গাজা গণহত্যায় মদদ নেতানিয়াহুর: রিপোর্ট ফের ইসরাইলি হামলায় শহিদ ৬২ ফিলিস্তিনি
নতুন পয়গাম, জেনেভা, ১৬ সেপ্টেম্বর:
গত প্রায় ২ বছর ধরে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আকাশ ও স্থলপথে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে ৬৫ হাজারেরও বেশ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এমন কোন দিন নেই, যেদিন ফিলিস্তিনের কোথাও হামলা হয়নি বা কেউ নিহত হয়নি। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে অন্তত ৬২ জন শহিদ হয়েছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রত্যক্ষ মদদেই গাজায় লাগাতার গণহত্যা চলছে বলে জানানো হল রাষ্ট্রসংঘে পেশ করা রিপোর্টে। তদন্ত কমিটির ওই রিপোর্টে গাজার বিরামহীন গণহত্যায় নেতানিয়াহু-সহ ইসরাইলের প্রথম সারির নেতা-মন্ত্রীদের সরাসরি মদদ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও বরাবরের মতোই এই রিপোর্টকেও মিথ্যে বলেছে ইসরাইল। মধ্য-গাজার দারাজ এলাকাকে এদিন মূলত টার্গেট করে ইসরাইলি সেনারা। এখানে নিহত হয়েছেন ২০ জন। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সফরের পরেই স্থলপথে এই নতুন হামলা হয়।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘে তদন্ত কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় শুরু থেকেই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ত্রাণ সরবরাহ। বিভিন্ন সীমান্তে মাসের পর মাস আটকে রয়েছে ত্রাণবোঝাই অসংখ্য ট্রাক। প্রাণে বাঁচতে কয়েক লক্ষ মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে হয়েছে। এই রিপোর্টে বেশ কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠন ও বুদ্ধিজীবীর বক্তব্যও রয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের তদন্ত কমিটির প্রধান নভী পিল্লাই বলেছেন, আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি কীভাবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই নৃশংসতার দায় সম্পূর্ণভাবে ইসরাইলের।
এই রিপোর্টকে মিথ্যে, ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ইসরাইলি দূত ড্যানিয়েল মেরন। তাঁর দাবি, হামাসের প্রতি সহানুভূতি থেকেই এই রিপোর্ট লেখা হয়েছে। এই রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর পাল্টা নভী পিল্লাই বলেছেন, ইসরাইল প্রমাণ করুক আমাদের তথ্যে কোথায় ভুল রয়েছে?








