উচ্চমাধ্যমিকে কৃতী নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়াদের অভিনন্দন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
নতুন পয়গাম, হাসান লস্কর, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সাফল্যের উৎসব। আর সেই তালিকায় অনন্য নজির গড়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন। রাজ্যের প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে এই বিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্র। এমনকি প্রথম স্থানও অধিকার করেছে এই স্কুলের পড়ুয়াই। কৃতী সব পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে ফোন করা হয়। পরে বারুইপুর মহকুমাশাসকের দফতর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। উচ্চমাধ্যমিকের মেধা তালিকায় ৬৪ জনের মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকেই রয়েছে ১৯ জন।
এর মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র সংখ্যা ১৮। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়সহ প্রায় প্রতিটি স্থানেই (সপ্তম বাদে) এই বিদ্যালয়ের কোনও না কোনও পড়ুয়া জায়গা করে নিয়েছে। মেধাতালিকায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্রদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে আদৃত পাল (প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬), দ্বিতীয় স্থানে আছে ঋতব্রত নাথ (৪৯৫), একই নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঐতিহ্য পাছাল (৪৯৫)। তৃতীয় সৌম্য রায় (৪৯৪), চতুর্থ অর্কদ্যুতি ধর (৪৯৩), পঞ্চম প্রিয়াংশু মুখোপাধ্যায় (৪৯২), একই নম্বর পেয়ে পঞ্চম স্থানে আলেখ্য মাইতি (৪৯২)। ষষ্ঠ প্রত্যুষ মণ্ডল (৪৯১), শুভদীপ দিন্দা (৪৯১), পল্লব কুমার ভাওয়াল (৪৯১), অনিমেষ মুখোপাধ্যায় (৪৯১) প্রমুখ। অষ্টম স্থানে অরিত্র সরকার (৪৮৯) ও ফারহান আলি (৪৮৯), নবম সোহম বেজ (৪৮৮), দশম সাগ্নিক ঘটক (৪৮৭)। এছাড়া একই নম্বর পেয়ে দশম স্থানে রয়েছে মেঘন অধিকারী (৪৮৭), সোহম ভৌমিক (৪৮৭) ও সৃজন পাল (৪৮৭)। উল্লেখ্য, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর জেএম ট্রেনিং স্কুলের ছাত্র অরিত্র প্রামাণিকও ৪৮৭ নম্বর পেয়ে দশম স্থান অধিকার করেছে।
বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের পরই প্রথম ও পঞ্চম স্থান অধিকারকারী দুই কৃতি পড়ুয়া — নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত পাল এবং শ্রীরামপুর রমেশচন্দ্র গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী মেঘা মজুমদারের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “ওদের এই অসামান্য সাফল্যে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং একাগ্রতার মাধ্যমে ওরা সমগ্র রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।” পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে চলার জন্য সব রকম প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ভবিষ্যতেও ওরা নিজেদের মেধা ও প্রতিভার মাধ্যমে বাংলা তথা দেশের নাম উজ্জ্বল করবে।”








