BREAKING:
জোড়াসাঁকোয় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহোৎসবে কলম শিল্পী গ্র্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ খোশবাগ বাসস্ট্যান্ডের কাছে পথ দুর্ঘটনা, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন দন্ত চিকিৎসক বসিরহাট দরবার শরিফে হুমায়ুন কবীর, পেলেন উষ্ণ অভ্যর্থনা লাল বালির চড়া দাম, গ্রামবাসীদের ভরসা পাথরের গুড়ো   রমজানে অসহায়দের পাশে আল হোসাইনী হেল্প ফাউন্ডেশন সুন্দরবনের লবণাক্ত মাটিতে সূর্যমুখী চাষে সাফল্য, লাভের মুখ দেখছেন কৃষকরা হুগলি জেলায় এসআইআর এর প্রথম পর্যায়ের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করলেন জেলা শাসক খুরশিদ আলি কাদরি  বন্যপ্রাণীর উপদ্রব রুখতে তৎপর বনদপ্তর উত্তাপহীন ডার্বিতে মহামেডানকে ৫ গোলে উড়িয়ে দিল মোহনবাগান মরণবাঁচন ম্যাচে আজ সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, জিততেই হবে ভারতকে রাজনগরে চাঞ্চল্য: গাংমুড়ি গ্রামে বাড়ির ভিতর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার মোবাইল গেম খেলতে খেলতেই নিভে গেল ২১ বছরের তরতাজা প্রাণ  মুর্শিদাবাদের মুকুটে নতুন দুই পালক, বিশ্ববিদ্যালয় ও কাটরা মসজিদের তোরণ প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম! রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিশটি আসনে লড়বে পুকুর খনন করার সময় প্রাচীন বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার হল পান্ডুয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা। রানে ফিরলেন অভিষেক, জয়ে ফিরলো ভারত; বেঁচে রইলো সেমির স্বপ্ন এসআইআর  ইস্যুতে আতঙ্ক নয়, আইনি পথে আপিলের আহ্বান মিল্লি ঐক্য মঞ্চের কালিয়াচক আবাসিক মিশনে বিজ্ঞান বিভাগের প্রবেশিকা পরীক্ষা সম্পন্ন, উৎসাহ চোখে পড়ার মতো পরীক্ষার দিন আচমকা মৃত্যু অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের, শোকস্তব্ধ সোনারপুর নাবালিকাকে বিবাহের অভিযোগে জয়নগরে গ্রেপ্তার যুবক জয়নগরে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, আহত তিন শ্রমিক নেতা মহম্মদ ওয়েস এর নেতৃত্বে বড়জোড়ায় বিরাট মিছিল কুলতলির বিধায়কের উপস্থিতিতে ঢালাই রাস্তার কাজের সূচনা হলো নলগোড়ায় ঘুটিয়ারীশরিফে পুলিশের তৎপরতায় ৫৪ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার গঙ্গাকে দূষণমুক্ত করতে উদ্যোগ সুন্দরবনে বাঘের হামলায় ফের মৃত্যু, সরকারি ক্ষতিপূরণের দাবি এসআইও নিয়ে মিথ্যা মন্তব্যের প্রতিবাদে কলকাতায় সাংবাদিক সম্মেলন জামাআতে ইসলামী হিন্দের ইফতার সামগ্রী বিতরণ বই হোক সই, বইয়ের জন্য করিমপুরে পথে হাঁটল শত শত মানুষ রমজান মাসে ৩০০ দুস্থ পরিবারের পাশে সমাজসেবী হাফেজ নজরুল ইসলাম অবশেষে ধুলিয়ান গঙ্গা স্টেশনে বাংলা স্থান পেল  মুর্শিদাবাদে দুই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস ২৮ ফেব্রুয়ারি ভাঙড়ে ২৮ টি তাজা বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার দুই জন্মদিনে অবহেলিত ভূদেব মুখোপাধ্যায়, তালাবন্ধ গ্রীলে মালা ঝুলিয়ে জন্মদিন পালন করল বিজেপি বালিভর্তি ট্রাক চলাচল ঘিরে উত্তেজনা, সোনামুখীতে গ্রামবাসীর রাতভর বিক্ষোভ বসিরহাটে দলবদল ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ, তৃণমূলের সভায় বহু নেতার যোগদান ভোটের আগে বিরোধী শিবিরে বড় ভাঙন কুলতলীতে কালিয়াচকের বাহাদুরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড চুঁচুড়ায় সোমবার সাতসকালে পথ দুর্ঘটনা, জখম যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক নিহত সেনা জওয়ানের মরদেহ পৌঁছাল শেখপাড়ার বাড়িতে ব্লক প্রাণিসম্পদ বিকাশ দিবস পালিত জয়নগরে অনলাইন বাণিজ্যের প্রসারে ক্ষুদ্র ব্যবসা চাপে: মত বড়জোড়া চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে ফের পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা উত্তরলক্ষীপুরের গর্ব: প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হতে চলেছেন ডা: মোবারাক হোসেন পুনরাবৃত্তি চায় ভারত, দক্ষিন আফ্রিকা চায় প্রত্যাবর্তন; সুপার এইটে আজ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই টানা দুই ম্যাচে জয় ইস্টবেঙ্গলের, দুই ম্যাচেই জোড়া গোল ইউসুফের বৃষ্টিতে ধুয়ে গেল পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ আজ শুরু সুপার এইটের লড়াই, প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি পাক বনাম নিউজিল্যান্ড আজ ইস্টবেঙ্গলের সামনে স্পোর্টিং দিল্লি, ভরসার নাম ইউসুফ আজ্জেরি প্রত্যাশিত হার, ঘরের মাঠে মহামেডান বধ এফসি গোয়ার ১৫ বছরেও শেষ হয়নি বক্সীপুর ব্রিজ নির্মাণ কাজ, জনস্বার্থ মামলা গড়াল কলকাতা হাই কোর্টে করিমপুর এলাকাবাসীকে বহরমপুর যেতে আর পেরুতে হবেনা বিপদ সংকুল রাস্তা এসআইআর এর চাপ, শ্রীরামপুরে মাঝ গঙ্গায় ঝাঁপ বিএলও’র ছেলেধরা সন্দেহে পুড়িয়ে খুনের চেষ্টার ঘটনায় বলাগড়ে ২৫ জন দোষীকে সাজা শোনালো চুঁচুড়ার ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট বেআইনি মাটির গাড়ির ধাক্কায় ২ যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে জি-প্লটের আদিবাসী শিশুরা  জল্পনার অবসান, তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বাম যুব নেতা প্রতীক উর রহমান কনকচূড় ধানের চাল পেল জাতিসংঘের ঐতিহ্য স্বীকৃতি, খুশির হাওয়া জয়নগর জুড়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে প্রশাসন-এনজিওর যৌথ উদ্যোগে সচেতনতা শিবির ঘোড়ামারা দ্বীপ রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপের নির্দেশ ট্রাইব্যুনালের, গঠিত হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি শেষ সময় ঘনাতেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম জমায় দীর্ঘ হচ্ছে লাইন পখন্না রামকৃষ্ণ আশ্রমে শ্রীরামকৃষ্ণের ১৯১তম জন্মতিথি উদ্‌যাপন বড়জোড়া কলেজে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত সায়েম চৌধুরী ওরফে বাবু: সংগঠন, সংগ্রাম ও সেবার রাজনীতি সোনার প্রতিমার প্রলোভনে ১১ লক্ষ টাকার প্রতারণা ঘুঁটিয়ারীশরিফে পুলিশের সাফল্য: ২৪ চুরি যাওয়া মোবাইল উদ্ধার হুগলি জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে খাদ্য সুরক্ষা মেলা’য় সুষম খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ  উলুবেড়িয়ায় ১৫ টিয়া উদ্ধার, আন্তরাজ্য পাখি পাচারচক্রের সদস্য গ্রেফতার সরকারি জমি দখল ও নয়নজুলি ভরাটের অভিযোগে চাঞ্চল্য ধূপগুড়িতে কাবিলপুর হাই স্কুলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা দিবস ঘটা করে উদযাপন পবিত্র রমজান মাস শুরুর ঠিক আগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ জয়নগরে ২০২৬ নির্বাচন ঘিরে ফারাক্কায় জোর চর্চায় রেহেনা ইয়াসমিন  পিতা-মাতার স্মৃতিতে আট দিনব্যাপী ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন পুলিশকর্মী ছেলের উদ্যোগে সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের মৃত্যু মিছিল থামছেই না, সরকারি ক্ষতিপূরনের দাবি মাটি, মানুষ ও সংগঠন: রাবিউল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন দুবে ঝড়ে উড়ে গেল নেদারল্যান্ডস, বোলিংয়ে নায়ক বরুণ হঠাতই ব্যাটিং বিপর্যয়, রঞ্জি থেকে বিদায় বাংলার ফারহানের দুরন্ত সেঞ্চুরি, সুপার এইটে পাকিস্তানও ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে আজ নামিবিয়ার মুখোমুখি পাকিস্তান সামির ৮ উইকেটেও, ব্যাটিং বিপর্যয়ে হারের মুখে বাংলা চুঁচুড়ায় প্রার্থী ঘোষণার আগেই দেওয়াল লিখনে জোর তৃণমূল, পাল্টা কটাক্ষ বিজেপির কুলতলিতে আয়ুষ মেলা: বিকল্প চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে উদ্যোগ রানীনগরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীসভা ও জাকির হোসেনের উপস্থিতিতে উপচে পড়া ভিড়  কৃষকদের সমস্যা সমাধানে চালু ‘ভারত বিস্তার’ এআই টুল গোবর্ধনডাঙ্গায় তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের কর্মী সভা কাবিলপুরে মানব সেবা ফাউন্ডেশনের পথচলা শুরু মালদা জেলায় হাই মাদ্রাসা, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন পা দিয়ে লিখেই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা মানকুন্ডুতে সারা বাংলা একদিনের দাবা প্রতিযোগিতা মেরা যুব ভারতের উদ্যোগে মগরাহাটে জেলা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অপসংস্কৃতির স্রোতের বিপরীতে নাট্যচর্চার বার্তা – বাগনানে তিনদিনের নাট্য উৎসবে নজর কাড়ল বাঙালপুর বয়েজ ক্লাব দ্বীপাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নপূরণ: আমতায় নির্মীয়মাণ কংক্রিটের সেতুতে বাড়ছে আশার আলো মানসম্মত শিক্ষা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কলকাতায় স্কুল ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা জীবনে কিছু জায়গা থেকে চুপচাপ সরে আসতে হয় ১৪ই ফেব্রুয়ারি: ভালবাসার দিন হিসেবে কেন পালিত হয়? সুদ, মাদক ও জুয়ার অদৃশ্য জোট: সমাজ ধ্বংসের নীরব চক্রান্ত আদ্রায় ‘বিনা পয়সার বাজারে’ উপচে পড়া ভিড়, হাসি ফিরল অসংখ্য মুখে মেডিকেল ভর্তিতে কাট অফ বিতর্কে তোলপাড় দেশ হবু ডাক্তারদের মান, মেধা ও রোগীর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন কেরালার আদালতে নতুন অধ্যায় রচিত দৃষ্টিহীন তরুণী বিচারক গড়লেন নজির

প্রাচ্যের মধ্যে নয় বলেই জটিল আবর্তে মধ্যপ্রাচ্য

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:১৯ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, সকাল ৯:১৯

গাজা-সহ ফিলিস্তিন তথা মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল পাশ্চাত্য সভ্যতার সাহায্য ও সহযোগিতায় গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে যে ক্রমাগত ধ্বংসলীলা ও গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ওপর দুই ধরনের চিন্তা-ভাবনা ও জ্ঞান-গবেষণা আছে। একটি হল পাশ্চাত্য সভ্যতার সেক্যুলার স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলো যাতে ঐক্যবদ্ধভাবে প্যান ইসলামিজমে জমতে না পারে।

আরও পড়ুন:

এটা শুধু ইসরাইলের বিষয় নয়, বিষয়টি তথাকথিত সেক্যুলার বিশ্বের। তাদের স্বার্থ এখানে দারুণভাবে জড়িত। মাছ যেমন জল ছাড়া বাঁচতে পারে না, পশ্চিমারা তেমনি মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া বাঁচতে পারে না, পারবে না। তাই ওরা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর ঠিকা নিয়ে বসে আছে। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোকে যেমন খুশি তেমন সাজাচ্ছে। যেমন খুশি তেমন যুদ্ধ করছে। কেউ বলার নেই।

আরও পড়ুন:

কোনো দেশকে রাজতান্ত্রিক, কোনো দেশকে সমাজতান্ত্রিক এবং কোনো দেশকে সেনাতান্ত্রিক করা হয়েছে। এ সবের কারিগর বা নাটের গুরু পশ্চিমারাই। পাশ্চাত্য সভ্যতাকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ সভ্যতা হল গির্জা ও রাজার দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ধর্ম থেকে দূরে চলে যাওয়া নাসারা ও ইহুদিদের মনগড়া কথিত সম্মিলিত সভ্যতা। এসব আসলে সভ্যতা নয়, বরং অসভ্যতা। এই তথাকথিত সভ্যতা আবার দুই ভাগে বিভক্ত ছিল, ক্যাপিটালিজম (পুঁজিবাদ) ও কমিউনিজম (সমাজতন্ত্র)।

আরও পড়ুন:

ক্যাপিটালিজমের কেন্দ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কমিউনিজমের কেন্দ্র ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। দুই মতবাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ-বিসম্বাদ লেগেই ছিল। কিন্তু অবাক করা কাণ্ড, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির জন্য পুঁজিবাদের সর্দার বা মাতব্বররা মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের সর্দার সোভিয়েত ইউনিয়নকে সুযোগ করে দিয়েছিল। এ সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার কারণে কমিউনিজম অন্তত দুটি দেশের ওপর নিজেদের লাঠি ঘোরাতে পেরেছিল। ইরাক ও লিবিয়া। দেশ দুটি ছিল বলতে গেলে সেনাতান্ত্রিক। পাশ্চাত্য সভ্যতা ভালভাবে উপলব্ধি করেছে, রাজতন্ত্র এবং সামরিকতন্ত্রকে বজায় রাখলে তাদের অনেক বেশি সুবিধা হবে।

আরও পড়ুন:

একটি দেশের রাজা-বাদশাহ বা সামরিক শাসককে কোন রকমে বোঝাতে পারলেই কেল্লাফতে। গণতন্ত্র থাকলে জনগণ, সংবিধান, আদালত ইত্যাদি অনেকের কাছে দায়বদ্ধতা বা জবাবদিহি করতে হয়। রাজতন্ত্র বা সেনাতন্ত্রে এত হ্যাপা নেই। এই দুই ধরনের দেশের সাথে আলোচনা বা চুক্তি করা খুব সহজ। চুটকিতে সবকিছু হয়ে যায়। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ কখনো থেমে থাকেনি। নানা ছুতা-নাতায় এক মুসলিম দেশের সাথে আরেক মুসলিম দেশের যুদ্ধ প্রায় লেগেই ছিল। কখনো সেখানে স্থায়ী শান্তি আসেনি। ফলে জামাল উদ্দিন আফগানির প্যান ইসলামিজম ষাটের দশকের মধ্যে ঝিমিয়ে পড়ে। দুনিয়ার মুসলিম এক হও… আরো কিছুদিন পাক-ভারত-বাংলাদেশ উপমহাদেশে উচ্চকিত থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় এই স্লোগানের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। দেশভেদে তারা তাদের মতো যুদ্ধ ও শান্তি বজায় রেখে কোনো না কোনোভাবে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখে চলছিল। যেটা ইসলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না।

আরও পড়ুন:

যদিও মুসলিম দেশগুলো তাদের বন্ধু সেক্যুলার রাষ্ট্রের কর্ণধারদের উপদেশ ও পরামর্শে বহু আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইসলামিক বা মুসলিম সংগঠনের অস্তিত্ব সবসময় বজায় ছিল। কিন্তু কার্যত কোনো সংগঠনেই ব্যাপক অর্থে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারেনি। সৌদি আরব, কুয়েত ও কাতার মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা নির্মাণের জন্য, বাড়িঘর তৈরির জন্য এবং শ্রমিক-সহ নিম্নশ্রেণির মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য বেশ কিছু কাজ করেছে। ইসলামের শ্রমনীতি মেনে একাজ হয়নি। এটা পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থে হয়েছে। এই মুসলিম দেশগুলো শুধু মুসলিমদের কর্মসংস্থান করে, এমনটা নয়। মুসলিম উম্মাহর সদস্য হওয়া আর মুসলিম দেশের জনগণকে সাহায্য-সহযোগিতা করা এক বিষয় নয়। দুটিকে এক করে দেখা ঠিক হবে না।
পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশের সাথে মুসলিম দেশগুলোর চুক্তি আছে। তারপর এক এক করে প্রায় শেষ হয়ে গেল আফগানিস্তান, ইরাক, লিবিয়া, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও ফিলিস্তিন-সহ কত দেশ! কিন্তু ইসরাইলের তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অথচ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গৃহযুদ্ধ লাগানোর সকল অপকর্ম চালিয়ে এসেছে পশ্চিমারা। নিজদের অস্ত্রের গোডাউন খালি করার জন্য এবং নতুন নতুন অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের জন্য যুদ্ধ ও গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে রেখেছে তারা। তাদের প্রয়োজনে মুসলিম দেশগুলোর সরকার পরিবর্তন বা উৎখাত করতে তারা যত রকম নষ্টামি করেছে। প্রকাশ্যে যা করছে, তা হয়ত বিশ্ববাসী দেখছে। কিন্তু গোপনে যা করছে, তা সাধারণ মানুষ কিছুই টের পাচ্ছে না। যখন জানতে পারা যাচ্ছে, তখন সবকিছু শেষ। এভাবে তারা মিশর, সুদান, তিউনিশিয়া, আলজেরিয়া ও পাকিস্তানকে ধ্বংস করেছে। ইরানকে ধ্বংস করার জন্য তারা প্রকাশ্য ও গোপনে যা করার, তা সবই করেছে এবং এখনও করছে।

আরও পড়ুন:

এই পরিস্থিতিকে হান্টিংটন বলেছেন, ‘ক্রাইসিস অব সিভিলাইজেশন’। কিন্তু আমরা তো কোনো তথাকথিত ক্রাইসিস দেখছি না। আমরা দেখছি ‘ডেমলিশিং অব আদার সিভিলাইজেশন’ হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে অন্য সভ্যতার এই ধ্বংসলীলা কার্যকর রয়েছে। যদি তাই না হবে, তাহলে সেক্যুলার সভ্যতা সবই মরীচিকা। প্রতিপক্ষ তো তৈরি করতে হবে। সেজন্যই দেশে দেশে তৈরি করা হচ্ছে ড্যামি প্রতিপক্ষ। এটা হল অতি সংক্ষেপে গত প্রায় ১০০ বছরের খতিয়ান।

আরও পড়ুন:

মুসলিম দেশগুলো একের পর এক ধ্বংস হচ্ছে পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের পাশাপাশি নিজেদের মুনাফিকির কারণে। তারা আল্লাহর সাথে মুনাফিকি করছে। তারা দুনিয়া পরস্তি হয়ে গেছে। গদির জন্য তারা শত্রুর সাথেও হাত মেলাচ্ছে। তাদের জন্যই মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোতে লাখা লাখো বনি আদম শাহাদাত বরণ করছে। কিন্তু তাদের কোনো চৈতন্য নেই, আফসোস নেই, কোনো পেরেশানি নেই। তারা নিজেরা কী করে আরো দীর্ঘকাল ক্ষমতায় টিকে থাকবে, সেই চিন্তায় তারা অস্থির!

আরও পড়ুন:

পশ্চিমারা চোরকে বলছে চুরি কর, আর গৃহস্থকে বলছে সজাগ থাক। এখন গাজাকে পুরোপুরি কব্জা করে নেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এটা হলে তারা ক্রমে ফিলিস্তিন, তারপর প্রতিবেশি মুসলিম দেশগুলোকেও ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেবে। মহান আল্লাহর কঠিনতম শাস্তি বা আযাব গজব থেকে বাঁচতে হলে মুসলিম দেশগুলোকে তথাকথিত সেক্যুলার পশ্চিমা সভ্যতার ছোঁয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তাওবাহ করে তাদের নিজস্ব জীবন ব্যবস্থা, সংস্কৃতি ও ইসলামী সভ্যতার দিকে ফিরে আসতে হবে। আরব জাতীয়তাবাদ এবং মুসলিম জাতীয়তাবাদকে ভুলে যেতে হবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর সার্বভৌমত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করতে হবে। তবেই যদি মহান আল্লাহ মুসলিমদের সহায় রহবে, মুসলিম দুনিয়াকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন
Copyright © Notun Poigam
Developed by eTech Builder