সায়েন্সটেক ২০২৬: উদ্ভাবন ও মেধার মিলনস্থল এসবিআইএসটি ক্যাম্পাসে
নতুন পয়গাম, উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, সোনারপুর: বিজ্ঞান ও উদ্ভাবন কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে সায়েন্সটেক ২০২৬-এর আয়োজন করা হলো সোনারপুরের দক্ষিণ গোবিন্দপুরে অবস্থিত এসভিআইএসটি (স্বামী বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি) কলেজ ক্যাম্পাসে। সায়েন্সটেক একাডেমি ও কলেজের যৌথ সহযোগিতায় আয়োজিত এই আন্তঃস্কুল অনুষ্ঠানটি বৈজ্ঞানিক সৃজনশীলতা ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার এক প্রাণবন্ত মাধ্যম হয়ে ওঠে।
এদিনের অনুষ্ঠানে ৫০টিরও বেশি স্কুলের পড়ুয়ারা অংশগ্রহণ করেন। মোট ৪০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ও ৭০ জনের বেশি শিক্ষক একত্রিত হন এখানে। প্রদর্শনীতে ৮০টিরও বেশি উদ্ভাবনী বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শিত হয়। অন্যদিকে কারিগরি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ৪০টিরও বেশি দল সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। তিনি তাঁর ভাষণে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেন। নরেন্দ্রপুরের রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক কলেজের প্লেসমেন্ট কো-অর্ডিনেটর স্বামী ত্যাগীন্দ্রানন্দ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের প্রাক্তন বিজ্ঞানী অমিয় কুমার কালিদহ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তন্ময় দাসগুপ্ত, জ্যোতির্ময় পাবলিক স্কুলের অধ্যক্ষ সুশান্ত দাস, লায়ন্স কলকাতা গ্রেটার বিদ্যামন্দিরের অধ্যক্ষ কাকলী ঘোষ, খড়গপুর ট্রাফিক হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার মাইতি, এসভিআইএসটির পরিচালক ডা. নন্দন গুপ্ত, উপপরিচালক পবিত্র কুমার গায়েন, অধ্যক্ষ ড. সোনালী ঘোষ এবং অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সোমনাথ দাস।
আন্তঃস্কুল বিজ্ঞান প্রদর্শনী ছিল অনুষ্ঠানের প্রাণকেন্দ্র। এতে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কার্যকরী মডেল, তাত্ত্বিক ধারণা ও উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা উপস্থাপন করে। অটোমেশন, কৃষি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), মহাকাশ ও জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক মনোভাব গড়ে তুলতে সাহায্য করে।








