মতো হেভিওয়েট প্রার্থী না হলেও একবার তিনি জিতেছিলেন।








