মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিকেও সাফল্যের পুনরাবৃত্তি ভয়েস পাবলিক স্কুলে
নতুন পয়গাম, মালদা: বিগত কয়েক বছরের ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায়ও দুরন্ত ফলাফল করল ভয়েস পাবলিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। বিশিষ্ট শিল্পপতি, শিক্ষাদরদী ও সমাজসেবী শাজাহান বিশ্বাসের প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এ বছর উচ্চমাধ্যমিকে বাজিমাত করেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৮৯৫ জন ছাত্র-ছাত্রী উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশের উপরে নম্বর পেয়েছে ৭ জন, ৮০ শতাংশের উপরে ৩২৩ জন, ৭০ শতাংশের উপরে ৭৫০ জন এবং বাকি সবাই সম্মানজনক ৬০ শতাংশের বেশি নম্বর অর্জন করে উত্তীর্ণ হয়েছে।
সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্তা সুমাইয়া ফাইজী: ভয়েস পাবলিক স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৭৯ নম্বর (৯৫.৮%) পেয়ে স্কুলের মুখ উজ্জ্বল করেছে সুমাইয়া ফাইজী। তিনি মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রাঙ্গাইপুর গ্রামের মেয়ে। তাঁর পিতা তারিফ আনোয়ার ব্যবসায়ী এবং মাতা সওকতারা খাতুন গৃহবধূ। সুমাইয়ার ইচ্ছা — ডব্লিউ.বি.সি.এস অফিসার হওয়া। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে খুশি তাঁর বাবা-মা ও গোটা বিদ্যালয় পরিবার।
দ্বিতীয় স্থানে নন্দিনী মোদক: ৪৬৫ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে নন্দিনী মোদক। তাঁর বাড়ি মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মুকুন্দপুর গ্রামে। পিতা সঞ্জিব মোদক ব্যবসায়ী ও মাতা মো সুমনা মোদক গৃহবধূ। তিনিও ডব্লিউ.বি.সি.এস অফিসার হতে চান।
তৃতীয় স্থানে আব্দুল আলাহিম: ৪৫৪ নম্বর পেয়েছে আব্দুল আলাহিম। তার বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ থানার বাবুপুর গ্রামে। পিতা মারফুদ সেখ রাজমিস্ত্রি ও মাতা মার্জিয়া বিবি গৃহবধূ। আব্দুল আলাহিম চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।
ছাত্র-ছাত্রীদের এই সাফল্যে ভয়েস পাবলিক স্কুলের সম্পাদক ড. জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষিকা উম্মে মোমেরিনা, পরিচালন কমিটির অন্যতম কার্যকর্তা শেফালী খাতুন ও সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা অত্যন্ত খুশি। ভয়েসের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী শাজাহান বিশ্বাস বলেন, “এই সাফল্যের পিছনে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের কঠোর পরিশ্রম রয়েছে। সব কৃতি ছাত্র-ছাত্রীকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ইচ্ছা পূরণ করতে গেলে পরিশ্রম করতে হবে, কারণ পরিশ্রমের বিকল্প কিছুই নেই। সকলের জন্য দুয়া ও শুভকামনা রইল।”








